Naya Diganta

প্রতি দশে একজন ফিশিংয়ের শিকার

ক্লাউড নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ান্ডেরা’র নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রতি দশজনে একজন মোবাইল ডিভাইস ব্যবহারের সময় ফিশিং লিংকে ক্লিক করে থাকেন। ফিশিংয়ের দৌরাত্ম্য এখন এতটাই বেড়েছে যে, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ই-মেইল, এসএমএস, সামাজিক মাধ্যমসহ অনলাইনে যোগাযোগের প্রায় সব মাধ্যমই ব্যবহৃত হচ্ছে ফিশিংয়ের অস্ত্র হিসেবে।
বিশ্বের ৯০টি দেশের পাঁচ লাখ ডিভাইস নমুনা হিসেবে নিয়ে ‘ফিশিং ট্রেন্ডস’ বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা।
আর গবেষণার ফলাফল বলছে, যত ব্যবহারকারী ফিশিং লিংক বা মেসেজ পাচ্ছেন, সরাসরি ওই ফিশিং লিংকে ক্লিক করছেন তাদের একটি বড় অংশ।
ওয়ান্ডেরার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, প্রতি বছর ফিশিং আক্রমণের শিকার ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে ১৬০ শতাংশ হারে। আরো জানা গেছে, প্রায় ৯৩ শতাংশ ফিশিং ডোমেইন নিরাপদ ওয়েবসাইটে হোস্ট করা হয়, ইউআরএল বারের তথ্যও সেটাই দেখায়। এখন, এইচটিটিএপএস যাচাইকরণের মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ ফিশিং সাইট নিজেদের প্রতারণামূলক আচরণ গোপন করে।
২০১৮ সালের তুলনায় এ সংখ্যা নাটকীয়ভাবে ৬৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফিশিং এক ধরনের ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ যেখানে আক্রমণকারী সাধারণ ব্যবহারকারীদের প্রতারণামূলক ভুয়া বার্তা পাঠায়। এ ধরনের বার্তা এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যে, তা দেখে আক্রান্ত ব্যক্তি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বুঝতে পারেন না যে, বার্তাটি ভুয়া এবং স্পর্শকাতর তথ্য দিয়ে দেন সহজেই। অনেক ক্ষেত্রে আবার আক্রান্তের ডিভাইসে র্যানসমওয়্যারের মতো ম্যালিশাস সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেয় আক্রমণকারী।