২৪ এপ্রিল ২০১৯

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হতে চলেছে পাকিস্তান

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হতে চলেছে পাকিস্তান - ছবি : সংগৃহীত

এই মুহূর্তে পাকিস্তানের হাতে রয়েছে ১৪০–১৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র। ২০২৫ সালের মধ্যে তা ২২০–২৫০টি বাড়িয়ে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা। এই হারে যদি পাকিস্তান পারমানবিক অস্ত্র বাড়াতে থাকে তাহলে তা অনায়াসে ২৫০ ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি রিপোর্টের মধ্য দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান ক্রমাগত পারমাণবিক অস্ত্র বাড়িয়ে চলেছে। এমনকী তারা সংরক্ষণ করতে শুরু করেছে পারমাণবিক অস্ত্রের। যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে ২০২৫ সালে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা দাঁড়াবে ২২০ থেকে ২৫০টি। আর যদি এটা ঘটে তাহলে পাকিস্তান বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়ে যাবে। ‘পাকিস্তান নিউক্লিয়ার ফোর্সেস ২০১৮’ এই রিপোর্টটি দিয়েছেন হ্যান্স এম ক্রিস্টেনসেন, রবার্ট এস নরিস ও জুলিয়া ডায়মন্ড। ২০১৮ সালের এই রিপোর্টে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র থাকছে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও চীনের হাতে। পাকিস্তানের পরে অবস্থান থাকছে ব্রিটেন, ভারত, ইসরাইলের।

রিপোর্টে প্রকাশ, পাকিস্তান পারমানবিক অস্ত্রের উৎপাদন ও বৃদ্ধি ঘটাতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। যা আগামী ১০ বছরে বিশাল আকার নেবে। স্যাটেলাইটের চিত্রে ধরা পড়েছে পাকিস্তান সেনা এবং বিমানবাহিনী মোবাইল লঞ্চারসসহ ভূগর্ভে আক্রমণ করার জন্য নানা ধরণের পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভার বাড়িয়ে চলেছে। মূলত ভারতের পারমাণবিক শক্তিকে ধ্বংস করতেই পরিকল্পনামাফিক বাড়ানো হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বলে সূত্রের খবর। ‌‌

মার্কিন প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, এবার প্রশ্ন উঠছে, কেন বা কার বিরুদ্ধে এই বিপুল প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, ভারতকে নজরে রেখেই প্রস্তুত হচ্ছে পাকিস্তান৷ প্রথাগত যুদ্ধে ভারতীয় সেনার সামনে দাঁড়ানো যাবে না, তা ভালই জানে পাক সেনা৷ তাই স্বল্পপাল্লায় ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক মিসাইল তৈরি করছে দেশটি৷ ইতিমধ্যেই একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারে হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, ভারতের ‘কোল্ড স্টার্ট’ ডকট্রাইনে পানি ঢেলে দেবে স্বল্প দূরত্বের পারমাণবিক মিসাইল৷ ভারত হামলা করলে ওই পারমাণবিক মিসাইলের সাহায্যে পালটা হামলা চালানো হবে৷ এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন রিপোর্টে ছড়িয়েছে উদ্বেগ৷

আরো পড়ুন :

পাকিস্তানের দেনা পরিশোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র : মাহমুদ কোরেশি
ডন ও আলজাজিরা 

পাকিস্তানে যে ৩০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের এ ঘোষণা অর্থহীন। কেননা যুক্তরাষ্ট্র যে অর্থ প্রদান স্থগিত করেছে সেটি পাকিস্তানের প্রতি তাদের কোনো সহায়তা ছিল না, এটি ছিল পূর্বের দেনা পরিশোধ।

এ বছরের জানুয়ারি থেকেই পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানকে দেয়া এক শ’ দশ কোটি মার্কিন ডলারের নিরাপত্তা সহযোগিতা স্থগিত করেন। আফগান তালেবানসহ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে পাকিস্তান যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না এমন অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ওই সিদ্ধান্ত নেয়। অন্য দিকে পাকিস্তান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান চলছে।

গত রোববার পেন্টাগনের মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট কর্নেল কোনো ফকনার নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো চূড়ান্তভাবেই ৩০ কোটি ডলারের সহযোগিতা স্থগিত করবে, যা জানুয়ারিতে স্থগিত করা এক শ’ দশ কোটি ডলারের অংশ। পেন্টাগন মুখপাত্র এর কারণ হিসেবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশীয় নীতির প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের ঘাটতির কারণে এটি করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি রোববার সন্ধ্যায় বলেছেন, ‘এই ৩০ কোটি ডলার কোনো সহযোগিতা বা ত্রাণ নয়। এটি জোট সহযেগিতা তহবিলে (সিএএসএফ) আমাদের শেয়ার। পাকিস্তান এখন পর্যন্ত যে অর্থ তার নিজস্ব সম্পদ থেকে ব্যয় করেছে এটি তা। যুক্তরাষ্ট্র এখন সেই অর্থ আমাদের পরিশোধ করবে।’
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো ত্রাণ সহযোগিতা নয়, যে স্থগিত করবে। সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে আমরা যে ব্যয় করেছি এটি মূলত তা পরিশোধ।’

আগামী বুধবার ইসলামাবাদ সফরের কথা রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর। তার সাথে থাকবেন সেনাপ্রধান জেনারেল জোসেফ ডুনফোর্ড। মাহমুদ কোরেশি বলেন, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বর্তমানে সম্পর্ক প্রায় অস্তিত্বহীন। তবে তিনি মনে করে পম্পেওর সফরের পর এ ধারা পরিবর্তন হবে।

তিনি বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সফরে আমারা উভয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেষ্টা করব। এই অঞ্চল ও বিশ্বকে সন্ত্রাসমুক্ত করা আমাদের সবার উদ্দেশ্য। আমরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানব এবং আমাদের অবস্থান তুলে ধরব। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে আস্থা, সম্মান ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ককে এগিয়ে নেয়া।’


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat