১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

‘ইদলিবে রাসায়নিক হামলার জবাব দেবে ফ্রান্সের বিমান বাহিনী’

-

ফ্রান্সের অস্ত্রবিষয়ক মন্ত্রী ফোরেন্স পারলে বলেছেন, যদি সিরিয়া তার দেশের নাগরিকদের ওপর রাসায়নিক অস্ত্র দ্বারা হামলা চালায় তবে ফ্রান্স এর প্রতিদান দিতে প্রস্তুত রয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলার আঙ্গেলা মারকেলও বলেছেন, ইদলিবে রাসায়নিক হামলা হলে তারা বসে থাকবে না।
চলতি মাসের ৬ তারিখে ফ্রান্সের প্রতিরামন্ত্রী ফ্রান্সোসিস লেকোইনটারে এক বিবৃতিতে বলেন, সিরিয়ার ইদলিব শহরে রাসায়নিক হামলার জবাব দিতে ফ্রান্সের বিমান বাহিনী প্রস্তুত আছে। ফ্রান্সের অস্ত্রবিষয়ক মন্ত্রী ফোরেন্স পারলে প্রতিরামন্ত্রীর দেয়া ওই বিবৃতির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ফ্রান্সের একটি রেডিও স্টেশনকে ফোরেন্স পারলে বলেন, ‘কিছু দিন পূর্বেও আমরা বাশার আল আসাদ সরকার এবং তার মিত্রদের রাসায়নিক হামলার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলাম। তবে আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে জানতে পেরেছি যে, সিরিয়ার সরকার ইদলিব শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার করেছে। আমরা নিশ্চিত করে বলছি, যদি সীমা লঙ্ঘন করা হয় তবে আমরা বসে থাকবো না।’ ফ্রান্সের এই মন্ত্রী জানান, তার দেশ সিরিয়ার ইদলিব শহরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।
ফোরেন্স পারলে জানান, ‘সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ শেষ অবধি ইদলিব শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবেন। আমরা মনে করি কাজটি অত সহজে হবে না। এই কারণেই ফ্রান্স ইদলিব শহরের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত আছে।’
তিনি আরো যোগ করে বলেন, ফ্রান্স সিরিয়াতে চলমান সমস্যার আপস নিষ্পত্তির জন্য কূটনৈতিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফোরেন্স পারলে বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কয়েক মাস ধরেই সিরিয়ার সমস্যার সমাধানের জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইরান, রাশিয়া এবং তুরস্কের সাথে আলোচনা করে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও আমরা জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমাদের বন্ধু দেশগুলোর সাথেও এ ব্যাপারে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি।’
উল্লেখ্য, আগস্ট মাসের ২৫ তারিখে রাশিয়ার প্রতিরা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাহরির আল-শাম (জাবহাত নুসরা দলের একটি অঙ্গ সংগঠন) ইদলিব শহরে রাসায়নিক হামলার পরিকল্পনা করছে। তবে অনেক পশ্চিমা দেশ বাসার আল আসাদকে তার দেশের নাগরিকদের ওপর রাসায়নিক হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। সিরিয়ার সরকার দেশটির বেশির ভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে সম হয়েছে।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma