০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশী কর্মী প্রেরণে সিশেলসের সাথে চুক্তি

-

পূর্ব আফ্রিকার দেশ সিশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়াতে গতকাল সোমবার বাংলাদেশী জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। সিশেলস সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সিশেলসের এমপ্লয়মেন্ট, ইমিগ্রেশন ও সিভিল স্ট্যাটাস মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ মারিয়াম তেলেমাক।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, চুক্তিটি স্বাক্ষরের ফলে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মরিশাসে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রেজিনা আহমেদ, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো: ফজলুল করিম, উপসচিব মোহাম্মদ শাহীন, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক (কর্মসংস্থান) ডি এম আতিকুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে সিশেলস সরকার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া সাময়িক বন্ধ রাখে। উচ্চ অভিবাসন ব্যয় হ্রাসসহ সুশৃঙ্খল ও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়ায় সিশেলস এ কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে উভয় দেশ শ্রম সহায়তা চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে সিশেলস সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে টেকনিক্যাল সভায় মিলিত হন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সিশেলসে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে বলে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বর্তমানে সিশেলস এ প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক কর্মরত আছেন। নির্মাণ শিল্পে অধিকাংশ শ্রমিক কাজ করে থাকেন। এ ছাড়া হোটেল, টুরিজম, স্বাস্থ্যসেবা, হাউজ কিপিং, কুক, ভিলা এটেন্ডডেন্ট, কৃষি খামার, পোলট্রি খামার প্রভৃতি খাতেও বাংলাদেশী কর্মীরা কাজ করছেন। ফিশিং ও ফিশ ইন্ডাস্টিজ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং টুরিজম খাতে বাংলাদেশী কর্মীদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরাই সিশেলসের বৈদেশিক শ্রম বাজারের অন্যতম প্রধান অংশীদার।


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik