Naya Diganta

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ

জাওয়াদের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র। তাই চলতি সাপ্তাহের রোববার ও সোমবার (৫ ও ৬ ডিসেম্বর)  টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকে সোমবার পর্যন্ত টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে মঙ্গলবার থেকে জাহাজ চলাচল আবারো শুরু হবে। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে দ্বীপে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকবাহী জাহাজগুলো পুনরায় সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরছে।

ইউএনও বলেন, যেসব পর্যটক টিকিট কেটেছিলেন, তাদের টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভ্রমণে এসে দ্বীপে রাতযাপনকারী পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের ট্রাফিক সুপারভাইজার জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কক্সবাজারসহ দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে এ রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বেড়াতে এসে ৩০০’র বেশি পর্যটক স্বেচ্ছায় দ্বীপে আছেন। যারা রোববারের জন্য আটকে গেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফিরতে পারবেন। এ রুটে পাঁচটি জাহাজ চলাচল করছিল। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচলে আবার অনুমতি দেয়া হবে।

বিআইডব্লিউটিএ ও জাহাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে পাঁচটি জাহাজে হাজার দেড়েক পর্যটক সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যান। এর মধ্যে অনেক পর্যটকই ফিরে এলেও তিন শতাধিক রয়ে গেছেন। যদিও এর আগের কয়েকদিনে যাওয়া আরো শতাধিক পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছেন। শনিবার বিকেলে ও সন্ধ্যায় পাঁচটি জাহাজ ঘাটে ফিরে আসে।