১৯ এপ্রিল ২০১৯

কারজাভির মেয়ে ও তার স্বামীর মুক্তির দাবি জাতিসঙ্ঘের

কারজাভির মেয়ে
ওলা কারজাভি ও তার স্বামী হোসাম খালাফ - ছবি : ইন্টারনেট

মিসরে বিনাবিচারে আটক বিশ্বখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত ইউসুফ আল কারজাভির মেয়ে ওলা কারজাভি ও তার স্বামীর মুক্তির দাবি জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কার্যালয়।

ওলা আল কারজাভি ও তার স্বামীকে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই  ২০১৭ সালের ৩০ জুন থেকে আটক রেখেছে মিসর সরকার। ওলার বাবা ইউসুফ আল কারজাভি বর্তমানে কাতারে নির্বাসিত জীবন-যাপন করছেন। আলজাজিরা

মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংস্থাটির মুখপাত্র লিজ থ্রোসেল বলেন, ওলা কারজাভির স্বাস্থ্য ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে।

ওলার স্বাস্থ্য, শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য মিসরীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান লিজ থ্রোসেল।

জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কার্যালয় জানায়, মিসরের সবচেয়ে নিকৃষ্ট কারাগারে ওলা আল কারজাভিকে নিঃসঙ্গ কারাবাসে আটক রাখা হয়েছে। অপর আরেকটি কারাগারে তার স্বামী হোসাম খালাফকেও আটকে রাখা হয়।

জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কার্যালয় জানায়, আমরা মিসরীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অন্যায়ভাবে আটক এই দম্পতির মুক্তি দাবি করছি।

মিসরে নিষিদ্ধ মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ওলা কারজাভি ও তার স্বামীকে আটক করা হয়। তবে ওলার পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

 

আরো পড়ুন: অভিযোগ ছাড়াই নির্জন কারা প্রকোষ্ঠে কারজাভির মেয়ে

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৬ মার্চ ২০১৮

আট মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক খেলার শিকার হয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে একটি মিসরীয় পরিবার। ২০১৭ সালের ৩০ জুন গ্রেফতার করা হয় ওলা আল কারজাভিকে।

ওলার একমাত্র অপরাধ তিনি বিখ্যাত মুসলিম চিন্তাবিদ আল্লামা ইউসুফ আল কারজাভির মেয়ে। তাকে একা এমন একটি কক্ষে বন্দী করে রাখা হয়েছে যেখানে আলো কিংবা বাতাস ঢোকার কোনো পথ নেই, পরিবারের কারো সাথে দেখা করতেও দেয়া হয় না। ক্রমশ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

বর্তমানে কাতারে বসবাসরত আল্লামা কারজাভি তার একনায়কবিরোধী মানসিকতার কারণে মিসরের স্বৈরশাসকদের চুশূল। সৌদি আরবও তাকে সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন দেয়ার কারণেও তার ওপর ক্ষোভ এই শাসকদের।

গত বছর এক ছুটির দিনে সমুদ্রসৈকতে বেড়ানোর সময় ওলা কারজাবী ও তার স্বামী হোসাম খালাফকে আটক করে মিসর সরকার। আট মাস হয়ে গেলেও কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাদের এখনো কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে।

এই দম্পতি ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়েছে। তাদের তিন সন্তানও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে। এই কারা নির্যাতন পুরো পরিবারটিকে বিধ্বস্ত করেছে উল্লেখ করে তাদের কন্যা আয়াহ হোসাম বলেন, ‘আমরা তাদের জন্য ঘর প্রস্তুত করছিলাম।’ আয়াহ জানান, ৬ ও ৯ বছর বয়সী তার দুই কন্যাও এই ঘটনায় ভীষণ ভেঙে পড়েছে। তারা অনেক দিন ধরেই নানা-নানীর জন্য অপেক্ষা করছিল। এই ঘটনা হজম করা শিশুদের জন্য সত্যিই কঠিন।

কোনো অভিযোগ ছাড়াই ওলা কারজাভি ও তার স্বামীর আটকাদেশের মেয়াদ নিয়মিতভাবেই বাড়ানো হচ্ছে। প্রতি ৪৫ দিন করে আটকাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। আয়াহ বলেন, কোনো শুনানি বা তদন্ত ছাড়াই এই আটকাদেশ একের পর এক বাড়ানো হচ্ছে।

আয়াহ অভিযোগ করেন, তার মায়ের সাথে কারাগারে যে আচরণ করা হচ্ছে তা নির্যাতন ছাড়া আর কিছু নয়। জানালাবিহীন একটি রুমে একা আটকে রাখা হয়, রোজ সকালে একবার মাত্র টয়লেটে যাওয়ার সুযোগ পান তিনি।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ৫৬ বছর বয়সী এই মহিলার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে তদন্ত চলছে; যদিও আজ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়নি।

এই পরিবারটির পক্ষে কাজ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকারবিষয়ক আইনজীবী জ্যারেড জেনসার। তিনি বলেন, ওলা কারজাভি কোনোভাবেই রাজনীতির সাথে যুক্ত নন। এই গ্রেফতারের আগেও ওলার স্বামীকে বিরোধী আল ওয়াসাত পার্টির সদস্য হওয়ার কারণে দুই বছর জেল দিয়েছিল মিসরের আদালত। তবে ২০১৬ সালে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এই দম্পতির মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা নাকচ করে দিয়েছেন এই আইনজীবী।

তিনি আরো জানান, এই দম্পতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেয়েছেন। অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের এতো কড়াকড়ির মধ্যেও তাদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার বিষয়টিই প্রমাণ করে তাদের অবস্থান কেমন। যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়ার কয়েক দিন আগে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আয়াহ হোসাম বসবাস করেন ওয়াশিংটন স্টেটের সিয়াটলের পাশের একটি এলাকায়। ধারণা করা হচ্ছে, কাতারকে চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই মিসর সরকার তার বাবা-মাকে গ্রেফতার করেছে।

মিডল ইস্ট মনিটরকে তিনি বলেন, ‘কাতারের সাথে তাদের বিরোধে আমার বাবা-মাকে পণবন্দী করা হতে পারে।’ প্রসঙ্গত আল্লামা ইউসুফ কারজাভি অনেক দিন ধরেই কাতারে বসবাস করছেন। কাতারভিত্তিক আলজাজিরা টিভিতে একটি প্রশ্নোত্তরভিত্তিক অনুষ্ঠানে দর্শকদের চিঠির জবাব দিতেন তিনি।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই


আরো সংবাদ

‘পণ্যে পারদের ব্যবহার পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ বৈশাখী টিভির মালিকানা ডেসটিনিরই থাকছে সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করছে : ডা: ইরান পরিচ্ছন্নতাই স্বাস্থ্যসেবার প্রধান অংশ : মেনন আ’লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভা আজ ঢাবির এক-তৃতীয়াংশ পাণ্ডুলিপি ডিজিটাইজ করা হয়েছে : ভিসি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটে এমপিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার সেনাবাহিনী প্রধানের কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার ও ডেপুটি এসআরএসজির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপনে আইন মানা হচ্ছে না ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ কুমিল্লা ও নিকটবর্তী জেলাগুলোর বাছাইপর্ব আগামী রোববার

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al