অভিমত

পুশইন : সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও কূটনৈতিক দৃঢ়তা

পুশইন : সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও কূটনৈতিক দৃঢ়তা

সীমান্ত একটি মানচিত্রের রেখা নয়, এটি একটি দেশের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক নির্যাতিত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। নতুন করে আর কোনো পুশইন সহ্যের ক্ষমতা নেই। তাই জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ঢিলেমির কোনো অবকাশ নেই। সরকার দূরদর্শিতা, সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সাথে সীমান্ত সঙ্কট মোকাবেলা করবে। দেশের প্রতি ইঞ্চি ভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা নেবে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আগামী কয়েক বছরে এই সম্পর্ক আরো গভীর হতে পারে। তবে সম্পর্কের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হবে কতগুলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তার ওপর নয়, বরং কতজন মানুষের জীবনমান উন্নত হলো, কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলো এবং কতটা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেল তার ওপর।

নবাব সিরাজউদদৌলা : ট্র্যাজেডির নায়ক

নবাব সিরাজউদদৌলা : ট্র্যাজেডির নায়ক

নবাব সিরাজউদদৌলা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন। পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস যতবার আলোচিত হয়, ২৩ জুন যতবার ফিরে আসে, ততবারই নতুনভাবে উপলব্ধি করা হয়, ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের কথা।

চীনের শিক্ষাব্যবস্থা: অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও ভাবনা

চীনের শিক্ষাব্যবস্থা: অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও ভাবনা

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। বিশেষ করে গবেষণায় বিনিয়োগ, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন, শৃঙ্খলাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে।

ভারতের হাসিনাকে হঠাৎ সামনে আনার রহস্য কী?

ভারতের হাসিনাকে হঠাৎ সামনে আনার রহস্য কী?

বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের পক্ষে আগের মতো একক প্রভাব বিস্তার করা আর সহজ নয়। তাই “হাসিনা কার্ড” ব্যবহার করে তারা একদিকে আওয়ামী লীগের অবশিষ্ট সমর্থকদের আবেগ জিইয়ে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মানসিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—যে রাজনীতি জনগণের ওপর না দাঁড়িয়ে, বিদেশী আশ্রয়ের ওপর দাঁড়ায়, তার পরিণতি কখনোই স্থায়ী হয় না। আজ শেখ হাসিনা হয়তো ভারতের কাছে একটি কৌশলগত সম্পদ। কিন্তু ইতিহাসের শেষ বিচারে তিনি মূল্যায়িত হবেন একজন বিতর্কিত শাসক হিসেবেই—যার শাসনামলে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ভারতও একদিন বুঝবে—কোনো দেশের জনগণকে পাশ কাটিয়ে কেবল একটি পরিবার বা একটি দলের ওপর ভর করে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না।