Naya Diganta

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সরকার পজিটিভ

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সরকার পজিটিভ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি সরকার পজিটিভলি দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার রাত ১১টার দিকে গণমাধ্যমের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার নিজ বাসায় এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ করে দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার এসেছিল। তিনি জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ডাক্তাররা অভিমত দিয়েছে তাকে বিদেশে নেয়া প্রয়োজন। যদিও আমরা ডাক্তারদের কাছ থেকে শুনি নাই। প্রধানমন্ত্রী এসব ব্যাপারে অত্যন্ত উদার। আমরা পজিটিভলি এই বিষয়টি দেখবো। কালকরের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাকে (বেগম খালেদা জিয়া) বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে অনেকগুলো আইনি বিষয় জড়িত। কোর্টের কোনো নির্দেশ লাগবে কি না? সেটাও দেখতে হবে। সে জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রোসেস শুরু হয়েছে। তাদের মতামত এলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা অবশ্যই পজিটিভলি দেখছি। পজিটিভলি দেখছি বলেই প্রধানমন্ত্রী তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

এর আগে রাত ৮টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। এ সময় তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল করোনাভাইরাসের নমুনা জমা দেয়া হলে ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ আসে। এরপর ২৫ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় নমুনা জমা দেয়ার পর আবারো ফল পজিটিভ আসে। পরে গত মঙ্গলবার রাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা’র জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হয়।

পরে গত সোমবার সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল গুলশানের ওই হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা হলেন, অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. এজেডএম জাহিদ, ডা. শাহাবুদ্দিন, ডা. সিনা, ডা. ফাহামিদা বেগম, ডা. মাসুম কামাল, ডা. আল মামুন (মেডিসিন). ডা. সাদিকুল ইসলাম, ডা. তামান্না।