১৯ এপ্রিল ২০১৯

ক্রান্তিকালে মানব সভ্যতা

ক্রান্তিকালে মানব সভ্যতা - ছবি : সংগ্রহ

সময় বহমান। সময় কারো জন্য বসে থাকে না। তাই বিখ্যাত প্রবাদ হলো- ‘সময় এবং জোয়ার কারো জন্য বসে থাকে না’। অথচ কিছু বিষয় আছে তার যেন গতি নেই এবং সম্ভবত থাকতে নেই। তারা এক সূত্রে বাঁধা। এরা চার, প্রকারান্তরে পাঁচ। তারা হলো স্বাধীনতা, বিচার, সুখ এবং সত্য। এর সাথে যোগ দেয় ভালোবাসা। এগুলো বয়ে চলে যেতে পারবে না। যদি চলে যায়, তার পরিণতি অথবা ফলাফল হবে অবিশ্বাস্য।

যে আলোচনা এবং বিতর্ক এই পাঁচটি নিয়ে চলে তা হলো, কোনটি প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ বিতর্ক বেশি হয় যখন মানুষ তথা মানবসমাজ সঙ্কটে পড়ে। এমনি সময় এখন বিশ্বব্যাপী। এর জন্য কে দায়ী, তার আলোচনা হতে পারে। তবে কোনটি সবচেয়ে প্রণিধানযোগ্য, সে প্রশ্নটি সর্বাগ্রে অবশ্যই হওয়া উচিত।

আলোচনায় সবাই এই পাঁচটির প্রত্যেকটিকে সবার প্রথম বলতে চেয়েছেন। একজন বলেছেন, স্বাধীনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, স্বাধীনতা না থাকলে সত্যকে পাওয়া অসম্ভব। স্বাধীনতা থাকলে একটি সুবিচারপূর্ণ সমাজ গড়া সম্ভব এবং শুধু এমন সমাজেই সুখ থাকে। কারণ এমন পরিবেশে নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার থাকে এবং সেখানেই সুখ। একজন ব্যক্তি ইচ্ছেমতো তার সহযোগী, বন্ধু বা সমাজ বেছে নিতে পারে যদি স্বাধীনতা থাকে। সে কী ভাববে, কোন জ্ঞান অর্জন করবে বা কী করতে হবে, সেটা সম্ভব যদি তার স্বাধীনতা থাকে। বিশেষ করে সত্যানুসন্ধানের জন্য স্বাধীনতা একান্ত প্রয়োজন। সত্যের আভিধানিক অর্থ হলো ‘কোনো কিছুর সঠিক অবস্থান, তবে সে সম্বন্ধে বিশ্বাস নয়।’ এ জন্যই সত্য নিয়ে এত আলোচনা, আগ্রহ এবং এমনকি যুদ্ধ। আর এ জন্যই স্বাধীনতার মূল্য এবং অনুসন্ধান। অর্থাৎ নিজের মতো করে বাঁচতে চাইলে স্বাধীনতার বিকল্প নেই।

আবার এটাও সত্য, শুধু স্বাধীনতা এবং সুবিচার হলেই সুখ নাও আসতে পারে। তবে এগুলো সুখের পথের দুটি প্রয়োজনীয় অঙ্গ। কিন্তু সক্রেটিস সুবিচারকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন- সুবিচার থাকলে সত্য, সুখ এবং স্বাধীনতা সব কিছুই পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেছেন, মানব মনের তিনটি অংশ মিলেই সুবিচারের সৃষ্টি করে। এই তিনটি অঙ্গ হলো- যুক্তি (রিজন), ক্ষুধা (এ্যাপিটাইট) এবং আত্মা (ইমোশন/সোল)। এদের প্রীতিময় সংমিশ্রণ থাকলে সুখানুভূতি হয় অচঞ্চল।

এই সুখানুভূতির একটি প্রধান বাহনকে বলা হয় ‘বক্তব্যের স্বাধীনতা’ এবং যেহেতু সংবাদমাধ্যম এর প্রধান বাহক, তাই এর স্বাধীনতাও নিশ্চিত হতে হবে। কিন্তু তথাকথিত আধুনিক যুগ যৌবনোত্তীর্ণ হলেও এই ‘বক্তব্যের স্বাধীনতা’ কোথাও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতাবানেরা নানা স্লোগান এবং আন্দোলন সৃষ্টি করে এর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এমনকি তারা সাধারণ মানুষের মাঝে এমন ধারণা দৃঢ়ভাবে স্থাপন করতে পেরেছে যে, এমনটিই স্বাভাবিক।

ভারতের অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মি: প্রতাপভানু মেহতা তার এক সাম্প্রতিক নিবন্ধে বিশ্বের এই অবস্থাকে ‘মানসিক প্রতিবন্ধী সময়’ বলে বর্ণনা করেছেন। তার সাথে একমত হবেন সব বোদ্ধাজন। অবশ্য মি: ভানু এই ধারণাটি গ্রহণ করেন অ্যালান বুলোক রচিত ‘হিটলারের জীবনী’ থেকে। বুলোক এ জীবনী লিখতে গিয়ে মন্তব্য করেছেন, ফ্যাসিস্ট বা চরমপন্থীরা এক ‘অদ্ভুত নিরাপদ অনুভূতিতে’ অবস্থান করে তাদের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে। ফলে আজ দেখা যাচ্ছে, সময়ের ধারাবাহিকতায় এই ক্ষমতাবানেরা তাদের অপকর্ম নির্বিঘেœ এই অনুভূতির মাঝ থেকে করছে। বুলোক বলেছেন, এ অবস্থা বিশ্বব্যাপী এখন সংক্রামিত। সব দলই ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের স্বার্থকে জনগণের স্বার্থ বলেই দাবি করে। যার ফলে জনগণ ক্রমান্বয়ে তাদের সব অধিকার হারিয়ে ফেলেছে বা ফেলছে। তারা সামান্য কিছু সুযোগ বা সুবিধা জনগণের সাথে ভাগাভাগি করে এমন ধারণা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে যে, জনগণ এর চেয়ে বেশি পেতে পারে না। এটাকেই বুলোক বলেছেন, ‘মানসিক প্রতিবন্ধকতা’। রাজনীতিবিদেরা এই ধারণাকে পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করে। ফ্যাসিজম বা চরমপন্থীরাও নেয় এর সুযোগ।

সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ন্ত্রণের জন্য এখন ব্যবহার করা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমকে। সরকার বা ক্ষমতাসীনেরা এটা ব্যবহারের জন্য আইন তৈরি করে। চরমপন্থীরা এটা ব্যবহার করছে শক্তির অপব্যবহার করে। যেমন, একটি উদাহরণ প্রায় সবার জানা, কারণ এর ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। একটি অফিস বা কর্মস্থলকে একদল কর্মী নিজেদের দখলে আনতে চায় নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য। অথচ সে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম এবং আইন অনুসারে তারা তা কোনো মতেই পারছে না। তখন তারা শক্তি প্রয়োগ করে নিয়ন্ত্রণকারীদের হটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। আবার কখনো কখনো শারীরিকভাবে আক্রমণ করে। যদি নিয়ন্ত্রণকারীরা এর প্রতিরোধ শক্তি দিয়ে না করতে পারে, তখন তাদের নিয়ন্ত্রণক্ষমতা ত্যাগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। এমন অবস্থায় নিয়মনীতি, আইন অসহায়। এমন শক্তি ব্যবহারকারীরা যদি নিয়ন্ত্রণে কিছু সময় থাকতে পারে, তাহলে প্রচলিত ব্যবস্থা আইন-কানুন দ্রুত পরিবর্তন করতে পারে।

এ জন্যই প্রায়ই দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্ষমতায় গেলে নতুন ক্ষমতাসীনেরা প্রথমেই আইন-নিয়ম পরিবর্তনে মনোযোগ দেয়। যদি তারা জনকল্যাণকামী হয়, তবে তারা শুধু এই পরিবর্তনেই ব্যস্ত থাকে। যদি স্বার্থপর বা আত্মকেন্দ্রিক হয়, তাহলে এই আইনগুলো তাকে এবং তাদের গোষ্ঠীকে সাহায্য করে। সমস্যা হয়, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি আইন নির্মাণ হলে, তা নিয়মানুসারে পরিবর্তন করা কঠিন হয়ে থাকে। ফলে অনিয়মতান্ত্রিকতা প্রাধান্য পায়। তৃতীয় বিশ্বে এর প্রকোপ অত্যন্ত স্থূল এবং অমার্জিত। তাই তৃতীয় বিশ্বে সঙ্ঘাত এবং সংঘর্ষ রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক পর্যায়ে ব্যাপক। প্রায় ক্ষেত্রেই এই অনাচারের শিকারকেই দায়ী করা হয় এর জন্য।
এর ব্যাপকতা এখন বিশাল। আগে কৌশলের সাথে এ কর্মকাণ্ডগুলো চালালেও, এখন প্রায়ই সে ভদ্রতার আশ্রয় ক্ষমতাবানেরা নিচ্ছে না। প্রযুক্তি এ ব্যাপারে ব্যাপক সাহায্য করছে। অতীতে এমন কর্মকাণ্ড চালাতে ক্ষমতালোভীদের জনমত সৃষ্টির জন্য নানা পদ্ধতির অনুসরণ করতে হতো। প্রযুক্তি তাদের এই কষ্ট থেকে রেহাই দিয়েছে।

এই মানসিক প্রতিবন্ধিতা এখন রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রবল। এর অপর নাম ‘ভণ্ডামি বা কপটতা’। ইংরেজিতে বলে হিপোক্রেসি। বলা হয় ‘ভণ্ডামি হচ্ছে পাপের পুণ্যের প্রতি প্রদত্ত সম্মান।’ তাই ভণ্ডামিকে শনাক্ত করা কঠিন এবং এ জন্যই জীবনের সব ক্ষেত্রে এর এত ব্যাপক ব্যবহার। রাষ্ট্র, সমাজ বা ব্যক্তিগতভাবে ভণ্ডামির ব্যবহারের প্রকার বিশাল। তবে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এটা এত সহজেই নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে যে, মানুষের পক্ষে সহজে একে চিনতে পারা কঠিন। অধ্যাপক প্রতাপভানু ভারতের রাজনীতিতে নরেন্দ্র মোদির উত্থানকে এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখেছেন। তিনি বলেছেন, ‘জনগণকে এই মানসিক প্রতিবন্ধিতায়’ ফেলে মোদি সারা ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্রদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে, তার কর্মকাণ্ডই তাদের স্বার্থ। এটা করতে গিয়ে তিনি হিন্দুত্ববাদ এবং ধর্মকে ব্যাপক ব্যবহার করে তার অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন।

তিনি সংখ্যালঘিষ্টদের তার সমালোচনার অঙ্গ করে, প্রতিষ্ঠিত দলগুলোকে সে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠদের থেকে পৃথক করতে পেরেছেন এবং ক্ষমতার সিঁড়িকে দখল করেছেন। আসলে মোদির এই কর্মকাণ্ডের অনুসরণ বিশ্বের সর্বত্র। সংখ্যাগরিষ্ঠরা যেমন একদিকে সংখ্যালঘিষ্টদের ব্যবহার করছে, তেমনি সংখ্যালঘিষ্টরা অতি কৌশলে, তার মূল্য আদায় করে নিচ্ছে। কখনো কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠরা এটা বুঝতে পারলেও তাদের কিছু করার থাকে না। কারণ বিশ্বের সর্বত্র সংখ্যালঘিষ্টরাই ক্ষমতাসীন। অধ্যাপক ভানু সংস্কৃতির ব্যবহারকে ‘শক্তির একটি চাবিকাঠি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ রাজনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে সংস্কৃতি। যেহেতু মানুষ তার সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই রাজনীতির শুরুই সেখানে। তিনি দেখিয়েছেন জওয়াহের লাল নেহরু এবং প্রেমচাঁদ কত কৌশলে এই সংস্কৃতিকে ধর্মের বাহন হিসেবে বর্ণনা করে তাদের রাজনীতিতে ব্যবহার করেছেন। সংস্কৃতি কখনো মুক্তমনের উন্নত মূল্যবোধ সন্ধানের ভিত্তিভূমি নয় বলে মন্তব্য করে অধ্যাপক ভানু বলেছেন, ‘এটা শুধুমাত্র কথিকা যার বিভিন্ন বক্তব্য সমাজের অংশীদারেরা অভিনয় করে থাকে।’

সে জন্যই যুগে যুগে প্রশ্ন ওঠে, কোনটি আগে বা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ- স্বাধীনতা, সত্য, সুবিচার এবং সুখ? এবং এমন প্রশ্ন যেন না আসে তাই ক্ষমতাবানেরা সর্বপ্রথমে প্রতিবাদকে আক্রমণ করে থাকে। ‘পপুলার রেজিসটেন্স’ আন্দোলনের কেভিন থিস এবং মার্গারেট ফ্লাওয়ারস তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রথম বক্তব্যেই ঘোষণা করে ‘প্রতিবাদ এখন ক্ষমতাবানদের আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য’ এবং ‘এ আক্রমণ যৌথভাবে করছে সরকার এবং করপোরেশনগুলো।’ তারা লিখেছেন, ক্ষমতাসীন সরকারগুলো কোনো প্রতিবাদ বা দাবি সইতে নারাজ, বিশেষ করে যে প্রতিবাদগুলো জনপ্রিয় এবং জনগণকে সহজেই আকৃষ্ট করে। ফলে যেকোনো সমাবেশ সরকারগুলোর কাছে অগ্রহণীয়। এর কারণ হিসেবে তারা দেখিয়েছেন, বেশির ভাগ সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্বের নামে নিজেদের স্বার্থকে উদ্ধার করে থাকে এবং তারা এ বিষয়ে সচেতন। তাই তাদের এই ভণ্ডামি প্রকাশ হলে তাদের ক্ষমতায় থাকা কঠিন হবে বলে কোনো প্রতিবাদকে তারা অনুমতি দিতে রাজি নয় এবং এমন অবস্থার একক অবস্থান বিশ্বব্যাপী। খবরের কাগজ খুললেই এর প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়।

শেক্সপিয়রের হ্যামলেট নাটকের একটি চরিত্র পলোনিয়াস। সে তার ছেলে লায়ারটিসকে উপদেশ দিচ্ছে, ‘তুমি নিজের কাছে সত্যবাদী হও, তাহলে অন্যের কাছে মিথ্যাবাদী হতে পারবে না।’ অর্থাৎ সত্য বিরাজ করলে মানুষের জীবনে সব প্রাপ্তি সহজেই ঘটে। সুখ যা সবার কাম্য, শুধু সত্য অবস্থানের সাথে জড়িত। আর স্বাধীনতা এর মূল ভিত্তি।
বিশ্বে স্বাধীনতা এখন কোন অবস্থানে? দুটি অনুসন্ধান দুটি ফল দিয়েছে। ফ্রিডম ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ২০১৮ অনুসন্ধানে বলেছে, ২৫ শতাংশ দেশ মুক্ত নয়, ৩০ শতাংশ আংশিক এবং ৪৫ শতাংশ পুরো মুক্ত।

অপর দিকে, ‘গ্লোবাল বাই পপুলেশন’ রিসার্চ দেখিয়েছে, বিশ্বের ৩৯ শতাংশ মানুষ মুক্ত, ২৪ শতাংশ আংশিক এবং ৩৭ শতাংশ মুক্ত নয়।
‘ফ্রিডম ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ দেখিয়েছে বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতা ক্রমাগত ক্ষুণœ হওয়ার দ্বাদশতম বছরে এবার পদার্পণ করল। ৭১টি দেশে এ ধস এ সময়ে ক্রমগত চলছে। কেবল ৩৯টি দেশে কিছু উন্নত হয়েছে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রাজনৈতিক অধিকার এবং বেসামরিক স্বাধীনতা ক্রমেই সঙ্কুুচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। বক্তব্য ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সবচেয়ে আঘাতপ্রাপ্ত এবং এর অভাব সেনেগালে সবচেয়ে বেশি। এরপর জর্দান, বুর্কিনা ফাঁসো, ইউক্রেন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, লেবানন ও জাপান।

এই অনুসন্ধান আরো দেখেছে, দুর্নীতিবাজ এবং দমনমূলক সরকারগুলোর কর্মকাণ্ডে বিশ্বশান্তি বিঘিœত হচ্ছে। এমন শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে আছে মিয়ানমার এবং কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। এরা তাদের ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে সুসংগঠিত করছে। মিয়ানমারের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার বিশ্বের অত্যাচারিতের মাঝে শীর্ষে।

হিউমান রাইটস ওয়াচ তাদের সর্বশেষ অনুসন্ধানে দেখিয়েছে ‘বিশ্বে গণতন্ত্র এখন সঙ্কটে’। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ যে স্বস্তির নিঃশ্বাসের জন্য প্রহর গুনছিল, তার শেষ নেই। স্বাধীনতার নামেও তাদের শৃঙ্খলিত করা হচ্ছে এবং তাদের অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে। এক কথায় বলা যায়, বিশ্ব এখন ক্রান্তিকালে এবং সন্ত্রাস হচ্ছে, শক্তিমান ও রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রকাশের প্রধান বাহন।


আরো সংবাদ

‘পণ্যে পারদের ব্যবহার পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ বৈশাখী টিভির মালিকানা ডেসটিনিরই থাকছে সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করছে : ডা: ইরান পরিচ্ছন্নতাই স্বাস্থ্যসেবার প্রধান অংশ : মেনন আ’লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভা আজ ঢাবির এক-তৃতীয়াংশ পাণ্ডুলিপি ডিজিটাইজ করা হয়েছে : ভিসি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটে এমপিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার সেনাবাহিনী প্রধানের কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার ও ডেপুটি এসআরএসজির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপনে আইন মানা হচ্ছে না ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ কুমিল্লা ও নিকটবর্তী জেলাগুলোর বাছাইপর্ব আগামী রোববার

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al