০৫ ডিসেম্বর ২০২০

স্বাস্থ্যের দুর্নীতি বন্ধে দুদকের সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে চায় হাইকোর্ট

স্বাস্থ্যের দুর্নীতি বন্ধে দুদকের সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে চায় হাইকোর্ট - ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি বন্ধে দুদকের ২৫ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নে অগ্রগতি দুই মাসের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি করে বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

একইসাথে স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ২৫ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের ২৫ দফা সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান ও আইনজীবী আমিনুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল এ রিট দায়ের করেন।

২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে দুর্নীতির ১১টি খাত চিহ্নিত করে, তা প্রতিহতের জন্য মন্ত্রণালয়ে ২৫ দফা সুপারিশ করে দুদক। প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, চিকিৎসা দেয়া, চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ব্যবহার, ওষুধ সরবরাহসহ বিভিন্ন দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা হয়।

এসব উৎস বন্ধে দুদকের করা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- তথ্যবহুল সিটিজেন চার্টার প্রদর্শন, মালামাল রিসিভ কমিটিতে বিশেষজ্ঞ সংস্থার সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে ইজিপি টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতাল স্থাপন ও অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব স্থায়ী চিকিৎসক বা কর্মচারী ও কার্যনির্বাহী কমিটি ইত্যাদি রয়েছে কি-না এসব বিষয় নিশ্চিত হওয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলির নীতিমালা প্রণয়ন, চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের নাম না লিখে জেনেরিক নাম লেখা বাধ্যতামূলক করা; ইন্টার্নশিপ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করা এবং বর্ধিত এক বছর উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে থাকা বাধ্যতামূলক করা, চিকিৎসকদের (সরকারি/বেসরকারি) পদোন্নতির জন্য সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে পিএসসি এবং বেসরকারিদের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং পিএসসির প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সুপারিশ দেয়া যেতে পারে।

সূত্র : ইউএনবি


আরো সংবাদ

বায়তুল মোকাররমের সামনে ভাস্কর্যবিরোধীদের মিছিলে লাঠিচার্জ (৮৯৮৮)মানুষের মতো দেখলেও তাকে যে কারণে জঙ্গলে ফল-ঘাস খেয়ে থাকতে হয় (৮৫৯৯)রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি সম্মিলিত ইসলামী দলগুলো (৭৪২০)ইরানি বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম মুখ খুললেন বাইডেন (৭৪১১)কোনো মুসলিম হিন্দু নারীকে বিয়ে করতে পারে কিনা (৬৭৬৫)ভাস্কর্য, মহাকালের প্রেক্ষাপট (৫৬৬১)নাগর্নো-কারাবাখে জয় পেতে কত সৈন্য হারাতে হলো আজারবাইজানকে? (৫৬৫৪)আওয়ামী লীগের আপত্তি, মামুনুল হকের মাহফিল বাতিল (৫০৩৬)নতুন পরমাণু কেন্দ্রে জ্বালানী ঢোকানোর কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান (৪২৫০)আঘাত করলে পাল্টা আক্রমণ হবে : ওবায়দুল কাদের (৩২০২)