সম্পাদকীয়
সাহসী পররাষ্ট্রনীতি হোক পথচলার ভিত্তি
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর প্রতিরক্ষা খাতে যে নতুন অংশীদারত্বের ইঙ্গিত দিয়েছে, তাকে পূর্ণ শক্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। একটি আধুনিক, শক্তিশালী এবং ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের মর্যাদা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারব। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার পথে এ স্বাধীন ও সাহসী পররাষ্ট্রনীতি হোক ভবিষ্যৎ পথচলার ভিত্তি।
এই অন্যায় বন্ধে স্পষ্ট করে বলুন
বাংলাদেশ এ গুরুতর নেতিবাচক আচরণের শিকার হলেও এখন পর্যন্ত এর মোকাবেলায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও এ নিয়ে অনেকটা চুপচাপ থাকার নীতি নিয়ে চলছে। অথচ ভারতকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে পারে বাংলাদেশ। স্পষ্ট করে বলতে পারে অবন্ধুসুলভ এই আচরণ বন্ধ করতে।
জলাদ্ধতা লাঘবে উদাসীনতা নয়
রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা-বনগ্রাম সড়কের জলাবদ্ধতা সমস্যা অনিবার্য বাস্তবতা নয়; এটি অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার ফল। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিলে সঙ্কট থেকে সহজে মুক্তি মিলত। বিলম্বে হলেও এখন পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয়দের মধ্যে যে ক্ষোভের জন্ম হয়েছে; তা প্রশমনে বর্ষার আগেই উদ্যোগ নিতে হবে প্রশাসনকে।
জনজীবনে নতুন চাপ
সরকার বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা ও উৎপাদন ব্যয় সমন্বয়ে মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে। কিন্তু যেকোনো জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির আগে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা, আয় ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেয়া উচিত। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থায় দক্ষতা বৃদ্ধি, অপচয় ও দুর্নীতি রোধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে ব্যয় কমানোর বাস্তব উদ্যোগ নিতে হবে।
সত্য উদঘাটনে চাই কূটনৈতিক দৃঢ়তা
সরকারের উচিত দ্বিপক্ষীয় বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় ভারতে আটক আসামিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া। ভারতের কাছে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের বিষয়ে স্পষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চাইতে হবে। পাশাপাশি, দেশের ভেতরে সিআইডির চলমান তদন্তকে চাপমুক্ত রেখে স্বচ্ছতার সাথে শেষ করতে হবে। প্রয়োজনে জাতিসঙ্ঘের অধীনে আন্তর্জাতিক তদন্ত করার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। ওসমান হাদি হত্যার পেছনের মাস্টারমাইন্ড কারা, সেটা সামনে আনা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে জরুরি।




