বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার আলোচনা সাধারণত কয়েকটি পরিচিত অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে— ফল পাকাতে রাসায়নিক ব্যবহার, মাছ বা দুধে ক্ষতিকর পদার্থ মেশানো, সবজির রং আকর্ষণীয় করা কিংবা খাবারে অননুমোদিত রং ও সংরক্ষণকারী ব্যবহার। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের ভাষায় সমস্যাটি আরো বিস্তৃত।
খাবারের মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা পরজীবী থাকতে পারে। থাকতে পারে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ, সিসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকের মতো বিষাক্ত পদার্থ। শিল্পবর্জ্য ও দূষিত সেচের পানি থেকে এসব পদার্থ কৃষিজমি এবং সেখান থেকে খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করতে পারে। পশু ও মাছের খাবারের মাধ্যমেও ক্ষতিকর উপাদান মানুষের খাদ্যে চলে আসতে পারে। এর পাশাপাশি রয়েছে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা—অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট; অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের বিস্তার; ফল ও সবজি কম খাওয়া; এবং ফাস্ট ফুডের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা।
এখানে একটি পার্থক্য বোঝা জরুরি। দূষিত বা ভেজাল খাবার; আর অতিরিক্ত লবণ, চিনি বা চর্বিযুক্ত খাবার অস্বাস্থ্যকর। দু’টি এক বিষয় নয়, কিন্তু উভয়টিই জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই বাংলাদেশের সমস্যাটি শুধু খাদ্যে ভেজালের নয়; এটি উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত পুরো খাদ্যব্যবস্থার সঙ্কট।
অসংক্রামক রোগের নীরব মহামারী
বাংলাদেশের রোগ ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে একটি বড় পরিবর্তন ঘটে গেছে। সংক্রামক রোগ এখনো রয়েছে, কিন্তু মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৭১ শতাংশ মৃত্যুর জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী এবং এসব মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই ঘটে অকালে। অর্থাৎ বহু মানুষ কর্মক্ষম বয়সেই মারা যাচ্ছেন অথবা দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ে বেঁচে থাকছেন।
২০১৮ সালের জরিপে ১৮ থেকে ৬৯ বছর বয়সীদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের হার পাওয়া গিয়েছিল ২১ শতাংশ, ডায়াবেটিস ৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফল ও সবজি খেতেন না। গড় লবণ গ্রহণও ছিল সুপারিশকৃত মাত্রার অনেক উপরে। জরিপটি এখন বেশ পুরনো; কিন্তু সেটিই আরেকটি সঙ্কট প্রকাশ করে— দেশের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলো নিয়মিত পরিমাপ করার মতো হালনাগাদ জাতীয় তথ্য আমাদের হাতে নেই।
ক্যান্সারের চিত্রও উদ্বেগজনক। আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থার ২০২৪ মডেলভিত্তিক হিসেবে বাংলাদেশে এক বছরে প্রায় এক লাখ ৮৭ হাজার নতুন ক্যান্সার রোগী এবং প্রায় এক লাখ ৩৯ হাজার মৃত্যু অনুমান করা হয়েছে। তবে এখানে বৈজ্ঞানিক সতর্কতা প্রয়োজন। ক্যান্সার, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ বাড়ছে দেখেই বলা যাবে না যে দূষিত খাবারই এসব রোগের একমাত্র কিংবা প্রধান কারণ। ক্যান্সার বহু কারণের ফল— তামাক, বিভিন্ন সংক্রমণ, বায়ুদূষণ, বয়স, বংশগতি, পেশাগত ঝুঁকি, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, স্থূলতা, খাদ্যাভ্যাস এবং নির্দিষ্ট রাসায়নিকের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ— সবই ভূমিকা রাখতে পারে।
খাবার কীভাবে মানুষকে অসুস্থ করে
অনিরাপদ খাবারের প্রথম আঘাত অনেক সময় তাৎক্ষণিক ডায়রিয়া, বমি, ফুড পয়জনিং, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস কিংবা পরজীবী সংক্রমণ। শিশু, বয়স্ক, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং আগে থেকেই অসুস্থ মানুষ এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া, নিরাপদ পানির ঘাটতি, অপরিচ্ছন্ন বাজার ও রান্নাঘর এবং রাস্তার খাবার— সব মিলিয়ে জীবাণুবাহিত খাদ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
দ্বিতীয় ধরনের আঘাত ধীর এবং অনেক সময় অদৃশ্য। সিসা শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আর্সেনিক দীর্ঘমেয়াদি রোগ ও কিছু ক্যান্সারের সাথে সম্পর্কিত। ক্যাডমিয়াম কিডনি ও হাড়ের ক্ষতি করতে পারে। নির্দিষ্ট কীটনাশকের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ স্নায়ুতন্ত্র, হরমোন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এই দূষণ সব সময় দোকানদার বা ছোট কৃষকের হাতে শুরু হয় না। শিল্পবর্জ্য নদী ও কৃষি জমিতে গিয়ে পড়তে পারে। দূষিত পানি দিয়ে ফসল উৎপাদিত হতে পারে। মাছ ও পোল্ট্রির খাবারের মাধ্যমে ক্ষতিকর পদার্থ খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করতে পারে। আবার কোনো অসাধু আমদানিকারক বা রাসায়নিক সরবরাহকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীর কাছে ক্ষতিকর পদার্থ পৌঁছে দিতে পারে। তাই খাদ্য নিরাপত্তা কেবল বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয় নয়। এটি কৃষি, শিল্প, পরিবেশ, পানি, স্থানীয় সরকার, বাণিজ্য এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত দায়িত্ব।
হলুদে সিসা : পরিবর্তন যে সম্ভব
হলুদকে উজ্জ্বল করার জন্য সিসাযুক্ত lead chromate ব্যবহারের বিষয়টি গবেষণায় শনাক্ত হয়েছিল। সিসার সংস্পর্শ মানবদেহের জন্য বিশেষভাবে বিপজ্জনক, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে। কিন্তু এই ঘটনায় আশাব্যঞ্জক একটি শিক্ষাও রয়েছে। গবেষণার ফল গণমাধ্যমে প্রকাশ, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সচেতন করা, দ্রুত পরীক্ষার প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন প্রয়োগ— এসবের সমন্বয়ে পরীক্ষিত বাজারের হলুদের নমুনায় শনাক্তযোগ্য সিসার হার ২০১৯ সালের ৪৭ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে শূন্যে নেমে আসে। সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে সরাসরি ভেজালের প্রমাণও ৩০ শতাংশ থেকে শূন্যে নামে। সীমিতসংখ্যক শ্রমিকের রক্তে সিসার মাত্রাও কমেছিল। গবেষণাটি দেখিয়েছে, বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের সাথে কার্যকর উদ্যোগ যুক্ত হলে পরিবর্তন সম্ভব।
অন্যদিকে, সব গবেষণা একই ধরনের বিপদের কথা বলে না। ৬০৮টি মাছ ও মুরগির নমুনা নিয়ে করা একটি গবেষণায় বিভিন্ন ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেলেও হিসাবকৃত দৈনিক গ্রহণ সহনীয় সীমার নিচে ছিল এবং ওই খাবারগুলো থেকে ক্যান্সারের আনুমানিক ঝুঁকি খুব কম বলে গবেষকরা সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। এই ভিন্ন ফলাফল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখায়। কোনো খাবারে একটি রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া এবং সেই খাবার মানুষের জন্য বিপজ্জনক মাত্রার স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে— এই দু’টি এক কথা নয়। কতটা পদার্থ পাওয়া গেছে, একজন মানুষ কত পরিমাণে এবং কত দিন সেটি গ্রহণ করছে, শরীরে কতটা শোষিত হচ্ছে এবং তার সাথে রোগের সম্পর্ক কী— সবকিছু বিবেচনা করতে হয়। একটি জেলা, কয়েকটি বাজার কিংবা অল্পসংখ্যক নমুনা পরীক্ষা করে বাংলাদেশের সব খাবারকে নিরাপদ বা অনিরাপদ ঘোষণা করা যাবে না। দরকার নিয়মিত, জাতীয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিনিধিত্বশীল পরীক্ষা।
দ্রুত চুল-দাড়ি পাকা : রোগের প্রমাণ নয়, সামাজিক সঙ্কেত
আমার একটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, বাংলাদেশের অনেক তরুণ যেন খুব দ্রুত বয়সের ছাপ বহন করছেন। অল্প বয়সে অনেকের চুল-দাড়ি পেকে যাচ্ছে। আমি চিকিৎসক নই এবং এটিকে কোনো রোগের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবেও উপস্থাপন করছি না।
অকালপক্বতার সাথে বংশগতি, ধূমপান, পুষ্টির ঘাটতি, কিছু শারীরিক সমস্যার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা রয়েছে। প্রাণীর ওপর পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় মানসিক চাপ কীভাবে কোষ ক্ষয় করতে পারে, তার একটি জৈবিক পথও পাওয়া গেছে। কিন্তু বাংলাদেশী তরুণদের চুল পাকার সাথে দূষিত খাবার বা সামাজিক চাপের সরাসরি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এমন জাতীয় গবেষণা নেই।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সঙ্কট তথ্যেরও
বাংলাদেশে অনেক দক্ষ চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্যবিদ এবং গবেষক আছেন। তাই দেশের সব চিকিৎসা বা জনস্বাস্থ্য গবেষণাকে ‘সাজানো’ কিংবা ‘ম্যানিপুলেটেড’ বলা ন্যায়সঙ্গত হবে না। কিন্তু গবেষণার মান নিয়ে যে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে, সেটিও অস্বীকার করা যাবে না। বাংলাদেশে প্রয়োজন বিচ্ছিন্ন কয়েকটি গবেষণাপত্র নয়, একটি সমন্বিত গবেষণা। কোন জেলায় কোন খাবারে কোন দূষক কতবার ধরা পড়ছে; কোন মৌসুমে ঝুঁকি বাড়ছে; মানুষের শরীরে সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকের মাত্রা কত; ক্যান্সার, কিডনি রোগ বা অন্য অসুস্থতার ভৌগোলিক ধরন কী; এবং কোনো নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে কি না— এসব ধারাবাহিকভাবে মাপতে হবে।
রোগের মুনাফা একজনের, ব্যয় বহন করে পরিবার
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো মূলত রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার দিকে মনোযোগী; প্রতিরোধে বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম। অথচ অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা এক দিনের নয়। রোগীকে বছরের পর বছর ওষুধ, পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করতে হয়। WHO-এর ২০২৫ সালের হিসাবে বাংলাদেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় ৬৯ শতাংশ মানুষকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে দূষিত বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যব্যবস্থা থেকে মুনাফা করেন কেউ কেউ, কিন্তু তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয় বহন করেন রোগী ও তার পরিবার। এটি কেবল স্বাস্থ্যগত সঙ্কট নয়; এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবিচারও।
২০২৬ সালের বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত একটি আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে অনিরাপদ খাবারের কারণে বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে উল্লেখ করেছেন। হিসাবটি আরো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু অনিরাপদ খাবারের কারণে চিকিৎসা ব্যয়, কর্মঘণ্টা নষ্ট এবং উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার অর্থনৈতিক মূল্য যে বিরাট— তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
এখন কী করা প্রয়োজন
প্রথমত, খাদ্য নিরাপত্তাকে মাঝেমধ্যে পরিচালিত অভিযানের পরিবর্তে স্থায়ী ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে হবে। কোন খাবার, অঞ্চল এবং উৎপাদনপদ্ধতিতে ঝুঁকি বেশি, তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে বেশি পরীক্ষা ও পরিদর্শন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, খামার থেকে খাবারের প্লেট পর্যন্ত যাচাই করার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তৃতীয়ত, কৃষক ও ছোট বিক্রেতাকে শুধু শাস্তি দিলে চলবে না। নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার, বিশুদ্ধ পানি, পরিচ্ছন্নতা এবং সংরক্ষণপদ্ধতির বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিতে হবে। তবে যারা জেনেশুনে বিষাক্ত রং, রাসায়নিক বা ভেজাল পদার্থ সরবরাহ করে, সেই বড় ব্যবসায়ী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
চতুর্থত, শিল্পবর্জ্য, মাটি, পানি ও খাদ্য নিরাপত্তাকে একই নীতির অধীনে আনতে হবে। দূষিত নদী বা সেচের পানি দিয়ে উৎপাদিত খাবারকে বাজারের শেষপ্রান্তে পরীক্ষা করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। দূষণের উৎসেই প্রতিরোধ করতে হবে। পঞ্চমত, খাদ্য নিরাপত্তাকে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের সাথে যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কিডনি-ঝুঁকি পরীক্ষা; স্কুলে পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা শিক্ষা; খাবারে লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট কমানো; শারীরিক ব্যায়াম; এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা— এসবকে একই কর্মপরিকল্পনার অংশ করতে হবে। মানুষকে শুধু ‘সচেতন হোন’ বললে দায়িত্ব শেষ হয় না। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবারের পছন্দটি যাতে সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী হয়, সেই পরিবেশ রাষ্ট্রকেই তৈরি করতে হবে।
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক



