১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সব দ্বন্দ্ব ভুলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত তুরস্ক

সব দ্বন্দ্ব ভুলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত তুরস্ক - সংগৃহীত

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  মেভলুত চাভুসগলু বলেছেন,  সব দ্বন্দ্ব ভুলে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত রয়েছি। তবে এখানে কোনো শর্ত ও হুমকি থাকতে পারবে না।   

সম্প্রতি আঙ্কারায় বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মাধ্যকার চলমান সমস্যা সমাধানে তুরস্ক যথেষ্ট আন্তরিক বলে জানিয়েছেন তিনি। সমস্যা সমাধানে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে কোনো ধরণের কথা বলেতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে গত শুক্রবার তুরস্ক থেকে আমদানি করা অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলের ওপর দ্বিগুণ শুল্কারোপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  

পরে এর পাল্টা জবাবে হিসেবে মার্কিন পণ্যের ওপর দ্বিগুণ শুল্কারোপ করে তুরস্ক। এর মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী গাড়ি, অ্যালকোহল ও তামাক।

উল্লেখ্য, মার্কিন যাজককে সন্ত্রাসবাদ মামলায় বিচার ও বিভিন্ন কূটনৈতিক কারণে দুই ন্যাটো মিত্রের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

 

রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের নয়া কৌশলে বেকায়দায় যুক্তরাষ্ট্র!

১৬ আগস্ট ২০১৮

রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অবৈধ নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের দেশগুলোর কাছে ডলারের গ্রহণযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এ মন্তব্য করেছেন রাশিয়া ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

মঙ্গলবার আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লুর সাথে সাক্ষাতের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, কয়েক বছর আগে থেকেই আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের কথা ভাবছি। ইরান ও তুরস্কের সাথে এরইমধ্যে এ ব্যাপারে সমঝোতা হয়েছে এবং চীনের সাথে সমঝোতার কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছি।

ল্যাভরভ আরো বলেন, অন্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ অবৈধ; এমনকি মার্কিন আইনের সাথেই সাংঘর্ষিক।  অচিরেই আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের প্রভাব কমতে শুরু করবে এবং বিশ্বের বহু দেশ ডলারের ব্যবহার বন্ধ করে দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতির বিরোধী। ইউরোপীয় দেশগুলিও এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। ইরান বিরোধী মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেবে না তুরস্ক। আমরা আমেরিকাকে জানিয়ে দিয়েছি, আগের মতোই ইরানের কাছ থেকে গ্যাস কেনা অব্যাহত রাখব।

 


আরো সংবাদ




Hacklink

ofis taşıma