২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১৪ বৈশাখ ১৪৩১, ১৭ শাওয়াল ১৪৪৫
`

নিরাপদ পানি নিয়ে চঞ্চল চৌধুরী

-

ছোটবেলায় সবাই পড়েছি বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। সেই হিসেবে পানির অভাব এ দেশে নেই। তবে পানযোগ্য পানির হিসাব করতে গেলে সমীকরণে বেশ কিছু রদবদল এসে যায়। বর্তমানে দেশের ৮৬ শতাংশ বাসাবাড়ির মানুষ টিউবওয়েল কিংবা সাপ্লাই পানি পান করেন। তবে পিপাসা মেটাতে আমরা যা পান করছি তার সবই কিন্তু নিরাপদ নয়। এ যুক্তিতে পৃথিবীতে অন্য দেশের মতোই বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে বাংলাদেশও ভুগছে। কিছু দিন আগে জাতীয় টেলিভিশনে নিরাপদ পানির ওপর প্রচারিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানতে পেরেছি, দেশের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ অপরিচ্ছন্ন ও অনিরাপদ উৎসের পানি পান করছেন। পানির নিরাপদ উৎসগুলোর ৪১ শতাংশই ক্ষতিকারক ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত। পাইপের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা পানিতে ওই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮২ শতাংশ। ফলে বাড়ছে পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ।
আমি বেশ অবাক হয়েছি, যখন জানলাম আমাদের পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহের জন্য দায়ী এই ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া। এ ছাড়াও জন্ডিস, ডায়রিয়া, কলেরার মতো রোগ দেখা দিচ্ছে মহামারী আকারে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান না করার কারণে। আর দুঃখজনক হলেও পানিবাহিত রোগের বড় শিকার শিশুরা। দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, পাঁচ বছর বা এর কমবয়সী শিশু মৃত্যুর ছয় শতাংশই ঘটে থাকে পানিবাহিত রোগের জন্য।
কেন পিওরইট?
আপনারা অনেকেই হয়তো এখনো ফুটিয়ে কিংবা পুরনো উপায়ে পানি পরিশোধন করে থাকেন। আমিও একই কাজ করতাম। কিন্তু পানির দূষণ যেভাবে বেড়েছে, ফুটিয়ে কিংবা পুরনো পদ্ধতিতে পানি পরিশোধন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই শতভাগ নিশ্চিত সুরক্ষা দিতে পারে না।
তা ছাড়া ফুটানো ও পুরনো উপায়ে পানি শোধন প্রক্রিয়া অনেক সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং এগুলোর কার্যকারিতা তুলনামূলক কম। তা ছাড়া দিন দিন পানিতে আরো যোগ হচ্ছে ই-কোলাই, মরিচা, সিসা, আয়রন, আর্সেনিক, ভারী ধাতুর মতো নতুন নতুন সব বিষাক্ত উপাদান। আর এ জন্য অ্যাডভান্সড টেকনোলজির বিকল্প নেই; যা শুধু নিশ্চিত করে নিরাপদ খাবার পানির সহজ সমাধান পিওরইট পিউরিফায়ার।
পিওরইট পানিকে বিশুদ্ধ করে চারটি ধাপে। এর পরিশোধন পদ্ধতি ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার সাথে সাথে অন্যান্য বিষাক্ত উপাদান দূর করে পানিকে করে ফোটানো পানির থেকেও নিরাপদ। এ জন্য আলাদা করে বিদ্যুৎ কিংবা গ্যাসেরও প্রয়োজন হয় না। একেবারেই ঝামেলাহীন, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় বর্তমানে আমি নিজেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পিওরইটের ব্যবহার শুরু করছি। নিজের পরিবারের পানির সুরক্ষায় কোনো আপস নেই।
পিওরইট নিয়ে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর ব্যক্তিগত অভিমত!
‘নিরাপদ পানি আমাদের সবার অধিকার। আমি মনে করি, যেকোনো কিছুর আগে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করাটা বেশ জরুরি। কারণ, পানিই জীবন। অনিরাপদ বা দূষিত পানি প্রভাবে মৃত্যুর খবর প্রায়ই খবরের কাগজে আসে। আর পানের পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের বাজারে কাজ করে আসছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের পিউরিফায়ার ব্র্যান্ড পিওরইট।
দেশের বাজারে শুধু কেনা-বেচাতেই তারা সীমাবদ্ধ নয়, নিরাপদ পানির ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ‘এসডিজি-৬’ নিয়ে কাজও করছে তারা। সব মিলিয়ে পিওরইটের সাথে কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত।’ ঢাকার বিভিন্ন শপিংমলে পাওয়া যায় পিওরইটের পিউরিফায়ার। এ ছাড়াও নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বসুন্ধরা সিটি, মিরপুর, উত্তরা, গুলিস্তান, রামপুরাসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক ও গৃহস্থালি সামগ্রীর দোকানে পাওয়া যাবে এই পিউরিফায়ার।
চঞ্চল চৌধুরী
‘আমি ও আমার পরিবার পানি ফুটিয়েই পান করতাম। হঠাৎ একদিন পত্রিকায় নতুন যুগের দূষণ যেমনÑ ই-কোলাই, সিসা ইত্যাদির ব্যাপারে জানলাম। আরো জানলাম, এগুলো শুধু পিউরিফায়ার দিয়েই দূর করা সম্ভব। এর পর থেকেই আমার আস্থা পিওরইটে। একমাত্র ওয়াটার পিউরিফায়ার ব্র্যান্ড যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিষ্ঠান-ডিআরআইসিএম, বিসিএসআইআর কর্তৃক যাচাইকৃত।’

 


আরো সংবাদ



premium cement