১২ নভেম্বর ২০১৯

ভেনিজুয়েলা নিয়ে যেকোন মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ!

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও শ’খানেক সেনাসদস্য বহনকারী দুইটি বিমান ভেনিজুয়েলায় অবতরণ করেছে। শনিবার দেশটির প্রধান বিমানবন্দরে বিমান দুটি অবতরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভেনিজুয়েলার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই রাশিয়ান এয়ার ফোর্সের বিমানে সেনাদের ভেনিজুয়েলা পাঠাল মস্কো।

নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে ভেনিজুয়েলার জনগণ যখন সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করছিল তখন এই বিক্ষোভের সুযোগে গত ২৩ জানুয়ারি নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুইদো। এরপরই তাকে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রসহ ৫০টিরও বেশি দেশ।

ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের সাথে যুক্ত একটি ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, শুক্রবার রাশিয়ার মিলিটারি এয়ারপোর্ট থেকে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উদ্দেশে যাত্রা করে দুটি বিমান। আরেকটি ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটে দেখা গেছে, শনিবার রাশিয়ার একটি বিমান কারাকাস ছেড়েছে। তবে এ বিষয়ে ভেনিজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি সমর্থনের বার্তা দিতে তিন মাস আগে দেশটিতে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় রুশ বাহিনী। তবে ওই মহড়াকে অঞ্চলটিতে রাশিয়ার অনধিকার চর্চা হিসেবে আখ্যায়িত করে এর সমালোচনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার টুইটারে দেয়া পোস্টে জেভিয়ার মেয়র্কা নামের একজন সাংবাদিক লিখেছেন, রাশিয়ার পাঠানো প্রথম বিমানটিতে অন্যদের সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফও ছিলেন। আর দ্বিতীয় বিমানটি ছিল একটি কার্গো বিমান। এতে ৩৫ টন সামগ্রী বহন করা হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটের তথ্য অনুযায়ী, কার্গো বিমানটি রোববার বিকেলে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাস ত্যাগ করে।


আরো সংবাদ