Naya Diganta

  ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস

২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন বছর ধরে এই দিনে পালিত হচ্ছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’। এ বছরও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ দিনটি পালন করেছে।
এবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ‘সংযুক্তিতে উৎপাদন, দেশের হবে উন্নয়ন’ বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য করে দিবসটি পালন করেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বস্তুতপক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে আমরা কাজ করছি। ১১ বছরে যতটুকু অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে, কোনো কৃষিভিত্তিক দেশ এতটা অগ্রগতি করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। দেশের জনগণ এগিয়ে যাচ্ছে। সাড়ে ১৭ কোটি মানুষ এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে, ১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মোবাইলে প্রতিদিন সাড়ে ১১ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। এই সূচকগুলো দিয়েই বোঝা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশের উন্নয়ন কোন স্তরে পৌঁছেছে। ২০২১ সালকে আমরা বলেছি, এটা আমাদের প্রথম সিঁড়ি। আমাদের এখন টার্গেট ২০৪১ সাল পর্যন্ত। অর্থাৎ ডিজিটালের প্রথম স্তরটা আমরা অতিক্রম করেছি এবং দ্বিতীয় স্তরে কাজ শুরু করেছি।
‘সত্য-মিথ্যা যাচাই আগে, ইন্টারনেটে শেয়ার পরে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের নানা আয়োজন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের যত অর্জন, সব কিছুকে কিন্তু ঝুঁঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি। অর্থাৎ, গুজব প্রতিরোধ এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ জন্য জনগণকে সচেতন করতে না পারাই এখন আমাদের প্রধান বাধা। ফলে আমরা অনলাইন সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সোস্যাল মিডিয়া সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে।