১২ আগস্ট ২০২২
`

পেশাদার লিগে বিদেশীদেরই দাপট

-

এবারের লিগে নতুনত্ব, প্রতি দল একজন করে এশিয়ান কোটায় বিদেশী ফুটবলারকে খেলাতে পারছে। এই কোটায় অবশ্য নোফেলে কোনো ফুটবলার নেই। ফলে প্রতি দলে চার বিদেশী থাকলেও নোফেলে তিন বিদেশী। এই বিদেশীদের মধ্যে সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু বসুন্ধরা কিংসের ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। কোস্টারিকার বিশ্বকাপের এই ফুটবলার গত দুই আসরে তার প্রমাণও দিয়েছেন। এ ছাড়া দলটির ব্রাজিলিয়ান মার্কোস ভিনিসিয়াস, আবাহনীর সানডে, বেলফোর্ড, শেখ জামালের সলোমন কিং, শেখ রাসেলের আজিজভ আলীশের, দুই রাফায়েল, চট্টগ্রাম আবাহনীর মমদু বা, মোহামেডানের ল্যান্ডিং দারবোয়ে, বিজেএমসির ওতাবেকরা থাকবেন স্পটলাইটে।
এ পর্যন্ত হওয়া দশটি পেশাদার লিগে আধিপত্য ছিল বিদেশীদের। সর্বোচ্চ গোলদাতা তারাই হয়েছেন নয়বার। এর মধ্যে গত বছর শেখ জামালের দুই ফুটবলার সলোমন কিং এবং রাফায়েল সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন যৌথভাবে। গোলসংখ্যা ছিল ১৫টি করে। দেশী ফুটবলারদের মধ্যে এনামুল হক একবার সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তা ২০০৯-১০ সিজনে। ঢাকা আবাহনীর জার্সি গায়ে সেবার ২১ গোল করেন তিনি। এই লিগে এক মওসুমে সবচেয়ে বেশি ২৬ গোল করেছেন শেখ জামালের ওয়েডসন আনসেলমে। ২০১৩ -১৪ সিজনে তার এই কৃতিত্ব। এই হাইতিয়ানই একমাত্র ব্যতিক্রম। তিনি দুইবার সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তা এই দলের হয়ে পরের মওসুমেই। সেবার তার গোল সংখ্যা ছিল ১৮।
২০০৭ সালের প্রথম পেশাদার লিগে ব্রাদার্সের নাইজেরিয়ান এলিজা জুনিয়র ১৬ গোল দিয়ে হন সর্বোচ্চ গোলদাতা। পরের বছর এই কৃতিত্ব মোহামেডানের নাইজেরিয়ার আলামু বুকোলা ওলালেকানের। তিনি দিয়েছিলেন ১৮ গোল। ২০১০-১১ সিজনে মুক্তিযোদ্ধার সুদানি স্ট্রাইকার জেমস মগা ১৯ গোল, ২০১২তে বিজেএমসির গিনির ফুটবলার ইসমাইল বাঙ্গুরা ১৭, ২০১২-১৩ তে মোহামেডানের ঘানার ফরোয়ার্ড ওসেই মরিসন ১১ গোল, ২০১৬তে ঢাকা আবাহনীর নাইজেরিয়ান সানডে চিজুবা ১৯ গোল দিয়ে হন সর্বোচ্চ গোলদাতা।
স্থানীয়দের মধ্যে এনামুলের পরেই এক লিগে স্থানীয়দের মধ্যে বেশি গোল করেছেন আলফাজ আহমেদ। তিনি শেখ রাসেলের জার্সি গায়ে ১৭ গোল করেন ২০০৮-৯ মওসুমে।
এ ছাড়া ২০০৭ সালে ঢাকা আবাহনীর জাহিদ হাসান এমিলি ১২ গোল, ২০১০-১১ ও ২০১২তে মুক্তিযোদ্ধার মিঠুন চৌধুরী ১৬ ও ৬, ২০১২-১৩তে ঢাকা আবাহনীর সাখাওয়াত হোসেন রনি ৭ গোল, ২০১৩-১৪তে মোহামেডানের ওয়াহেদ আহমেদ ১৫ গোল, ২০১৫তে মুক্তিযোদ্ধার এনামুল ১৩ গোল, ২০১৬তে চট্টগ্রাম আবাহনীর তৌহিদুল আলম সবুজ ও আরামবাগের সাজিদুর রহমান যৌথভাবে ৮টি করে এবং গত বছর চট্টগ্রাম আবাহনীর তৌহিদুল আলম সবুজ ৮ গোল করেন। যা ছিল লিগে স্থানীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল দেয়া।
এবারও লড়াইয়ে থাকবেন সবুজ। তার এই সিজনের ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। সাথে এই দলের মতিন মিয়া, ঢাকা আবাহনীর নাবিব নেওয়াজ জীবন, বসুন্ধরার মাহাবুবুর রহমান সুফিল, শেখ জামালের সাখাওয়াত রনি, শেখ রাসেলের আমিনুর রহমান সজীব, জুলফিকার, রুমান, মোহামেডানের তকলিচ, সাইফ স্পোর্টিং-এর জাফর ইকবালরা গোল স্কোরের লড়াইয়ে থাকবেন। সাথে নতুন কেউ চলেও আসতে পারেন আলোচনায়।


আরো সংবাদ


premium cement