উপসম্পাদকীয়

বিশ্বকাপের উন্মাদনা বনাম দেশের হতশ্রী ফুটবল

বিশ্বকাপের উন্মাদনা বনাম দেশের হতশ্রী ফুটবল

বিশ্বকাপে খেলা অবশ্যই একটি স্বপ্ন হতে পারে। কিন্তু সেই স্বপ্নে পৌঁছাতে হলে প্রথমে আমাদের দক্ষিণ এশিয়া এবং পরে এশিয়ায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে। অন্য দেশের ফুটবল নিয়ে আবেগ প্রকাশের পাশাপাশি নিজেদের ফুটবল নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে। বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার কোনো অভাব নেই। অভাব রয়েছে পরিকল্পনা, সুশাসন এবং ধারাবাহিকতার। এই তিনটি নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ একদিন এশিয়ার ফুটবলে সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছতে পারবে।

আওয়ামী লীগ কি গণতন্ত্রমনা দল-১

আওয়ামী লীগ কি গণতন্ত্রমনা দল-১

প্রতিটি জনসভায়ই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এ ফ্যাসিস্ট চরিত্রই তাদের ঐতিহ্য। রাজনৈতিক ময়দান তারা একাই দখল করে রাখতে চায়। আমি লক্ষ করেছি যে, পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি নওয়াবজাদা নসরুল্লাহ খানের প্রতিই তাদের চরম বিদ্বেষ। তাদের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা নেই। শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগের পশ্চিম পাকিস্তানে কোনো গ্রুপ নেই। শেখ মুজিব প্রাদেশিক আওয়ামী লীগের নেতা মাত্র। তিনি নওয়াবজাদা থেকে পৃথক হয়ে নিখিল পাকিস্তানভিত্তিক দল গঠন করা প্রয়োজনই মনে করেননি। তার রাজনৈতিক চিন্তা কেবল প্রদেশভিত্তিক

বাজেট-উত্তর সামষ্টিক অর্থনীতি ও চক্রাকার ঝুঁকি

বাজেট-উত্তর সামষ্টিক অর্থনীতি ও চক্রাকার ঝুঁকি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট কোনো জাদুকরী সমাধান নয়। এটি একটি নীতিগত রূপরেখা, যার সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর। অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করতে হলে কর প্রশাসন আধুনিক করতে হবে, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে, বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে এবং মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থানে আরো বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। আজ বাংলাদেশের অর্থনীতি এক ধরনের ভঙ্গুর স্থিতিশীলতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। আগামী বারো মাসই বলে দেবে, দেশ কি সত্যিই টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে এগোবে, নাকি পুরনো কাঠামোগত দুর্বলতার চক্রে আবারো আটকে যাবে

বাংলাদেশ ২.০ : ন্যায়, মর্যাদা ও অগ্রগতির রাষ্ট্রদর্শন

বাংলাদেশ ২.০ : ন্যায়, মর্যাদা ও অগ্রগতির রাষ্ট্রদর্শন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাকাদ্দুমে আম্মাহ এমন একটি জাতীয় অভিযাত্রার নীতি, যেখানে উন্নয়নের মানদণ্ড কেবল মাথাপিছু আয় বা অবকাঠামোর পরিমাণ নয়; বরং শিক্ষার মান, গবেষণার সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, নৈতিক শাসন, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের জ্ঞানগত ও সাংস্কৃতিক অবদানও সমানভাবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশ হবে এমন একটি অগ্রসর রাষ্ট্র, যা নিজের ঐতিহ্যকে ধারণ করে ভবিষ্যতের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সভ্যতার নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

শান্তির জন্য যুদ্ধ এক প্যারাডক্স

শান্তির জন্য যুদ্ধ এক প্যারাডক্স

ক্ষমতার প্রয়োগে প্রায়ই সার্বভৌমত্বের সাথে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের সংঘর্ষও ঘটে। বাস্তব উদাহরণগুলো বেদনাদায়ক। লিবিয়ায় (২০১১) বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ন্যাটো সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল। পরে এটি কেবল বেসামরিক রক্ষা নয়; বরং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হওয়ায় দেশটি দীর্ঘমেয়াদি অরাজকতার মুখে পড়ে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে ইরানে রেজিম চেঞ্জের চেষ্টা হয়েছে। সিরিয়া ও মিয়ানমারের (রোহিঙ্গা) ক্ষেত্রে চরম মানবিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ঐকমত্যের অভাব এবং ভেটো ক্ষমতার কারণে সুরক্ষার দায়িত্ব নীতি প্রয়োগ করা যায়নি