২১ জুলাই ২০১৯

নেপালী ক্লাবকে উড়িয়ে দিল আবাহনী

ঢাকা আবাহনী - ফাইল ছবি

মানাংয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই সুসংবাদ আসে ঢাকা আবাহনীর কাছে। এএফসি কাপের ‘ই’ গ্রুপে অপর ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের দৌড়ে থাকা দুই ভারতীয় ক্লাব চেন্নাইয়ান এফসি ও মিনার্ভা পাঞ্জাব। এই খবরে উজ্জীবিত বাংলাদেশী ক্লাবটিও তাদের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে রেখেছে। নেপালের মানাং মার্সিয়ান্দিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে ফের গ্রুপ শীর্ষে চলে এসেছে আবাহনী।

এই নেপালের ক্লাবের বিপক্ষে কাঠমান্ডুতে বহু কষ্টে প্রথম ম্যাচে ১-০তে জিতে গ্রুপের শীর্ষে চলে যায় আবাহনী। বুধবার নেপালের ক্লাবটির কাছে তেমন প্রতিরোধই আশা করা হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আকাশী-নীল শিবিরের উজ্জীবিত ফুটবলে কাছে সাধারন মানের দলে পরিণত হয় নেপালের লিগ চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়ান্দি। অবশ্য নেপালের বিপক্ষে সব সময় বাজে গোল হজমে অভ্যস্থ আবাহনীর গোলরক্ষখ সোহেল এই ম্যাচেও করে বসেন মারাত্মক ভুল। ২১ মিনিটে সুজল শ্রেষ্ঠার শট সোহেলের হাত ফসকে গোল গোল লাইন অতিক্রম করতে যাচ্ছিল। পরে তা নিয়ন্ত্রনে নেন তিনি। এই বল জালে গেলে কী এমন হতো রেজাল্ট?

১১ মিনিটে স্ট্রাইকার নাবিব নেওয়াজ জীবনের গোলে আবাহনীর গোল উৎসব শুরু। বিপক্ষ ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল নিয়ে প্লেসিং শটে গোল তার। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আবাহনীর হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড বেলফোর্ড একক প্রচেষ্টায় বক্সে ঢুকে ব্যাবধান দ্বিগুণ করেন। ৬৩ মিনিটে সোহেল রানার কাট ব্যাক থেকে স্কোর লাইন ৩-০ করেন জুয়েল রানা। ৭৫ মিনিটে নাইজেরিয়ান সানডে ব্যবধান বাড়ান। মানাংয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেন মামুনুল।

চেন্নাইয়ানের বিপক্ষে ম্যাচে জয় সূচক গোল করা মামুনুল এদিন ৯৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের শটে এএফসি কাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের যে কোনো ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করেন। আবাহনী এর আগে ২০১১ সালে এএফসি প্রেসিডেন্টস কাপে কম্বোডিয়ার মাঠে ৪-১ এ হারিয়েছিল শ্রীলংকার ডন ভস্ক স্পোর্টস ক্লাবকে।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে বাংলাদেশী ক্লাবটিকে এখন ২৬ জুন গৌহাটিতে জিততে হবে ভারতের ক্লাব মিনার্ভার বিপক্ষে। ড্র করলেও সুযোগ থাকবে। বর্তমানে পাঁচ খেলা শেষে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আবাহনী। সমান খেলায় চেন্নাইয়ানের সংগ্রহ ৮। সব ম্যাচ ড্র করা মিনার্ভার ভান্ডারে পাঁচ পয়েন্ট। মানাংয়ের দুই।

আট গোলে জিতলে খুশী হতাম : আবাহনী কোচ
আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস বা ম্যাচ সেরা নাইজেরিয়ান সানডে চিজবো। কেউই ভাবেনি এতো সহজে তারা জয় পাবেন নেপালী ক্লাবের বিপক্ষে। অ্যাওয়ে ম্যাচে তাদের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়। আর বুধবার তারা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে জিতেছে পাঁচ গোলে। এই জয়ে দল খুশী। সন্তুষ্ট সানডে এবং লেমসও। তবে আবাহনী আরো বেশী গোলে জিতলে খুশী হতেন কোচ। মারিও লেমসের বক্তব্য, ‘যদি ৮ গোলে জিততাম তাহলে ভালো লাগতো। অনেক গোল মিস করেছি আমরা। আরো গোল হওয়া উচিত ছিল।’

আকাশী নীল শিবিরের কোচ বলেন, ‘আমরা প্রেসিং ফুটবল খেলেছি যাতে নেপালী ক্লাবটি ভুল করে। এই কৌশলে তিন গোল পেয়েছি।’


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi