০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ

-

ব্যবসার জন্য কোন দেশ কতটুকু অনুকূল তা নিয়ে ডুয়িং বিজনেন প্রতিবেদন ২০০২ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দেশে বিনিয়োগ, ম্যানুফ্যাকচারিং কারাখানা চালু এবং পণ্য বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই প্রতিবেদন বেশ ফলদায়ক বলে বিবেচিত। বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্ব এ রিপোর্টের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান উন্নয়নের চেষ্টা চালায়।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক এ বার্ষিক প্রতিবেদন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। প্রভাবশালী কিছু দেশের চাপে বিশ্বব্যাংক এসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯০ দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে যাচ্ছিল বলে দাবি এই সংস্থার। গত বছরের (২০২০ সালে) প্রতিবেদন শীর্ষ স্থানে ছিল নিউজিল্যান্ড আর সর্বনিম্নে সোমালিয়া। বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৮তম। বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। বিশ্বব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ তদন্তে ২০১৮ ও ২০২০ সালের ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদনে উপাত্ত নিয়ে গরমিল দেখা দেয়। এর প্রমাণও মিলে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও সামনে চলে আসে। অবশেষে নৈতিক দায়ভার নিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি প্রতিবেদন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে, বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদন ব্যবসার পরিবেশ ও নীতিনির্ধারকদে ভালো ভূমিকা পালন করে আসছিল। এর ওপর ভিত্তি করে বহু বিদেশী বিনিয়োগকারী কোন দেশে বিনিয়োগ করবেন বা কোন দেশ থেকে সরে আসবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতেন। একটি দেশে ব্যবসার অবস্থান কী তা এ প্রতিবেদন দেখে বুঝা যেত। বিশ্বব্যাংক এ প্রতিবেদন প্রকাশ বন্ধ করে দেয়ায় এখন ব্যবসায় সহজ করার তেমন তাগিদ থাকবে না। আমরা আশা করব শিগগিরই বিশ্বব্যাংক এ প্রতিবেদন প্রকাশের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেবে।

বিশ্বব্যাংকের ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে বাংলাদেশের ১৬৮তম অবস্থান থেকে শততে আনার কথা সরকারের ঘোষণা রয়েছে। এ সূচকের উন্নতি করতে কয়েক বছর আগে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ন্যাশনাল কমিটি কর মনিটরিং ইমপ্লিমেন্টেশন অব ডুয়িং বিজনেস রিফর্মস (এনসিএমআইডি) কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে প্রধান করে একটি জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন তদারকি করা। যাতে ডুয়িং বিজনেস উন্নতি ঘটতে শুরু করছিল। বিডার তথ্য অনুযায়ী, শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার সময় কমেছে। নামজারির সময় ঢাকাতে ৫৩ দিন ও চট্টগ্রামে ৭৫ দিনের পরিবর্তে সাত দিন করা হয়েছে। কোম্পনি টু কোম্পানি ভূমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দলিল পাওয়ার সময় ১৮০ দিনের পরিবর্তে সাত দিন করা হয়েছে। এক ব্যক্তির কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। ডুয়িং বিজনেসে উন্নতি করতে কোম্পানি আইন সংশোধন করা হয়েছে। ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র ৪৫ দিনের পরিবর্তে সাত দিন করা হয়েছে। প্রকল্পের ছাড়পত্র ১০৫ দিনের পরিবর্তে সাত দিন করা হয়েছে। বিডা বলছে, এ সব সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। তবে দেউলিয়া আইন এখনো সংশোধন হয়নি। এ ছাড়াও আরো অনেক সংস্কারকাজ এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তবে ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদন প্রকাশ বন্ধ হওয়ায় জবাবদিহির ও সংস্কার চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গতিহীনতা দেখা দিতে পারে। এ জন্য ব্যবসায়ী সংগঠনের সচেতনতা ও সরকারের নজরদারি বাড়াতে হবে। বিডার তদারকি অব্যাহত রাখা উচিত। ডুয়িং বিজনেস সূচকে উন্নতির জন্য সংস্কারকাজ অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশকে নিজ দায়িত্বে এগিয়ে যেতে হবে। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারী আকৃষ্ট করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার চালিয়ে নিতে হবে। কাঠামোগত পদ্ধতি বের করে নিজস্ব সূচক তৈরি করতে হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়ের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। সহজে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা উচিত। ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প এবং নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়ে উন্নতি ও ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্সের বিকল্প ব্যবস্থা করা জরুরি।

প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্ট করতে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর তৎপরতা চালানো দরকার। করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীকে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বিজিএমইসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও জোর তৎপরতা থাকা চাই।

এফডিআই বাড়াতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও লজিস্টিক সাপোর্টের উন্নতি ঘটাতে হবে। আমাদের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও মূল্যমানের সাথে সম্পৃক্ত হতে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। বিভিন্ন উন্নত দেশের সাথে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি, কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমঝোতা বৃদ্ধি ও শুল্ক বাধা থাকলে দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ এলডিসি উত্তরণের পর সুরক্ষাবাদী থাকার সুযোগ নেই। শুল্ক বাধা থাকলে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যাবে না। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। আমাদের রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণের প্রতি জোর দিতে হবে।

বিদেশী বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিভিন্ন খাত যেমন- নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, আইসিটি, অটোমোবাইল, সমুদ্র অর্থনীতি, পর্যটন, হালকা প্রকৌশল, কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ ইত্যাদি খাতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আহ্বান ও এসব খাতে বিনিয়োগ লাভজনক ও অনুকূল পরিবেশের কথা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতিতে আমরা অনেক পিছিয়ে। ভিয়েতনাম বিদেশী বিনিয়োগে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। রফতানিকারক দেশের তালিকায় ভিয়েতনাম ২৫ নম্বরে, সেখানে বাংলাদেশ ৫৬ নম্বরে। ভিয়েতনামের রফতানি বাজার বেশ বড়। পোশাক রফতানিতেও দ্বিতীয় স্থানে। বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে। দেশটি শুধু শ্রম শিল্প নয় বরং এখন উচ্চ প্রযুক্তি রফতানি করছে যা দেশটির মোট রফতানির প্রায় অর্ধেক। এটা সম্ভব হয়েছে মূলত এফডিআইয়ের কারণে। সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘আমাদের শিখতে হবে, তারা কিভাবে ভালো করছে, আর আমরা কেন পিছিয়ে আছি।’

বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের অনেক সুযোগ রয়েছে। আমাদের আছে বিশাল মানবসম্পদ, প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় রয়েছে যথেষ্ট শ্রমশক্তি। এ শ্রমশক্তির দক্ষতা বাড়াতে হবে। দেশে পণ্য উৎপাদনের বড় বাজার রয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন করে চীন ও ভারতের মতো দেশে রফতানি করা যায়। বিদেশী বিনিয়োগে আমাদের অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরো মজবুত করা প্রয়োজন। বিরোধী মতকে অবহেলা না করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে পরমতসহিষ্ণু হওয়া উচিত। একই সাথে দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ বিনষ্ট হয়।

জাতিসঙ্ঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আয়োজিত বাংলাদেশ ফরওয়ার্ড : দ্য ফ্রন্টিয়ার গ্রোথ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের অনুকূলে পরিবেশ, সম্ভাবনাময় খাতগুলোর কথা উল্লেখ করে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। অধিবেশন উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী গ্রুপ ও সরকারপ্রধানদের সাথে অর্থনৈতিক কূটনীতির যে সুযোগ তা কাজে লাগাতে হবে। বিশেষ করে চীন, সৌদি আরব, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ বাড়ানো উচিত। বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো, পরিবেশ সৃষ্টি ও সক্ষমতার জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতি একটি অংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, করোনার প্রভাবে বিশ্ববাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদেশী বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (ফরেন ডাইরেক্ট ইভেস্টমেন্ট বা এফডিআই) প্রবাহ কমেছে ৩১ কোটি চার লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ দুই হাজার ৬৭০ কেটি টাকা। শতকরা হিসাবে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে বাংলাদেশে এফডিআই এসেছিল ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ২০২০ সালে কমে এসেছে ২৫৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। ২০১৭ সালে বিদেশী বিনিয়োগ এসেছিল ২১৫ কেটি ১৬ লাখ ডলার। ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৩৬১ কেটি ৩৩ লাখ ডলারে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে দেশে মোট দুই হাজার ৫৫০ কোটি ৮৫ লাখ ডলার এফডিআই এসেছে। এর মধ্যে মূল পুঁজি এসেছে ৯১২ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা মোট বিনিয়োগের ৩৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ। মুনাফা থেকে ও ঋণ থেকে বিনিয়োগ হয়েছে বাকি ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর (২০২০) দেশে আসা মোট এফডিআইয়ের মধ্যে ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ মূল পুঁজি, ৬১ দশমিক ১ শতাংশ মুনাফা থেকে পুনরায় বিনিয়োগ এবং ৬ শতাংশ এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানির ঋণ।
আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, বিদেশী কোম্পানিগুলো তিনভাবে পুঁজি দেশে আনতে পারে। যেমন- ১. মূলধন হিসেবে নগদ বা শিল্পের যন্ত্রপাতি হিসেবে; ২. দেশে ব্যবসায় করে অর্জিত মুনাফা বিদেশে না নিয়ে দেশে বিনিয়োগ করতে পারে এবং ৩. এক কোম্পানি অন্য কোম্পানি থেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করতে পারে। এ তিন পদ্ধতির যেকোনোভাবে বিনিয়োগ করলে তা এফডিআই হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি মোট বিনিয়োগের ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে সিঙ্গাপুর, যা মোট বিনিয়োগের ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে আছে নেদারল্যান্ডসের বিনিয়োগ, যা ৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

বর্তমানে করোনার প্রকোপ কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ফলে এফডিআই বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণ দ্রুত শেষ করা অত্যাবশ্যক। চলমান বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ আরো বাড়ানো প্রয়োজন। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা একা বিনিয়োগ করে খুব কম। দেশী বিনিয়োগকারীদের হাত ধরে বিদেশী বিনিয়োগ আসে। এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শুল্ক বাধা দূর করতে হবে। উৎপাদন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

লেখক : ব্যাংকার
main706@gmail.com



আরো সংবাদ


রিসোর্টে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন টিকটকার (১০৫৯৯)ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপল বাড়ি, ছিন্নভিন্ন ৩ জনের দেহ (৭৫৯০)তুরস্কের অর্থনৈতিক সঙ্কট, বাংলাদেশে শঙ্কা (৭৫৫৯)'কোনো রকমের পূর্বশর্ত ছাড়াই এনপিটিতে যুক্ত হতে হবে ইসরাইলকে' (৭৫১৭)ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, চলতি সপ্তাহেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস (৬৪৪৪)সামরিক হামলার ভীতিই ইরানকে পারমাণবিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখবে : ইসরাইল (৫৮৮৩)দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন কাটাখালীর মেয়র আব্বাস (৫৩৮২)টানা ৬ষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফজু (৫০৩৭)হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেই তুহিনারা, হিজাব পরায় বসতে পারবে না এসআই পরীক্ষায়ও! (৪৫৪০)করোনা শেষ ওমিক্রনেই ! (৩৬০৯)