০৪ জুন ২০২০

সেরা শহর কানাডার ক্যালগেরি, ভ্যাঙ্কুভার ও টরন্টো

সেরা শহর কানাডার ক্যালগেরি, ভ্যাঙ্কুভার ও টরন্টো - সংগৃহীত

বিশ্বে সেরা দশটি শহরের তালিকায় শুধু কানাডারই রয়েছে তিনটি শহর! এগুলো হচ্ছে- ক্যালগেরি, ভ্যাঙ্কুভার এবং টরন্টো। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়াও তিনটি শহর মেলবোর্ন, সিডনি এবং অ্যাডিলেড স্থান পেয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্বের ১৪০টি শহরের ওপর জরিপ চালিয়ে তার ফলাফল প্রকাশ করে।

জরিপ অনুযায়ী প্রথম দশটি শহর হচ্ছে, যথাক্রমে- অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, জাপানের ওসাকা, কানাডার ক্যালগেরি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার, জাপানের টোকিও, কানাডার টরোন্টো, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড।

র‌্যাঙ্কিং নির্ধারণের ক্ষেত্রে শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থীতিশীলতা, অপরাধ প্রবণতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বিবেচনা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের সেরা শহর- অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।

সর্বনিন্মে রয়েছে অর্থাৎ বসবাসের অযোগ্য শহর হচ্ছে- সিরিয়ার দামেস্ক, দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা, তৃতীয় স্থানে নাইজেরিয়ার লাগোস চতুর্থ স্থানে পাকিস্তানের করাচি এবং পঞ্চম স্থানে পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মরিসবি।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাখ্যাত মুসলিম উদ্বাস্তুদের নেবে কানাডা
আলজাজিরা ও টরেন্টো স্টার৩০ জানুয়ারি ২০১৭

নির্বাহী আদেশে ৭টি মুসলিম দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জায়গা হবে না বলেই মনে করছেন অনেকে। অন্য দিকে মুসলিমদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ট্রাম্পের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত মুসলিম শরণার্থীদের কানাডায় জায়গা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির পরপরই শনিবার (২৮ জানুয়ারি) এক টুইটার বার্তায় এ ঘোষণা দেন ট্রুডো। তিনি লিখেন, ‘যারা নির্যাতন, সন্ত্রাস ও যুদ্ধের শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য কানাডার দরজা সবসময়ই খোলা। বৈচিত্রই কানাডার বৈশিষ্ট, ইতিবাচক শক্তি।’ এর সাথে টরেন্টো বিমানবন্দরে সিরিয়ার শরণার্থী শিশুর সাথে তোলা একটি ছবিও পোস্ট করেন ট্রুডো। চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করবেন ট্রুডো। তার মুখপাত্র জানান, এ বৈঠকে কানাডার সফল অভিবাসন ব্যবস্থা ও শরণার্থী নীতির বিষয়ে ট্রাম্পকে অবহিত করবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাতটি মুসলিম দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে নির্বাহী আদেশ জারির পরে মুসলিমদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়। বিভিন্ন দেশে হয়রানির শিকার হন যুক্তরাষ্ট্রগামী মুসলিমরা। সংশয় তৈরি হয় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম শরণার্থীদের মনেও। এর পরিপ্রেক্ষিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর এমন আশ্বাস তাদের মনে একটু হলেও স্বস্তি এনে দেবে।


আরো সংবাদ

ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি (১১১০০)পঙ্গপাল ঠেকাতে কৃষকের অভিনব আবিষ্কার, মুহু্র্তেই ভাইরাল (৯১৫৮)বৃষ্টিতে ভিজলো আর রোদে শুকালো সালেহ আহম্মদের লাশ (৮৫৫৯)ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মুখ বন্ধ রাখতে বললেন পুলিশ প্রধান (৮২৩৮)পরিস্থিতি আমাদের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী (৭৮১৩)আতসবাজি বাঁধা আনারস মুখে ফেটে নদীতে দাঁড়িয়েই মৃত্যু গর্ভবতী হস্তিনীর (৭৫১০)‘প্লাজমা থেরাপি’ নিয়ে যা হচ্ছে বাংলাদেশে (৬৪৭২)হঠাৎ রাশিয়ায় রক্তচোষা পোকার আতঙ্ক!‌ (৬৪৬২)৪ দিনেই সুস্থ অধিকাংশ রোগী, রাশিয়ার এই ওষুধ নজর গোটা বিশ্বের (৬১২৫)বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৬৯৫ (৫৩১৩)