১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩ আশ্বিন ১৪২৮, ১০ সফর ১৪৪৩ হিজরি
`
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে সিএইচআরডি বাংলাদেশের সেমিনার

বাংলাদেশের সামনে এখন দু’টি পথ : মাহমুদুর রহমান

সিএইচআরডির ভার্চুয়াল সেমিনার। - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের গণতন্ত্র উত্তরণে জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠান কিংবা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার হটানো- এ দু’টি পথই কেবল অবশিষ্ট রয়েছে বলে মনে করেন দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বড় বাধা বলেও মনে করেন তিনি।

রোববার কোয়ালিশন ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ (সিএইচআরডি) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সিএইচআরডি বাংলাদেশের সেক্রেটারি ইমরান আনসারীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম, লেখিকা ও রাজনীতিবিদ রীতা রহমান, বাইডেন ক্যাম্পেইনের বাংলাদেশ বিষয়ক পরিচালক আনিস আহম্মেদ ও প্রফেসর আবিদ বাহার।

মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র শীর্ষক এ সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএইচআরডি বাংলাদেশের সভাপতি জগলুল হোসেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট সাবরিয়া চৌধুরী বালান্দ।

সেমিনারে মাহমুদুর রহমান বলেন, ভূ-রাজনৈতিক কারণেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের অগ্রযাত্রাকে থামাতে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে সর্বময় কর্তৃত্ব দান করেছে। যেই সুযোগে ভারত আওয়ামী লীগকে এক যুগ ধরে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের এখন কোনো স্বাধীনতা নেই। বাংলাদেশের মানুষ এখন সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মানুষকে নজরদারি করবার জন্য ইসরাইল থেকে মেশিন ক্রয় করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই সরকারের বিভিন্ন বাহিনী জনগণকে গুম করে দিচ্ছে। দেশে এখন রাষ্ট্র কর্তৃক সন্ত্রাস চলছে।

মাহমুদুর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন চার ধরনের মিডিয়া রয়েছে। প্রথমত, এক ধরনের গণমাধ্যম সরকারের প্রোপাগান্ডা মেশিন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, আরো কিছু গণমাধ্যম রয়েছে যারা সরকারের এলাই হিসেবে কাজ করছে। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে রয়েছে সেলফ সেন্সর মিডিয়া। চতুর্থত, বাংলাদেশে অল্প সংখ্যক ভিন্নমতের গণমাধ্যম রয়েছে, কিন্তু আমার দেশ, দিগন্ত টেলিভিশন বন্ধের পর এটিও এখন আছে বলে মনে হয় না।

বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি উত্তরণে জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে একটি অবাধ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেশের মুক্তির বার্তা নিয়ে আসত পারে। অন্যথায় বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেভাবে কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন হয়, সেভাবেই বাংলাদেশ সরকারের পতন হবে।

রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম বলেন, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারের পর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশের জনগণকে কাজে লাগাতে হবে।

আনিস আহম্মেদ বলেন, বাইডেন প্রশাসন বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর। বাইডেন প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশ পরিস্থিতি সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে।

রীতা রহমান বলেন, বিএনপি সরকার অত্যাচার-নির্যাতনে ট্রমাটাইজ হয়ে আছে। একজন ১৮ বছরের ছাত্রদলের কর্মীর বিরুদ্ধেও ১৬/১৭টি করে মামলা। ভোটদান কি জিনিস জনগণ ভুলেই গেছে।

প্রফেসর আবিদ বাহার বলেন, পরিকল্পিত ভাবে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এখন সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান।



আরো সংবাদ


কাবুলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে রকেট হামলা (১৬০০২)তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র চাইলেন মাসুদ (১৫৭০৩)মালয়েশিয়ায় স্বদেশীকে অপহরণের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি ৪ বাংলাদেশী (১২৮৭১)মার্কিন সফরে মোদির ঘুম কেড়ে নেয়ার হুঁশিয়ারি শিখ গ্রুপের (১১৩৬১)নতুন ঘোষণা আফগান সেনাপ্রধানের (৯৮৫২)বিমানে হিজাব পরিহিতা দেখেই চিৎকার ‘মুসলিম সন্ত্রাসী’ (৭৩২১)ভারত সীমান্ত থেকে চীনের সেনা সরিয়ে নিতে জয়শঙ্করের হুঁশিয়ারি (৬০৯৮)যাত্রীবেশে উঠে গলা কেটে মোটরসাইকেল ছিনতাই (৬০১৫)রিকসা চালকের তথ্যে নিখোঁজ তিন ছাত্রী উদ্ধার (৫৯১৯)ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায় সৌদি আরব (৫৬৯১)