১৬ জানুয়ারি ২০২১
`

‘অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না’, হতাশ প্রধান বিচারপতি

-

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, হলফনামা (এফিডেভিট) শাখায় সিসি ক্যামেরা বসানোর পরও অনিয়ম রুখতে না পারছি না। সোমবার আপিল বিভাগের শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় আপিল বিভাগের আরো চার বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন।

একটি মামলা কার্যতালিকার ৩ নম্বর ক্রমিকে থাকার কথা থাকলেও সেটি ৯০ নম্বর ক্রমিকে ছিল। এ বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, কী আর করব? এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) বসালাম, এখন সবাই বাইরে এসে এফিডেভিট করে।

তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেকেই মামলার তালিকা ওপর নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের অনেক আইনজীবীও আদালতে আসেন না, বেতন বেশি হওয়ার কারণে এমন হচ্ছে। বেতন কম হলে তারা ঠিকই কষ্ট করে আদালতে আসতেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক এক আদেশে ডেপুটি রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে আপিল বিভাগে তলব করেন। এ সময় মামলার ক্রমিক ঠিক করা নিয়ে মেহেদী হাসানের ব্যাখায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।



আরো সংবাদ


করোনায় যে পাঁচটি জিনিস বেশি ব্যবহার করছে মানুষ ফেসবুক-টুইটারই কি বাকস্বাধীনতার নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠবে? মৌসুমের আগেই আলুর দরপতন, লোকসানের আশঙ্কা দ্বিতীয় ধাপের ৬০ পৌরসভা ভোটগ্রহণ চলছে সোমবার থেকে যুক্তরাজ্যে সব ধরণের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ১৫৭ বার ব্যর্থ, অবশেষে লার্নার টেস্টে উতরালেন ব্রিটিশ ব্যক্তি বাইডেনের আর্থিক পরামর্শদাতা টিমে কাশ্মিরি বংশোদ্ভূত সামিরা ভারত ও ইউরোপের জন্য আলাদা নীতি, ফের বিতর্কে হোয়াটসঅ্যাপ মাসে ২১.৫০ টাকা দিলে বছরে ৬০ হাজার ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা হতে পারে মধ্যরাতে আ.লীগ সমর্থকদের সাথে সংঘর্ষ : নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে গেছে বিএনপিকর্মীর কী হবে বসুরহাটে!

সকল