১৮ মার্চ ২০১৯

এক শ’ বছর পর দেখা মিলল ব্ল্যাকপ্যান্থারের

ব্ল্যাক প্যান্থার বা কালো চিতা - ছবি : সিএনএন

কিংবদন্তী ব্ল্যাকপ্যান্থার বা কালো চিতা কী আসলেই আছে, না পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে প্রাণীটি? এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছিলো ধোঁয়াশা। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন এখনো পৃথিবীতে আছে এই প্রজাতির বাঘ। এবং তারা সেটির ছবিও তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

এই কালো চিতার বিরল একটি ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছে তারা কেনিয়ায়। দীর্ঘ একশ’ বছরেরও পর এটির ছবি পাওয়া গেল। সর্বশেষ ১৯০৯ সালে কালো চিতার ছবি তুলেছিলেন জীববিজ্ঞানীরা। দেখা না পাওযায় এতদিন সবার ধারণা ছিলো কালো চিতা হয়তো পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়াগো চিড়িয়াখানার প্রাণীবিজ্ঞানী নিক পিলফোল্ড।

তিনি জানিয়েছে, টানা কয়েক মাস ধরে প্রাণীটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘ অপেক্ষার পর তারা ছবিটি তুলতে পেরেছেন। কেনিয়ার লাইকিপিয়া কাউন্টির একটি প্রাণী সংরক্ষণ এলাকার জঙ্গলে এক বছর পূর্বে তারা ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। এরপর তারা সেখান থেকে একটি কালোচিতা সনাক্ত করার রিপোর্ট পান।

নিক পিলফোল্ড বলেন, আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন এমন কিছুরই আশায়। কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা থেকে আমারা কালো চিতা ট্রেস করার রিপোর্ট পেতে শুরু করি।

গাঢ় কালো বর্ণের ব্ল্যাকপ্যান্থারটি স্ত্রী প্রজাতির। অন্ধকারের মধ্যে তোলা ছবিটিতেও স্পষ্ট হয়েছে তার চেহারা। উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরার মাধ্যমেই এই ছবিটি তোলা সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞানী পিলফোল্ড বলেন, কালো চিতা আছে এমন খবর প্রায়শই পাওয়া গেছে। কিন্তু সেটিকে চিহ্নিত করা বা এমন কোন শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ১৯০৯ সালে ইথিওপিয়ায় একটি কালো চিতার ছবি তোলা গিয়েছিল। বলা হয় যে, কেনিয়ায় কালো চিতা রয়েছে। কিন্তু ওই বছরের পর আর এই প্রজাতির প্রাণীর কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার কেনিয়ার ডেইলি ন্যাশন পত্রিকার খবরে বলা হযেছে, তাদের ফোয়েবে ওকাল নামের এক ফটোসাংবাদিক ২০১৩ সালে কালো চিতার ছবি তুলেছিলেন একই এলাকায়। তবে সেই ছবি কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল সেটি নিশ্চত হওয়া যায়নি।

পিলফোল্ডের দল যে ছবি তুলেছে তাতে ভিডিও ও কিছু স্টিল ছবি রয়েছে। যাতে দেখা যাচ্ছে অন্ধকারের মধ্যে হাঁটছে প্রাণীটি। তার চোখ দুটো মার্বেল পাথরের মতো জ্বলজ্বল করছে।

পোলফিল্ড জানান, এবার কেনিয়ায় কালোচিতা পাওয়া গেলেও এটি আসলে এই অঞ্চলেও দুর্লভ ছিলো অতীতে। এটি মূলত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রাণী।

প্রাণী বিজ্ঞানীরা বলছেন, কালো চিতার ছবি তোলার বিষয়টি তাদের কাছে ছিলো স্বপ্নের মতো। কারণ কালো চিতা যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে সেটি নিশ্চত হওয়া যায়নি। তাই যেহেতু পৃথিবীতে আছে তাই সেটি খুজে পাওয়াও সম্ভব। এমন বিশ্বাস নিয়েই বিজ্ঞানীরা এই প্রাণীটির পেছনে লেগে ছিলেন।

ছবিটি যিনি তুলেছেন সেই উইল বুরাড লুকাসও বলেছেন এটি তার কাছে স্বপ্নে মতো মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, জঙ্গলে প্রাণীদের চলার পথ ও পানির উৎসগুলোর কাছে ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছিল।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al