উপসম্পাদকীয়

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে মুসলিম দেশগুলো নিজেদের যৌথ প্রতিরক্ষার একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাইছে। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষাচুক্তির প্রথম সেক্রেটারি-জেনারেল নিয়োগের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট তুরস্কের ইস্তাম্বুলে জোটের প্রতিষ্ঠাতা তিন দেশের প্রথম উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেয়া হয়। জোটের প্রথম সেক্রেটারি-জেনারেল বা মহাসচিব নিযুক্ত হবেন পাকিস্তান থেকে। প্রথম দফায় এই মহাসচিবের মেয়াদকাল হবে তিন বছর। জোটের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সহযোগিতা পরিচালনার জন্য সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে এবং এই পাকিস্তানি সেক্রেটারি-জেনারেল হবেন সেই সচিবালয়ের প্রধান

সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট তবু লোডশেডিং কেন

সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট তবু লোডশেডিং কেন

আমাদের এখন ভাবতে হবে কিভাবে বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়, কিভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং কিভাবে দেশের বিশাল অব্যবহৃত ছাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে এবং নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। এখন প্রয়োজন নীতির দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়ন।

দেড় যুগে রোপিত বিষবৃক্ষের ফল

দেড় যুগে রোপিত বিষবৃক্ষের ফল

এমন ভাবা ঠিক নয় যে, বাংলাদেশের নৈতিক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে; বরং এখনই যদি আইনের শাসন, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, যোগ্যতার মূল্যায়ন এবং পারিবারিক-সামাজিক মূল্যবোধ পুনরুজ্জীবিত করা যায়, তাহলে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব। রাষ্ট্রের কাজ শুধু দুর্নীতিবাজদের ধরার মধ্যেই শেষ হয় না; বরং প্রয়োজন এমন একটি নৈতিক রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার জন্য অবিরাম চেষ্টা। সুতরাং বাংলাদেশের জন্য পথটি হতে হবে দৃশ্যমান নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের সূচনা। সবাই জানেন, বিগত ১৭-১৮ বছরে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে পাহাড় পরিমাণ আবর্জনা জমেছে, তা এক দিনে হটানো সম্ভব নয়। তবে পরিশীলিত হওয়ার একটি সুন্দর সূচনা জাতির বিবেকে প্রাণ সঞ্চার করবে

জাতীয় বেতন স্কেল : কতটা স্বস্তি, কতটা বোঝা

জাতীয় বেতন স্কেল : কতটা স্বস্তি, কতটা বোঝা

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়বে, এটি স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয়; কিন্তু সেই সাথে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দুর্নীতি কমাতে হবে। করের আওতা বাড়াতে হবে। উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সাথে সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে হবে। নইলে বেতন বাড়বে এক দিকে, অন্য দিকে বাজারের দাম সেই বাড়তি আয় কেড়ে নেবে

প্রসঙ্গ ট্রাইব্যুনাল : গণমাধ্যমের দায়, আমাদের প্রত্যাশা

প্রসঙ্গ ট্রাইব্যুনাল : গণমাধ্যমের দায়, আমাদের প্রত্যাশা

বর্তমান ট্রাইব্যুনালের প্রতিও গণমাধ্যমের একই মাত্রার সতর্কতা ও অনুসন্ধিৎসা থাকা জরুরি, যে সতর্কতা পূর্ববর্তী ট্রাইব্যুনামের ক্ষেত্রেও থাকা উচিত ছিল। সাক্ষ্যপ্রমাণ কতটা শক্তিশালী, তদন্তকারীরা ও প্রসিকিউটররা কিভাবে কাজ করছেন, প্রতিরক্ষা পক্ষ কী কী আপত্তি তুলছে— এসব গভীরভাবে যাচাই ও যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তারও স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিকভাবে অপছন্দনীয় হলেই গণমাধ্যম তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের প্রচারযন্ত্রে পরিণত হতে পারে না