১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চাকরি দেয়ার নামে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, আটক ৫

চাকরি দেয়ার নামে গৃহবধূকে গণধর্ষণ - প্রতীকী ছবি

চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় নিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সাভারের পৌর এলাকার রাজাবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার সকালে ধর্ষিতা গৃহবধূ সাভার মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে এই বিষয়ে একটি মামলা দয়ের করেন।

এদিকে ওই গৃহবধূকে (৪১) গণধর্ষণের বিষয়ে মামলা দায়ের করার পর মঙ্গলবার ৫ অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করে থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মতি মিয়া (৫৫), রাকিবুল (২৪), মিরাজ সরকার (৩২), মোক্তার হোসেন (২৯) ও মাহবুব (৪২)। গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি)’তে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ সাভারের ইমান্দিপুর এলাকায় একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। গত সোমবার রাতে অভিযুক্ত মিরাজ ওই গৃহবধূকে চাকরি দেয়ার কথা বলে পৌর এলাকার রাজাবাড়ির একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ওই গৃহবধূকে আটককৃত অভিযুক্তরা গণধর্ষণ করে।

পরে মঙ্গলবার সকালে ধর্ষিতা গৃহবধূ সাভার মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ করলে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক পাঁচ জনকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উিউটি অফিসার এসআই মালেকা বানু জানান, গণধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।এ ঘটনায় থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : চাকরির প্রলোভনে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, অতপর...
আশুলিয়া (ঢাকা) সংবাদদাতা, (০৫ মার্চ ২০১৯)

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেছে ৭ বখাটে যুবক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৭ ধর্ষকের মধ্যে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে সাভারের আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকায় এই গণধর্ষনের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার সকালে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষকদের আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলো- জাফর কাজী (২২), নাজমুল হোসেন(২০), শহিদুল ইসলাম(৪৪), রহম আলী (২০), আমির হোসেন(৩২)। আটককৃত ৫ ধর্ষকই আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি দিঘিরপাড়ের বাসিন্দা।

ধর্ষিতা গৃহবধূর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকার বেঙ্গল গ্রুপের ডিজাইনার ফ্যাশন লিঃ এর পোশাক কারখানায় চাকরি দেয়ার কথা বলে ধর্ষিতা গৃহবধূকে প্রলোভন দেখায় ঝুট ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম শহিদ ও জাফর কাজী। পরে ওই গৃহবধূকে সোমবার সন্ধ্যার পর তাদের বাসায় কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে। কথা অনুযায়ী ওই গৃহবধূ কাগজপত্র নিয়ে শহিদুল ইসলামের কাছে যায়।

পরে রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে নিয়ে কৌশলে নির্জন দিঘীরপাড়ে যায় শহিদুল। এখানে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ৭ বখাটে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ধর্ষিতা গৃহবধূ অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষক বখাটেরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে জ্ঞান ফিরলে, ধর্ষিতা গৃহবধূ বাসায় গিয়ে তার স্বামীকে নির্যাতনের কথা জানায়। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক দিপু বলেন, ধর্ষিতা গৃহবধূর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে ৫ অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।

তিনি আরো বলেন, গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরো সংবাদ