২৬ এপ্রিল ২০১৯

ঢা‌বি‌তে শোক দিব‌সের সভা শে‌ষে ছাত্রলীগের মারামারি (ভিডিও)

ঢা‌বি‌তে শোক দিব‌সের সভা শে‌ষে ছাত্রলীগের মারামারি - ছবি : নয়া দিগন্ত

শোক দিবসের আলোচনা সভা শেষে আগত নেতা‌দের প্রটোকল দেয়া নিয়ে নি‌জে‌দের ম‌ধ্যে মারামা‌রি‌তে জড়িয়েছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে এ ঘটনা ঘটে।

সকালে শোক দিবস উপলক্ষে টিএসসি মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাই‌নের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, টিএসসি মিলনায়তনে সমাবেশ শেষে জাহাঙ্গীর কবির নানকের সাথে কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম বের হয়ে যান। এতে পিছনে পড়ে যান ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত। এদিকে নানকের সাথে বাকিরা থাকায় তাদের অনুসারীদের উপস্থিতিতে সেখানে বিরাট জটলা বেঁধে যায়। এ জটলার কারণে সনজিত টিএসসি থেকে বের হতে পারছিলেন না। বের হওয়ার সময় একুশে হলের একজনের সাথে ধাক্কা লাগায় সনজিত তাকে থাপ্পড় দেন। নানক চলে যাওয়ার পরে সনজিত শোভনকে বলেন, আপনার ছেলেদের কোনো ম্যানার শেখান নাই? তারা আমাকে বের হওয়ার জায়গা দেয় নাই কেন? এসময় সূর্যসেন হলের আসলাম নামক একজন তার প্রতিবাদ করে বলেন, কী ম্যানার শেখাতে হবে? তখন সনজিত আসলামকে মারধর করেন। এরপরেই দুই গ্রুপের নেতাকর্মীর ম‌ধ্যে মারামা‌রি শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিটের মতো এ হাতাহাতি ও মারামারি চলে।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টিএসসি প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়ায়। ঘটনাস্থলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনকে দেখা গেছে। তবে, ছাত্রলীগের শীর্ষ এ চার নেতার কাউকেই হাতাহাতি থামাতে দেখা যায় নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমি আর শোভন ভাই কথা বলছিলাম। এসময় বাইরের কয়েকজন এসে সেখানে চিল্লাচিল্লি করছিল। আমরা তাদের চিনি না। কেউই চিনে না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হতেও পারে নাও হতে পারে। আমি শিউর না। পোলাপানের সাথে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল, তারা ওদেরকে সরিয়ে দিয়েছে। আমরা তাদের থামিয়ে দিয়েছি। পরে ২ জনকে মারধরের বিষয়ে জানতে তাকে আবার কল দেয়া হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

এদিকে ঘটনাস্থ‌লে সাংবা‌দিক‌দের‌কে সাদ্দাম জা‌নি‌য়ে‌ছেন যে হাতাহাতিতে জড়ানোরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের জুনিয়র নেতাকর্মী। তবে তিনি ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতির বিষয়ে অস্বীকার করেছেন। যদিও প্রমাণ দেয়ার পরে স্বীকার করে‌ন তি‌নি।

প‌রে এ বিষ‌য়ে জানতে চাইলে সাদ্দাম হোসাইন বলেন, টিএসসিতে গোলযোগ হয়েছে বলে আমার জানা নেই। জুনিয়রদের মধ্যে মনে হয় কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে সিনিয়ররা কিছুই করেনি। আমরা তা দেখিনি। গোলযোগের সময়ে আমরা সেখানে ছিলাম না। আমরা আসার পরে তা হয়ে থাকতে পারে। ভিডিওতে আপনাদের দেখা যাচ্ছে বললে তারপর তিনি উপস্থিতির কথা স্বীকার করেন। বলেন, সিনিয়ররা গিয়ে জুনিয়রদের থামাইছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের মুঠোফোনে কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

আরো পড়ুন :

'ছাত্রদের ওপর নিপীড়ন নির্যাতন বন্ধ করুন'
নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলুম নির্যাতনের পথ পরিহার করে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে গ্রেফতার করা ছাত্রদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ। তারা গ্রেফতার হওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন ছাত্র, আলোকচিত্রী শিল্পী শহীদুল আলম, অভিনেত্রী নওশাবার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।

মঙ্গরবার বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সভায় তারা এআহবান জানান। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও জোট সমন্বয়ক সাইফুল হকের সভপতিত্বে অস্থায়ী কার্যালয় মুক্তিভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিবি’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাসদ কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু ও সম্পাদকম-লীল সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় নেতা ফখ্রুদ্দিন কবির আতিক, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান।

গত কয়েক দিন ধরে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর পরিচালিত হামলা, নির্যাতন, গ্রেফতারের উদ্বেগ প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ সভায় চট্টগ্রামে ৫৭ ধারায় ছাত্র ফেডারেশন নেতা মারুফ হোসেন ও আজিজুর রহমানের গ্রেফতার, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ্যানি সেনের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ফ্রন্ট নেতা সোহায়েল আহমেদ শুভ, জাহিদ হোসেন রনি ও ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মোর্শেদ হালিমের ওপর ছাত্রলীগের নির্যাতন, বাড্ডায় বাসদ নেতা আহসান হাবীব বুলবুল ও খায়রুল ইসলামের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের নির্যাতন এবং ঢাকাসহ সারা দেশে নাম না-জানা শত শত আন্দোলনকারীর ওপর পুলিশ ও হেলমেট বাহিনীর আক্রমণ-হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

নেতৃবৃন্দ নারায়ণগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। সেই সাথে ভীতি প্রদর্শনের জন্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় ছাত্র মেসগুলোতে পুলিশি তল্লাশি বন্ধের দাবি জানান।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat