কার্বন ট্রেডিং : সমাধান নাকি বৈষম্যের নতুন বাজার

বাস্তবতা হলো, কেবল কার্বন কেনাবেচা করে পৃথিবীকে জলবায়ু সঙ্কট থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানুষ ও প্রকৃতির প্রতি সম্মিলিত দায়বদ্ধতা। প্যারিস চুক্তির অধীনে বৈশ্বিক কার্বন বাজারের কাঠামো যখন দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে— এমন একটি মডেল গড়ে তোলা, যা পরিবেশগত স্থায়িত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জলবায়ু সমতার নীতিকে সমান গুরুত্ব দেয়। আমাদের লক্ষ্য শুধু কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ নয়; বরং নিশ্চিত করা যে এই ব্যবস্থা দেশের জনগণ, বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করে এবং একটি নিরাপদ, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখে।

ড. শাহরিয়ার হোসেন
জলবায়ু পরিবর্তন আজ মানবসভ্যতার অন্যতম বড় সঙ্কট। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করিয়েছে। এই সঙ্কট মোকাবেলায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মধ্যে কার্বন ট্রেডিং বা কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থা বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন ব্যাংক এবং বহুজাতিক করপোরেশনগুলো এটিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছে।

সমর্থকদের মতে, কার্বন ট্রেডিং গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন কমাতে আর্থিক প্রণোদনা সৃষ্টি করে এবং সবুজ বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করে। অন্য দিকে সমালোচকদের প্রশ্ন, এটি কি সত্যিই জলবায়ু সঙ্কটের মূল কারণগুলোর মোকাবেলা করছে, নাকি বড় দূষণকারীদের জন্য দূষণ অব্যাহত রাখার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে? বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা উভয়ই গভীরভাবে বোঝা জরুরি। কারণ এটি যেমন নতুন অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, তেমনি ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও পরিবেশগত অখণ্ডতা সম্পর্কিত নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করতে পারে।

কার্বন ট্রেডিং কী : কার্বন ট্রেডিং হলো একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা, যেখানে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ বিভিন্ন গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের ওপর অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়। কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা দেশ যদি নির্ধারিত সীমার চেয়ে কম নির্গমন করে, তাহলে তারা কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। এই ক্রেডিট পরে এমন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা যায়, যারা তাদের নির্গমন কমাতে ব্যর্থ হয়েছে অথবা নিজেদের কার্বন পদচিহ্ন সমন্বয় করতে চায়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প, বন সংরক্ষণ, বনায়ন, পুনর্বনায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মিথেন গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট তৈরি করা যায়। বর্তমানে কার্বন বাজার মূলত দুই ধরনের— সরকার নিয়ন্ত্রিত কমপ্লায়েন্স মার্কেট এবং স্বেচ্ছাভিত্তিক ভলান্টারি কার্বন মার্কেট। ধারণাটি প্রথম দর্শনে বেশ যৌক্তিক মনে হলেও এর কার্যকারিতা নির্ভর করে বাজারের নকশা, নিয়ন্ত্রণ, পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহির ওপর।

কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাব্য সুফল : কার্বন ট্রেডিংয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জলবায়ু কার্যক্রমের জন্য অর্থায়নের নতুন উৎস সৃষ্টি করা। কার্বন নির্গমন হ্রাসের বিষয়টি অর্থনৈতিক মূল্যের সাথে যুক্ত করার ফলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সহজ হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বনায়ন, টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কার্বন বাজার এসব খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ নিয়ে আসতে পারে এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ শক্তিশালী করতে পারে।

এ ছাড়া কার্বন ট্রেডিং উদ্ভাবনে উৎসাহ জোগায়। কার্বনের যখন অর্থনৈতিক মূল্য থাকে, তখন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি গ্রহণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থায় বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো এর নমনীয়তা। কঠোর নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে এটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সবচেয়ে কম ব্যয়ে নির্গমন কমানোর সুযোগ দেয়। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা সম্ভব হয়।

আড়ালের চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা : তবে কার্বন ট্রেডিং কোনো নিখুঁত ব্যবস্থা নয়। গত দুই দশকের অভিজ্ঞতা এর নানা সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে। সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো, এটি অনেক সময় বড় দূষণকারীদের প্রকৃত পরিবর্তন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়। নিজেদের কারখানা বা উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার পরিবর্তে তারা কার্বন ক্রেডিট কিনে নির্গমন ‘সমন্বয়’ করে। ফলে কাগজে-কলমে নির্গমন কমলেও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা অনেক ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থেকে যায়।

কার্বন অফসেটের ধারণাটিও বিতর্কিত। এক অঞ্চলে নির্গমন কমানোর মাধ্যমে অন্য অঞ্চলে দূষণ চালিয়ে যাওয়া কতটা নৈতিক বা কার্যকর, সে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে কার্বন ক্রেডিটের পরিবেশগত বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন তদন্তে দেখা গেছে, কিছু প্রকল্পের নির্গমন হ্রাসের দাবি অতিরঞ্জিত ছিল, আবার কিছু প্রকল্প কার্বন অর্থায়ন ছাড়াই বাস্তবায়িত হতো। এর ফলে ‘গ্রিনওয়াশিং’ বা পরিবেশবান্ধবতার ভান করার প্রবণতা বেড়েছে। বনভিত্তিক কার্বন প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে স্থায়িত্বও একটি বড় সমস্যা। কোনো বন কার্বন সংরক্ষণের জন্য ক্রেডিট পেতে পারে; কিন্তু পরবর্তীতে যদি সেই বন আগুন, ঘূর্ণিঝড়, অবৈধ দখল বা বন উজাড়ের কারণে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে সেই কার্বন সুবিধাও হারিয়ে যায়।

ন্যায়বিচার ও সমতার প্রশ্ন : কার্বন ট্রেডিং নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক সম্ভবত জলবায়ু ন্যায়বিচারকে কেন্দ্র করে। শিল্পোন্নত দেশগুলো গত দুই শতকে বিপুল গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন করেছে। অন্য দিকে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো বৈশ্বিক নির্গমনে সামান্য অবদান রাখলেও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব ভোগ করছে। এই বাস্তবতায় অনেকেই মনে করেন, কার্বন বাজার বড় দূষণকারীদের দায়বদ্ধতা কমিয়ে দিতে পারে। কারণ তারা নিজেদের নির্গমন কমানোর পরিবর্তে উন্নয়নশীল দেশে প্রকল্পে অর্থায়ন করে দায় এড়িয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কার্বন প্রকল্পের কারণে স্থানীয় জনগণের বন, জমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের অধিকার সীমিত হয়েছে। যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকলে কার্বন প্রকল্প নতুন ধরনের পরিবেশগত ও সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে।

কোথায় কার্যকর, কোথায় নয় : যেসব ক্ষেত্রে নির্গমন হ্রাস সহজে পরিমাপ, পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা যায়, সেখানে কার্বন ট্রেডিং তুলনামূলকভাবে কার্যকর। যেমন- সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ, মিথেন গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। কিন্তু প্রকৃতির সব মূল্য কার্বনের মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, একটি ম্যানগ্রোভ বন শুধু কার্বন সংরক্ষণ করে না; এটি ঘূর্ণিঝড় থেকে সুরক্ষা দেয়, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষা করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকা নিশ্চিত করে। শুধু কার্বনের মূল্য নির্ধারণ করলে এই বহুমাত্রিক সুবিধাগুলো উপেক্ষিত হতে পারে।

একইভাবে, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি কিংবা দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রম জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রচলিত কার্বন বাজারে এগুলোর অর্থায়নের সুযোগ সীমিত।

বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনা : বাংলাদেশের জন্য কার্বন বাজারে অংশগ্রহণের বেশ সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন বিপুল কার্বন শোষণ ও সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এ ছাড়া সামাজিক বনায়ন, কৃষিবনায়ন, পুনর্বনায়ন এবং বন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম কার্বন অর্থায়নের আওতায় আসতে পারে। সৌরশক্তি, বায়োগ্যাস, পরিচ্ছন্ন রান্নার প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মিথেন নির্গমন হ্রাস এবং জ্বালানি দক্ষ অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সুবিধা অর্জন করতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা ও সুশাসনের মাধ্যমে কার্বন অর্থায়ন গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে, সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হতে পারে।

যে ঝুঁকিগুলো এড়াতে হবে : তবে বাংলাদেশকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এগোতে হবে। প্রথমত, কার্বন ট্রেডিংকে কখনোই উন্নত দেশগুলোর জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন সহায়তা কিংবা ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের দায়িত্বের বিকল্প হিসেবে দেখা যাবে না। দ্বিতীয়ত, শক্তিশালী সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্বল পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতার অভাব প্রতারণা, বৈষম্য এবং জনআস্থার সঙ্কট সৃষ্টি করতে পারে। তৃতীয়ত, স্থানীয় জনগণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। ভূমির অধিকার, জীবিকা, অংশগ্রহণ এবং ন্যায্য সুবিধা নিশ্চিত না করে কোনো কার্বন প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে পারে না। চতুর্থত, আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। কার্বন ক্রেডিটের মূল্য অস্থির; তাই জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা কখনোই এই বাজারের আয়ের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়।

সামনে এগোনোর পথ : কার্বন ট্রেডিং কোনো জাদুকরি সমাধান নয়, আবার এটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ ধারণাও নয়। এটি একটি নীতি-উপকরণ, যার সাফল্য নির্ভর করে এর সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা এবং ন্যায়সঙ্গত বাস্তবায়নের ওপর। বাংলাদেশের উচিত কৌশলগতভাবে কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ করা, তবে একই সাথে জলবায়ু ন্যায়বিচার, পরিবেশগত অখণ্ডতা এবং সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া। কার্বন ট্রেডিংকে অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, প্রতিবেশব্যবস্থার সুরক্ষা এবং জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গঠনের বৃহত্তর লক্ষ্যের পরিপূরক হিসেবে দেখতে হবে।

কারণ বাস্তবতা হলো, কেবল কার্বন কেনাবেচা করে পৃথিবীকে জলবায়ু সঙ্কট থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানুষ ও প্রকৃতির প্রতি সম্মিলিত দায়বদ্ধতা। প্যারিস চুক্তির অধীনে বৈশ্বিক কার্বন বাজারের কাঠামো যখন দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে— এমন একটি মডেল গড়ে তোলা, যা পরিবেশগত স্থায়িত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জলবায়ু সমতার নীতিকে সমান গুরুত্ব দেয়। আমাদের লক্ষ্য শুধু কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ নয়; বরং নিশ্চিত করা যে এই ব্যবস্থা দেশের জনগণ, বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করে এবং একটি নিরাপদ, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখে।

লেখক : পরিবেশবিজ্ঞানী

[email protected]