প্রতি বছর জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে কর, ভর্তুকি, ঘাটতি, ঋণ এবং ব্যয় বরাদ্দ। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন খুব কমই করা হয়— জাতীয় বাজেটের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? দীর্ঘদিন ধরে আমরা বাজেটের আকার, করের হার এবং ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধিকে অগ্রগতির সূচক হিসেবে দেখেছি। কিন্তু বড় বাজেট সব সময় বড় ফল নিশ্চিত করেনি। বহু ক্ষেত্রে উচ্চ করের বোঝা, বাস্তবায়নের দুর্বলতা, প্রকল্প ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, সময়ক্ষেপণ, অপচয় এবং দুর্নীতির কারণে জনগণ প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে প্রশ্ন উঠেছে— বাজেট কি শুধু অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয়ের হিসাব, নাকি এটি জাতীয় সক্ষমতা, উৎপাদনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি গড়ে তোলার একটি কৌশলগত হাতিয়ার? একটি বাজেটের সাফল্য আকারে নয়; বরং নির্ভর করে কতটা দক্ষ জনবল, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারে তার ওপর।
বাজেট, কর আরোপ ও সংসদীয় জবাবদিহি
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাজেট শুধু অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক দলিল নয়; এটি জনগণের অর্থ, অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জাতীয় সিদ্ধান্ত। বাজেট প্রণয়নে অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কারিগরি ভূমিকা পালন করতে পারে, কিন্তু কর আরোপের চূড়ান্ত বৈধতা আসতে হবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে। কারণ, কর দেন জনগণ, আর জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে সংসদ।
সেই কারণে নতুন কর আরোপ, করের হার বৃদ্ধি, কর অব্যাহতি প্রত্যাহার কিংবা কর কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের মতো সিদ্ধান্ত নিয়মিতভাবে নির্বাহী আদেশ বা এসআরওর মাধ্যমে নয়, সংসদীয় অনুমোদনের ভিত্তিতে নেয়া উচিত।
একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি শুধু বেশি রাজস্ব সংগ্রহে নয়; বরং কর ও ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সংসদীয় তদারকি এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্যে নিহিত। কর শুধু রাজস্বের বিষয় নয়; এটি জনগণের অধিকার, গণতান্ত্রিক বৈধতা এবং রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের সামাজিক চুক্তির বিষয়।
জাতীয় বাজেটের প্রচলিত কাঠামো মূলত রাজস্ব সংগ্রহ, ব্যয় ব্যবস্থাপনা, ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই পদ্ধতি সরকার পরিচালনা, জনসেবা প্রদান এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন বাজেটের প্রধান লক্ষ্য রাজস্ব আহরণ ও ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন মানবসম্পদ উন্নয়ন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টির মতো বিষয়গুলো প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায় না। ফলে বাজেট অনেক সময় আর্থিক ব্যবস্থাপনার দলিল হয়ে থাকে; কিন্তু জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলগত রূপরেখায় পরিণত হতে পারে না। একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতায় বাজেটকে শুধু অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয়ের পরিকল্পনা নয়; বরং জনশক্তির সক্ষমতা, উৎপাদনশীলতা, অর্থনৈতিক শক্তি, রাষ্ট্রক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় সমৃদ্ধি গঠনের কৌশলগত জাতীয় দলিল হিসেবে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
রাজস্বকেন্দ্রিক বাজেটব্যবস্থার প্রধান সীমাবদ্ধতা— এটি জাতীয় সক্ষমতা ও সম্পদ সৃষ্টির চেয়ে রাজস্ব আহরণ, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ঘাটতি নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ফলে মানবসম্পদ উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক শক্তিগঠনের বিষয়গুলো প্রায়ই প্রান্তিক হয়ে পড়ে। পরিণামে বাজেট জাতিগঠনের কৌশলগত হাতিয়ার না হয়ে রাজস্ব, ব্যয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনার একটি প্রশাসনিক অনুশীলনে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু একটি জাতির প্রকৃত শক্তি রাজস্বের পরিমাণে নয়; নির্ভর করে তার নাগরিক সক্ষমতা, উৎপাদনশীলতা এবং প্রতিযোগিতামূলক শক্তির ওপর। বেশি কর আদায় কোনো জাতিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমৃদ্ধ বা শক্তিশালী করে না। একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার জনশক্তি দক্ষ, কর্মক্ষম, উদ্ভাবনী এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়ে ওঠে। যে জাতি নিজের জনশক্তিকে জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে, সেই জাতি দীর্ঘমেয়াদে বেশি সম্পদ, অধিক রাষ্ট্রক্ষমতা এবং সমৃদ্ধি অর্জন করে। তাই জাতীয় শক্তির প্রকৃত ভিত্তি করের হার নয়; দক্ষ জনবল, উৎপাদনশীল অর্থনীতি এবং সক্ষম রাষ্ট্রব্যবস্থা।
বাংলাদেশ আজ একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আমাদের আছে বৃহৎ যুবশক্তি, বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং দ্রুত অর্থনৈতিক রূপান্তরের সম্ভাবনা। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উৎপাদনব্যবস্থায় যে পরিবর্তন ঘটছে, তা বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগের দ্বার খুলে দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি বাড়ছে, শিল্প ও সেবা খাত নতুন কর্মশক্তির সন্ধান করছে এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা তৈরি করছে। এক্ষেত্রে সঠিক নীতি, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের যুবসমাজ বিশ্ববাজারে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক কর্মশক্তিতে পরিণত হতে পারে।
এই সম্ভাবনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবে রূপ নেবে না। কর্মসংস্থান, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা, জলবায়ু ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। যদি যুবসমাজকে দক্ষতা, প্রযুক্তি জ্ঞান, ভাষাগত সক্ষমতা, শৃঙ্খলা এবং উদ্ভাবনী চিন্তায় সমৃদ্ধ করতে আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে জনসংখ্যাগত সুবিধা চাপে পরিণত হতে পারে। যদি আমরা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, গবেষণা, ডিজিটাল দক্ষতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ তৈরিতে বিনিয়োগ করি, তাহলে জনসংখ্যাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হবে।
একবিংশ শতাব্দীতে প্রাকৃতিক সম্পদের চেয়ে মানবসম্পদ বেশি মূল্যবান। আগামী কয়েক দশকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য তৈরী পোশাক নয়; বরং দক্ষ মানবল হতে পারে। যে দেশ যুবসমাজকে দক্ষতায় রূপান্তর করে, সে দেশ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে; আর যে দেশ তা করতে ব্যর্থ হয়, ওই রাষ্ট্র ভবিষ্যতের চাপে নতিস্বীকার করে। দক্ষ জনবলই উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে, উৎপাদনশীল অর্থনীতি সৃষ্টি করে অর্থনৈতিক শক্তি। আর অর্থনৈতিক শক্তি গড়ে তোলে রাষ্ট্রক্ষমতা ও জাতীয় সমৃদ্ধি। বাংলাদেশের সামনে সেই সুযোগ এখনো উন্মুক্ত আছে। প্রয়োজন সঠিক অগ্রাধিকার, দ্রুত পদক্ষেপ এবং একটি জাতীয় অঙ্গীকার— দক্ষ জনশক্তি, শক্তিশালী রাষ্ট্র। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ প্রাকৃতিক সম্পদ বা বিদেশী সহায়তা নয়; সবচেয়ে বড় সম্পদ মানবসম্পদ।
এ দৃষ্টিকোণ থেকে একটি দূরদর্শী ও জনমুখী বাজেটের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত জনবলকে দক্ষ, উৎপাদনশীল এবং বিশ্বমানের মানবসম্পদে রূপান্তর করা। এ জন্য শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মশক্তি উন্নয়নকে ব্যয় নয়, জাতীয় সম্পদ সৃষ্টির বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সরকার বেশি ব্যয় করলেই একটি দেশ সমৃদ্ধ হয় না; সমৃদ্ধ হয় তখন, যখন নাগরিকরা বেশি দক্ষ, বেশি উদ্ভাবনী এবং বেশি উৎপাদনশীল হয়ে ওঠে। সুতরাং মানবসম্পদ উন্নয়ন কোনো সামাজিক কর্মসূচি নয়— এটি অর্থনৈতিক শক্তি, রাষ্ট্রক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় সমৃদ্ধির ভিত্তি।
সুতরাং জাতীয় বাজেটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে একটি অপরিবর্তনীয় রাষ্ট্রগঠনমূলক সমীকরণ. দক্ষ জনবলমউৎপাদনশীল অর্থনীতিমঅর্থনৈতিক শক্তিমরাষ্ট্রক্ষমতামজাতীয় সম্পদ।
যে বাজেট নাগরিকদের দক্ষ করে না, উৎপাদনশীলতা বাড়ায় না এবং ভবিষ্যৎ সম্পদ সৃষ্টি করে না, সে বাজেট জাতীয় শক্তি বাড়াতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি রাজস্বের পরিমাণে নয়; নির্ভর করে তার নাগরিক সক্ষমতা, অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ সম্পদ সৃষ্টির ক্ষমতায়। তাই বাজেটের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শুধু অর্থ ব্যয় নয়; বরং দক্ষ জনবল, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং সক্ষম রাষ্ট্রগঠন।
উন্নয়ন ব্যয়ের মূল্যায়ন টাকা খরচের পরিমাণ দিয়ে নয়, সৃষ্ট ফল দিয়ে হতে হবে। যে প্রকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেই প্রকল্পই অগ্রাধিকার পাবে। উন্নয়নের উদ্দেশ্য ব্যয় নয়; সম্পদ সৃষ্টি, অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রক্ষমতা সুদৃঢ় করা।
জাতীয় নিরাপত্তা আজ আর শুধু সামরিক শক্তির প্রশ্ন নয়। খাদ্য, জ্বালানি, পানি, সাইবার সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা— এসবই আধুনিক রাষ্ট্রশক্তির মৌলিক স্তম্ভ। যে বাজেট এসব নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, সে বাজেট সাময়িক প্রবৃদ্ধি আনতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় শক্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে না। কারণ সঙ্কটের সময় একটি জাতির প্রকৃত সক্ষমতা তার জিডিপি নয়; বরং খাদ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রস্তুতির মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। তাই জাতীয় বাজেটের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন নয়; বরং নিরাপত্তা, স্থিতিস্থাপকতা, আত্মনির্ভরতা এবং রাষ্ট্রক্ষমতার ভিত্তি সুদৃঢ় করা।
আমাদের সামনে প্রকৃত প্রশ্ন উচ্চ কর নাকি নিম্ন কর, বড় বাজেট নাকি ছোট বাজেট— সেটি নয়। প্রকৃত প্রশ্ন হলো, আমরা কি বাজেটকে কেবল রাজস্ব আহরণ, ব্যয় নির্বাহ ও ঘাটতি ব্যবস্থাপনার একটি প্রশাসনিক দলিল হিসেবে দেখব, নাকি এটিকে জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের কৌশলগত রূপরেখায় রূপান্তর করব। কারণ একটি জাতির অগ্রগতি নির্ধারিত হয় না কত কর আদায় করা হয়েছে বা কত অর্থ ব্যয় করা হয়েছে তার দ্বারা; নির্ধারিত হয় কত দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হয়েছে, কত উৎপাদনশীলতা সৃষ্টি হয়েছে, কত নতুন সম্পদ তৈরি হয়েছে এবং কতটা রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জিত হয়েছে তার দ্বারা।
তাই বাজেটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে মানুষ, দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ সম্পদ সৃষ্টি। রাজস্ব হবে ফল, উদ্দেশ্য নয়; ব্যয় হবে বিনিয়োগ, ভোগ নয়; আর উন্নয়ন হবে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যে বাজেট জনগণকে দক্ষ করে, উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং ভবিষ্যৎ সম্পদ সৃষ্টি করে, সেই বাজেটই একটি শক্তিশালী অর্থনীতি, সক্ষম রাষ্ট্র এবং সমৃদ্ধ জাতির ভিত্তি স্থাপন করে। সুতরাং নতুন বাজেট দর্শনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত— দক্ষ জনগণ, উৎপাদনশীল অর্থনীতি, শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সমৃদ্ধি।
বাংলাদেশের সামনে আজ এক ঐতিহাসিক সুযোগ রয়েছে— দক্ষ জনগণ, উৎপাদনশীল অর্থনীতি, শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। এই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে আমরা শুধু একটি সম্ভাবনা হারাব না; হারাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রাপ্য উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সক্ষমতার ভিত্তি। তাই সময় এসেছে রাজস্বকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে জাতীয় সক্ষমতাকেন্দ্রিক বাজেট দর্শনে উত্তরণের।
লেখক : সাবেক সদস্য, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি (অর্থ মন্ত্রণালয়)


