১৫ নভেম্বর ২০১৯

দুই গোয়েন্দার অভিযান অভিযান

-

পনের.

তা ছাড়া অদ্ভুত ভাবনাটা আগে মাথায় আসেনি, এসেছে প্রফেসরের বাড়িতে হিরণ কুমারের শেষ ছবিটা দেখার পর। আরো একটা ব্যাপারÑ রেজার সন্দেহের তালিকায় লোক এখন দু’জন। একজন হিরণ কুমার স্বয়ং, দ্বিতীয়জন তার বন্ধু ও ম্যানেজার জগন্ময়।
‘কিসের পাইপ?’ পাইপটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল সুজা।
‘বৈদ্যুতিক তারের,’ জবাব দিলো রেজা। ‘এমন ভাবে বানিয়েছে, যাতে সহজে নষ্ট না হয় পাইপের ভেতরে ভরা তারগুলো। বহুকাল টিকে থাকে।’
অবাক হলো সুজা। ‘কী বলছো তুমি, কিছুই তো বুঝতে পারছি না আমি।’
‘ওই পাইপের ভেতরের তারগুলো দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।’
সুজাকে ছাউনিটার কাছে নিয়ে গেল রেজা। জানালার ময়লা কাচের ভেতর দিয়ে ভেতরের যন্ত্রপাতিগুলো দেখাল। ক্রায়োজেনিক চেম্বার নিয়ে যে সন্দেহ জেগেছে তার মনে, সেটা খুলে বলল। প্রফেসর আসাদ চৌধুরীর বাড়িতে ছবি দেখতে বসে কখন সন্দেহটা জেগেছে, সেকথাও জানাল।
চোয়াল শক্ত হয়ে গেল সুজার। ‘তুই নিশ্চয়ই ভাবছিস না...?’
‘হ্যাঁ, ভাবছিই তো!’
‘তার মানে... তার মানে...!’ নিচের ঠোঁট দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে কাঁপা হাতে কপালের ঘাম মুছল সুজা। রেজার সন্দেহ তার মাঝেও সংক্রামিত হয়েছে। ‘পাইপের অন্য মাথাটা কোথায় জানো?’
‘এখনো খুঁজে দেখিনি। তবে মনে হয় বাড়ির ভেতরে।’
‘চল, খুঁজে বের করি,’ বলেই পাইপের পাশ দিয়ে হাঁটতে শুরু করল সুজা।
(চলবে)

 


আরো সংবাদ