কারাগারের গল্প

একবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয় স্ত্রী রাজলক্ষ্মী দেবীকে নিয়ে ট্রেন ভ্রমণ করছিলেন। স্ত্রীর সুন্দর মুখখান ঘোমটায় ঢাকা ছিল। কামরার এক যুবক বারবার আড়চোখে তার স্ত্রীর দিকে তাকাচ্ছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র এই ঘটনা উপভোগ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর বঙ্কিমচন্দ্র যুবকটিকে কাছে ডাকলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী করা হয়?’ যুবকটি আমতা আমতা করে জানাল, সে সরকারি চাকরি করে এবং তার বেতন মাত্র ৩০ টাকা। তখন বঙ্কিমচন্দ্র মুচকি হেসে জবাব দিলেন, ‘আমি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর, সাথে বইও লিখি। হাজার দুয়েক রোজগার। সবই আমার স্ত্রীর চরণে দিই, তাও মন পাইনে ভাই। আর তুমি এই ৩০ টাকায় তার মন কী করে পাবে?’ বঙ্কিমচন্দ্রের মুখে এমন রসবোধপূর্ণ কথা শুনে যুবকটি লজ্জায় চুপসে গেল এবং পরের স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে গেল

অবিভক্ত বাংলায় এক সময় জমিদার ও ধনী ব্যবসায়ীদের বাড়িতে চিঠি পাঠিয়ে দিনক্ষণ জানিয়ে ডাকাতি করার এক রোমাঞ্চক ও দুর্ধর্ষ প্রথা চালু ছিল। রবিনহুড, দস্যু বনহুর প্রভৃতি গ্রন্থে এসব ভদ্র ডাকাতের পরিচয় পাওয়া যায়। আমার দূর সম্পর্কের ফুফুর শ্বশুরবাড়ি পাশের গাঁয়ে। তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে বাপের বাড়ি একাই থাকতেন। বুঝমান থেকে ফুপার দেখা পাইনি। মায়ের কাছে শুনতাম, ওই ডাকাতদলের সদস্য ছিলেন ফুপা। ধরা পড়ে বিচারে যাবজ্জীবন কারাবাস হয়। কিছুদিন পরপর ফুফু-ফুপার সাথে দেখা করে টাকা-পয়সা আনেন। সে টাকায় সচ্ছলভাবে সংসার চালাতেন ফুফু। তখন বুঝতে পারতাম না কারাগারে থেকে টাকা-পয়সা রোজগার করেন কিভাবে? এখানে ঘুম ভাঙে কারারক্ষীর বাঁশি এবং লাঠির শব্দে। এরপর শুরু হয় রোলকল। বন্দীদের প্রতিটি মিনিট কঠোর নিয়মের মধ্যে কাটে। বাইরে থেকে ভেতরে ঢোকার সময় প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা। চার দেয়ালের মধ্যে নিজের ভুল নিয়ে অনুশোচনা, পরিবারের জন্য হাহাকার এবং বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়।

আইন পেশায় ঢুকে ফৌজদারি মামলা করতে গিয়ে জানতে পারি, কারাগারের ভেতরে পুরনো ও প্রভাবশালী কয়েদিরা দুষ্টচক্র তৈরি করে অবৈধ ব্যবসায় পরিচালনা করে। দেশের বিভিন্ন কারাগারে মূলত সিট বাণিজ্য, খাবার বা ক্যান্টিন নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক ব্যবসার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এ অবৈধ আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকে। কারাগারের ওয়ার্ডগুলোতে ঘুমানো বা থাকতে ভালো সিট পেতে নতুন হাজতিদের টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। পুরনো কয়েদিরা ওয়ার্ডের ভেতরের এ জায়গা নিয়ন্ত্রণ করে। আরামদায়ক সিটের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে লেনদেন হয়। সরকারি বরাদ্দের বাইরে ভালো মানের খাবার পেতে বন্দীদের কারাগারের ক্যান্টিনের ওপর নির্ভর করতে হয়। পুরনো প্রভাবশালী কয়েদিরা অনেক সময় ক্যান্টিনের ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়ে সাধারণ বন্দীদের কাছে চড়ামূল্যে খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করেন। এ ব্যবসায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়। কিছু দুর্ধর্ষ বা পুরনো কয়েদি আদালতের হাজিরা বা অন্য উপায়ে বাইরে থেকে কারাগারে মাদক এবং মোবাইল ফোন চালান করেন। ধনাঢ্য বন্দীদের ব্যক্তিগত কাজ করে দেয়ার বিনিময়ে পুরনো কয়েদিরা অর্থ আদায় করেন। এই হাহাকার এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের মধ্যে কারাবাসী একে অপরের সাথে হাস্যরস ও সহমর্মিতা ভাগ করে নিয়ে সময় পার করেন।

হাস্যরস ও সহমর্মিতা : জ্ঞানগর্ভ বা তত্ত্বকথা অনেক সময় পানসে ও বিরক্তিকর। পানসে তত্ত্বকথার সাথে রস যোগ না হলে শ্রোতা থাকে না। ভালো লেখক শুধু লেখায় নয়, কথার মধ্যেও রস বা কৌতুক (হিউমার) ব্যবহার করেন। একবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয় স্ত্রী রাজলক্ষ্মী দেবীকে নিয়ে ট্রেন ভ্রমণ করছিলেন। স্ত্রীর সুন্দর মুখখান ঘোমটায় ঢাকা ছিল। কামরার এক যুবক বারবার আড়চোখে তার স্ত্রীর দিকে তাকাচ্ছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র এই ঘটনা উপভোগ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর বঙ্কিমচন্দ্র যুবকটিকে কাছে ডাকলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী করা হয়?’ যুবকটি আমতা আমতা করে জানাল, সে সরকারি চাকরি করে এবং তার বেতন মাত্র ৩০ টাকা। তখন বঙ্কিমচন্দ্র মুচকি হেসে জবাব দিলেন, ‘আমি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর, সাথে বইও লিখি। হাজার দুয়েক রোজগার। সবই আমার স্ত্রীর চরণে দিই, তাও মন পাইনে ভাই। আর তুমি এই ৩০ টাকায় তার মন কী করে পাবে?’ বঙ্কিমচন্দ্রের মুখে এমন রসবোধপূর্ণ কথা শুনে যুবকটি লজ্জায় চুপসে গেল এবং পরের স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে গেল।

শরৎ রচনার মূল সুর বেদনাবিধুর হলেও, তার অনেক গল্প ও উপন্যাসে চমৎকার হাস্যরসের দেখা মেলে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রচিত ‘ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনের সময় উপস্থিত ছিলাম। উপস্থিত ছিলেন লেখকের সাথে সহকারাবাসীর অনেকে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক। সহকারাবাসী প্রায় সবাই কারাবাসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গর্বের সাথে জেলখানার হাস্যরসের গল্প শোনান। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তার স্বভাবসুলভ ও তীক্ষè রসবোধের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। বক্তাদের এ ধরনের রসালো কাহিনী শুনে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক হাসতে হাসতে বলেন, ‘জেলখানার অভিজ্ঞতা তো আমার নেই, তবে তোমাদের এ রসালো কাহিনী শুনে মনে হয় জেলখানায় যাওয়াটাই ভালো ছিল!’

রফিক-উল হকের মতো উপস্থিত সভার সবাই জীবনে একবার হলেও হাজতবাসের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সম্মত ছিলেন। ভয় শুধু পুলিশ রিমান্ডের। পুলিশ ইনভেস্টিগেশনের ভয়ঙ্কর একটি হাতিয়ার পুলিশ রিমান্ড। প্রচলিত আছে- ব্রিটিশ ভারতের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে গাধাকে ঘোড়া বানাতে পারে। এর উদাহরণ স্বাধীন বাংলাদেশেও পাওয়া যায়- ২০২০ সালের ৪ জুলাই নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ এলাকার বহুল আলোচিত জিসা মণি নিখোঁজের ঘটনা। জিসা মণিকে অপহরণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছিল। ওই জবানবন্দীতে তারা জিসাকে নির্যাতন করে হত্যার পর শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ডুবিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করে, কিন্তু সবাইকে হতবাক করে দিয়ে নিখোঁজের ৫০ দিন পর জিসা মণি আদালতে এসে হাজির হয়।

‘ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’ গ্রন্থের ৫৭ থেকে ৬৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় চার দিন পুলিশ রিমান্ডে থাকার বর্ণনা আছে। নারায়ণগঞ্জের জিসা মণি নিখোঁজের ঘটনায় ধৃত আসামির তুলনায় কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার চার দিনের রিমান্ড গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া নতুন দামানের আড়াউল্লার কদরের কথা মনে করিয়ে দেয়। যেমন- ‘হাজতে একা নিচে বসে যখন প্রায় ক্লান্ত তখন চেয়ার টেবিলে বসে গালগল্প খুবই উপভোগ্য ছিল। রিমান্ড যেখানে ভীতি ও হয়রানির হাতিয়ার হওয়ার কথা, সেখানে হাজতের একাকিত্ব অপমাননার মানসিক অবস্থার চেয়ে আইওর সাথে তিন ঘণ্টা গল্প করে কাটানো পুরস্কারস্বরূপ।’ (পৃষ্ঠা-৬০) রিমান্ড থেকে ফিরে কুমিল্লা কারাগারে আসার পর, ‘৪ জুলাই বাসা থেকে মামী, বিলকিস, মাহবুব, মারুফ ও মহুয়া কুমিল্লা জেলে নির্ধারিত সময়ের ব্যবধানে (১৫ দিন) দেখা করতে আসে। মামীও মন্তব্য করেন, ঢাকা থেকে এখানে আমাকে আগের চেয়ে ভালো লাগছে।’ (পৃষ্ঠা-৬৭)

চরম দুঃসময়ে ও সঙ্কটে ধর্ম, আধ্যাত্মিকতা এবং মানবতাবোধ সবচেয়ে জাগ্রত হওয়া মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। মানুষ তখন সান্ত্বনা ও মুক্তির আশায় সবার আগে সৃষ্টিকর্তার শরণাপন্ন হয়। ‘ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’ গ্রন্থের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ। প্রতিটি লেখার পরতে পরতে নামাজ, তাহাজ্জুদ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত, জায়নামাজ শব্দগুলোর ব্যবহার রয়েছে, রয়েছে মানবতাবোধের অনেক কথাও। যেমন- ‘সকালে বারান্দায় বসে চা খাওয়ার সময় চম্পাকলি বিল্ডিংয়ের বিপরীত দিকে কারাগারের মূল দেয়ালের বাইরে রাস্তার অপর পাড়ে দৃষ্টি যেত। ছয়তলা ফ্ল্যাট বাড়ির বারান্দায় একটি দৃশ্যের প্রতি প্রতিদিন আমার দৃষ্টি আকর্ষিত হতো। ... ফ্ল্যাট বাড়ির তিনতলার বারান্দায় একটি ছোট মেয়ে কাপড় দিয়ে প্রতিদিন গ্রিল পরিষ্কার করত। মেয়েটির বয়স সাত-আট বছরের বেশি হবে না। আমাদের বারান্দা থেকে যতটুকু দেখা যায়, তার গায়ের রঙ ফর্সা হবে। গ্রিল পরিষ্কার করতে যে ছোট ছোট হাত দুটো দেখা যেত তা বেশ ফর্সা রঙের। সে প্রথম এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত গ্রিলের নিচের অর্ধেক অংশ মুছত। অন্য প্রান্ত থেকে গ্রিলের নিচের দেয়ালে উঠে বা হাতে গ্রিল ধরে ডান হাতে গ্রিলের উপরের অংশ মুছতে মুছতে অপর প্রান্তে পৌঁছাত। ... মেয়েটির কাজের প্রতি একাগ্রতা ও আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আর মনে মনে ভেবেছি, এই বয়সী মেয়েরা যখন এই সময়ে স্কুলে গেছে বা স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন এই ফুটফুটে ছোট মেয়েটি পেটের দায়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করছে। বারান্দার গ্রিল পরিষ্কার করেই হয়তো তাকে যেতে হবে বাথরুমে। বাড়ির সবার কাপড়চোপড় ধোয়ার জন্য। নাশতার পর ১০টা বা ১১টায় বারান্দায় বের হলে মাঝে মধ্যে দেখতাম এই মেয়েটিকে এই গ্রিল ঘেঁষে লাগানো দড়িতে কাপড় ছড়াতে। বন্দী অবস্থায় বাইরের জীবন আমাদের কাছে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। ...বিপরীত দিকের বিল্ডিংগুলোর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সেই ছোট্ট কাজের মেয়েটির প্রতিদিনকার কাজ আমার মনে দারুণভাবে রেখাপাত করেছে। বন্দীজীবনে নিজের বুকে অনেক ব্যথা, তার সাথে সংযোজন হতো প্রতিটি সকালে সেই মেয়েটির কষ্টের কথা। মেয়েটি হয়তো দুটো খেতে পেরে এই রুটিন কাজকে স্বাভাবিক মনে করে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। সে হয়তো জানেই না, আমাদের আর্থসামাজিক কারণে তার এই অবস্থা। এটি উন্নত কোনো দেশ হলে তার প্রতি সকালে গ্রিল পরিষ্কার নয়; বরং স্কুলে থাকার কথা ছিল। হয়তো সে অনেক মেধাসম্পন্ন মেয়ে। উন্নত দেশ হলে সে হয়তো বড় হয়ে অনেক সম্মানিত জীবন ভোগ করতে পারত। এখন তো ছোট। যখন যৌবনে পদার্পণ করবে এই মেয়েটি তখন তার এই গরিবি এবং ফর্সা রঙ তা জীবনের জন্য দুঃস্বপ্নও বয়ে আনতে পারে। বন্দীজীবনে কারাগারে এপার থেকে মেয়েটির জন্য কষ্ট পাওয়া ছাড়া কিইবা করার আছে। এই মেয়েটিকে দেখে প্রতিটি সকালে আমার মেয়ের মুখ সামনে ভেসে আসত।’ (ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন, পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)

ধর্মচিন্তা : রাজনৈতিক নেতাদের ধর্মচিন্তা মূলত ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলের একটি জটিল মিশ্রণ, যা অঞ্চল ও সংস্কৃতি ভেদে ভিন্ন রূপ নেয়। কারাগারে ৬১৬ দিন বইটির ১১২ পৃষ্ঠায় ‘কারাগারে মাহে রমজান অধ্যায়ে এসে রাজনীতিবিদ মোশাররফ হোসেনকে একেবারে হারিয়ে ফেলি, তদস্থলে পাই একজন সুফি মুসলিমমানস। যেমন-

‘শেষ রাত ৪টায় ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ শেষ করে সবাই একসাথে সাহরি খাই। জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে অল্পক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত শেষে আবার প্রায় দুই ঘণ্টা ঘুমাতে যেতাম। ৯টার দিকে উঠে সকালের কাজকর্ম ও গোসল সেরে কুরআন তিলাওয়াত, নফল ইবাদত করে জোহর পর্যন্ত সময় কাটিয়ে দিতে পারতাম খুব সহজেই। পবিত্র রমজান ইবাদতের মাস। তার সদ্ব্যবহার করার বিরল সুযোগ পেলাম এবার কারাগারে। আসরের পর মাগরেব পর্যন্ত পুনরায় কুরআন তিলাওয়াতের সময় নির্ধারিত ছিল। কুরআন তিলাওয়াতের সময় প্রায় সাড়ে ৪টার দিকে গেট থেকে বাসার তৈরি ইফতারি এসে পৌঁছল। গেটে মারুফ এসে রমজানের প্রথম দিনে ইফতারি দিয়ে গেছে। (ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন, পৃষ্ঠা-১১২)। হ

লেখক : আইনজীবী ও কথাসাহিত্যিক

[email protected]