Naya Diganta

ডি ককের শতকের ম্যাচে নাটকীয় পরাজয়ে হোয়াইটওয়াশ ভারত

ডি ককের শতকের ম্যাচে নাটকীয় পরাজয়ে হোয়াইটওয়াশ ভারত

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছিল আগেই, তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও ভারত হেরে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। এই পরাজয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে প্রোটিয়াদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) কেপটাউনে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন কুইন্টন ডি কক। অপর প্রান্তে অন্য টপ অর্ডাররা যাওয়া-আসায় ব্যস্ত থাকলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ডি কক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৭তম সেঞ্চুরি। চতুর্থ উইকেটে রাসি ভন ডার ডুসেনকে নিয়ে গড়েন ১৪৪ রানের পার্টনারশিপ।

১৩০ বলে ১২৪ রান করার পথে তিনি হাঁকান ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। তার বিদায়ে অবশ্য আবারো খেই হারিয়ে ফেলে প্রোটিয়ারা। ভন ডার ডুসেনও ৫৯ বলে ৫২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এতে রানের গতিও কমে যায়।

ডেভিড মিলারের ৩৮ বলে ৩৯ রানের ইনিংস সত্ত্বেও ৪৯.৫ ওভারে ২৮৭ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ভারতের পক্ষে প্রসিধ কৃষ্ণ তিনটি এবং দীপক চাহার ও জাসপ্রিত বুমরাহ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

২৮৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৮ রানে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের উইকেট হারানো ভারতকে খেলায় ফেরান শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৮ রানের জুটি গড়েন তারা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ভারত।

২১০ রানে লোকেশ রাহুল, শিখর ধাওয়ান, ঋষভ পন্থ, বিরাট কোহলি, স্রেয়াশ আইয়ার, সুরাইকুমার যাদবদের মতো স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় ভারত।

তবে শেষ দিকে দিপক চাহারের ব্যাটিং তাণ্ডবে জয়ের দুয়ারে চলে যায় ভারত। জয়ের জন্য শেষ দিকে ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১০ রান।

৪৮তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই ব্যাটিং তান্ডব চালিয়ে যাওয়া দিপক চাহারকে আউট করেন লুঙ্গি এনগিডি। ৩৪ বলে ৫টি চার ও দুই ছক্কায় ৫৪ রান করে ফেরেন দিপক চাহার।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান। আর প্রোটিয়াদের প্রয়োজন ছিল মাত্র এক উইকেট। শেষ ওভারের বোলিংয়ে এসে যুজবেন্দ্র চাহালকে আউট করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪ রানের জয় উপহার দেন ডুয়াইন পিটোরিয়াস।