২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮ ফাল্গুন ১৪৩০, ১০ শাবান ১৪৪৫
`

জাতীয় সংহতি ও জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান - ফাইল ছবি

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পাশাপাশি জাতীয় সংহতি অর্জনে এই দিনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭৫ সাল দেশের ইতিহাসে অনেক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে। নানা অপ্রীতিকর আর অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার মধ্য দিয়ে পার হয় বছরটি।

১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে সেনাবাহিনীতে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও ছিল সমন্বয়হীনতা। প্রকতৃপক্ষে বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত এই চার বছর সেনাবাহিনী এমনকি সামগ্রিক বাংলাদেশে বিরাজ করছিল চরম অস্থিতিশীলতা। সেনাবাহিনীর জন্য ছিল ঘটনাবহুল সময়। তার ওপর ১৯৭৫ সালে জানুয়ারিতে বাকশাল কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের শিশু গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। অভ্যুত্থান পাল্টা-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পার হয় আগস্ট থেকে নভেম্বরের পুরো সময়টি। নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যেমে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দৃঢ় হাতে হাল ধরেন। সেনাবাহিনীসহ সামগ্রিকভাবে দেশে সংহতি সাধনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র বানানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরেই গোপন কার্যক্রম চালিয়ে এসেছিল জাসদ। রাজনৈতিক মাঠে এবং সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে যুগপৎভাবে চালিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টা। কিন্তু রাজনৈতিক মাঠে বিপর্যস্ত ও পর্যুদস্ত হয়ে সৈনিকদের নিয়ে ‘বিপ্লব’ করার বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করে। আর এসব কর্মপরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কর্নেল তাহের। সৈনিকদের নিয়ে গড়ে তোলা হয় ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’ নামে একটি গোপন সংগঠন। বিদ্যমান সামরিক আইনে এ ধরনের একটি গোপন সংগঠন গড়ে তোলা ছিল বড় অপরাধ। এই সংগঠন সমাজতান্ত্রিক আদর্শ প্রচার করে সৈনিকদের মধ্যে একধরনের বিপ্লবী মনোভাব তৈরি করে। এর মধ্যেই ৩ নভেম্বর ভারতপন্থী হিসেবে পরিচিত ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল সাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান ঘটে। সেনাপ্রধানের পদ থেকে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সরানো হয় এবং তাকে গৃহবন্দী করা হয়। ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিয়ে চলতে থাকে রাজনৈতিক কার্যক্রম। এ কয়দিন দেশে কোনো সরকারের উপস্থিতি উপলব্ধি করেনি দেশবাসী। এক দিকে প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক অন্য দিকে অভ্যুত্থানকারী খালেদ মোশাররফ। কে সরকার পরিচালনা করছেন তা সাধারণ জনগণের কাছে ছিল অস্পষ্ট।

ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিভাজন। এই বিভাজন এক দিকে যেমন সৈনিক-অফিসার বিভাজন, একই সাথে ছিল অফিসারদের মধ্যেও। শহীদ জিয়াকে পদচ্যুত করায় সেনাবাহিনীর একটি বিরাট অংশ খালেদ মোশাররফের বিরুদ্ধে মানসিকভাবে অবস্থান গ্রহণ করে। সেনাবাহিনীতে ব্যাটম্যান প্রথার কারণে সাধারণ সৈনিকরা কিছুটা মনোক্ষুণœ ছিল। কেননা, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাটম্যানদের অসৈনিকসলুভ কাজে কিংবা পারিবারিক কাজে নিয়োজিত করা হতো। আর কর্নেল তাহেরের জাসদ সাধারণ সৈনিকদের বোঝাতে শুরু করল কেন তুমি অফিসারদের জন্য খাটবে। এ ধারণায় সাধারণ সৈনিকরা উদ্বুদ্ধ হয়। প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠে। যার প্রতিফলন দেখা যায় ৬ নভেম্বর দিবাগত রাত ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার’ আন্দোলনের সময়। এ সময় তারা একটি স্লোগান দিয়েছিল ‘সিপাহি-সিপাহি ভাই ভাই, অফিসারদের রক্ত চাই’। এ থেকে বোঝা যায়, সৈনিকদের মধ্যে একধরনের উগ্র মানসিকতা তৈরি হয়েছে। যার পেছনে কর্নেল তাহেরের ভূমিকা ছিল মুখ্য। বিপ্লবের নামে একধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম শুরু করে সৈনিকরা। কিছু সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। তবে এটি সত্য যে, এ ধরনের বিপ্লবী চেতনায় খুব কম সৈনিকই উদ্বুদ্ধ হয়। দেশপ্রেমিক সৈনিকরা সেনাবাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ ভাঙার পক্ষপাতী ছিলেন না। তারা সেনাবাহিনীর কমান্ড দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তাদের হাতে রাখার পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তা ছাড়া ক্যাপ্টেন-মেজর এসব র্যাংকে অনেক অফিসার ছিলেন যারা জেনারেল জিয়াউর রহমানের অন্ধ ভক্ত ছিল। তাই তারা জিয়াউর রহমানকে বন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করে তাকে নেতৃত্বের আসনে পুনর্বহাল করে।

উল্লেখ করার প্রয়োজন যে, কর্নেল তাহের সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কিংবা সমাজ পরিবর্তনের জন্য সৈনিক বিদ্রোহের যে পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন তার তিনটি দুর্বলতা ছিল। প্রথমত এই বিদ্রোহ বিপ্লবের দিকে না গিয়ে সঙ্ঘাত, সংঘর্ষ আর ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের দিকে ধাবিত হয়। দ্বিতীয়ত তার এই কার্যক্রম সম্পর্কে এক দিকে যেমন জনগণ অবহিত ছিল না তেমনি অধিকাংশ সৈনিকও ছিল অসচেতন। তৃতীয়ত সামগ্রিক বিপ্লব সম্পর্কে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সাধারণ জনগণ ও সৈনিকদের মধ্যে যে ধরনের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার প্রয়োজন ছিল তা তার মধ্যে এবং তার দল জাসদের ছিল না। পক্ষান্তরে সাধারণ সৈনিকদের মধ্যে জেনারেল জিয়াউর রহমান ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। তা ছাড়া সৈনিকদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের কাছেও ছিল তার ব্যাপক পরিচিতি। ফলে খুব সহজেই বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে সামগ্রিক বিপ্লবের নেতৃত্ব জিয়াউর রহমান নিজের হাতে তুলে নিতে সক্ষম হন।
অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস তার বিখ্যাত ‘বাংলাদেশ : এ লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এই বিপ্লবকে নিম্নোক্তভাবে বিশ্লেষণ করেছেন- ‘রাত দেড়টায় জোয়ানরা রেডিও স্টেশন দখল করে নেয়। তারা কর্মরত রাত্রিকালীন কর্মীদের জানায়, জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিপাহি বিপ্লব শুরু হয়ে গেছে এবং তা চলতে থাকবে। বিস্মিত কর্মকর্তারা তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। তারা যখন বুঝতে পারল, সৈন্যরা এবার তাদের হুমকির কারণ নয় তখন তারাও ওদের আনন্দে-উল্লাসে যোগ দেয়। উল্লসিত কিছু সৈনিক আর বেসামরিক লোক নিয়ে কতকগুলো ট্যাংক ঢাকা শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় চলাচল করতে দেখা যায়। এবার ওই ট্যাংক দেখে লোকজন ভয়ে না পালিয়ে, ট্যাংকের সৈনিকদের সাথে একাত্ম হয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। তিন দিন ধরে তারা মনে করছিল, খালেদ মোশাররফকে নিয়ে ভারত তাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

এতক্ষণে তাদের সেই দুঃস্বপ্ন কেটে গেল। জনতা সৈনিকদেরকে দেশের ত্রাণকর্তা বলে অভিনন্দিত করে। সর্বত্রই জোয়ান আর সাধারণ মানুষ খুশিতে একে অপরের সাথে কোলাকুলি শুরু করে। রাস্তায় নেমে সারা রাতভর স্লোগান দিতে থাকে। আল্লাহু আকবার, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জেনারেল জিয়া জিন্দাবাদ ইত্যাদি। অবস্থা দেখে মনে হয়েছিল ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের গণজাগরণের মতো জনগণ আবার জেগে উঠেছে। ওটা ছিল সত্যই একটি স্মরণীয় রাত।’

শহীদ জিয়া সৈনিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন। চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান। ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যে বিপ্লব শুরু হয়েছিল সেটিকে তিনি অনেকটাই স্থিতিশীল পর্যায়ে ফেরত আনার উদ্যোগ নেন। বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্য সংখ্যা ছিল সীমিত। তারা বিপ্লবকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়। জেনারেল জিয়ার ব্যক্তিগত পরিচিতি ও আবেদনের সামনে সৈনিক সংস্থার ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম উড়ে যায়। শহীদ জিয়া তার ব্যক্তিগত দক্ষতা, যোগ্যতা, নেতৃত্ব আর বিচক্ষণতা দিয়ে ধীরে ধীরে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায় সেনাবাহিনী। রেডিওতে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে জেনারেল জিয়া, ৩ তারিখের অভ্যুত্থানে বন্ধ হয়ে যাওয়া অফিস আদালত, বিমানবন্দর, মিল-কারখানা ইত্যাদি পুনরায় খুলে কাজ করতে অনুরোধ জানান। তার ভাষণে সর্বস্তরের জনগণের ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা যায়। অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস তার বইতে এ বিষয়ে উল্লেখ করেন, ‘জিয়ার সংক্ষিপ্ত আবেগপূর্ণ এবং সময়োচিত ভাষণ সারা দেশে জাতীয়তাবাদের জোয়ার বইয়ে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে এর আগেও একবার তিনি জনমনে আশার সঞ্চার করেছিলেন। এবারও তিনি আর একবার বাংলাদেশকে পুনঃস্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণের সুযোগ দিলেন।’

৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বিজয় দিবস বললেও ভুল হবে না। বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য, ফ্যাসিবাদ, পরমুখাপেক্ষিতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নাম ৭ নভেম্বর। এ দিন সৈনিক-জনতার ঐক্যের মাধ্যমে দেশ বিশৃঙ্খলা, পরনির্ভর শাসন ও ফ্যাসিবাদী গণতান্ত্রিক শাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।

সিপাহি-জনতার বিপ্লবের নায়ক এ দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী এবং জনগণ। আর এই বিপ্লবের মহানায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এর মধ্যমেই শহীদ জিয়া দেশের জনগণের কাছে আসার সুযোগ পেয়েছেন। দেশের উন্নয়নে রেখেছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা। তিনি দেশ গঠন ও উন্নয়নে যে ভূমিকা পালন করেছেন তা তাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করে।

আমাদের দেশ আজ নানা মতাদর্শে, নানা দলে বিভক্ত। জাতীয় ইস্যুগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেই ঐক্য। সঙ্কীর্ণ দলীয় স্বার্থের কাছে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ বলির পাঁঠা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে রয়েছে বিভ্রান্তি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, বিপক্ষের শক্তি বলে দেশকে বিভাজন করা হয়েছে। ধর্মের নামেও করা হয়েছে বিভক্তি। স্বাধীনতার ঘোষণাকে করা হয়েছে সংবিধানের খাতায় বন্দী। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানকি ধারাবাহিকতার নামে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গলায় শিকল পরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। শহীদ জিয়া শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেছে তা আজ বাকশালী থাবায় ক্ষতবিক্ষত। এতসব সমস্যা, সঙ্কট ও বিভ্রান্তি নিয়ে একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। এর সমাধানের জন্য প্রয়োজন জাতীয় সংহতি। প্রয়োজন জাতীয় ঐকমত্য। প্রয়োজন সব মতাদর্শের মধ্যে সমন্বয়। তাহলে রাষ্ট্রব্যবস্থা থাকে স্থিতিশীল, উন্নয়ন হয় ত্বরান্বিত। তাই সময় এসেছে নতুন করে ভাববার। প্রয়োজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশগঠন ও জাতি গঠনের দর্শন সম্পর্কে পর্যালোচনা।

নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের দেশে নতুন করে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন। বাকশালী ভূত আবার জাতির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ঐকমত্যের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। দেশের স্বার্থকে জনগণের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ আর দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য ও সংহতি গড়ে তোলাই হোক ৭ নভেম্বরের চেতনা।

লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


আরো সংবাদ



premium cement
মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ জামায়াতের আলোচনা সভা টাঙ্গাইল আইনজীবী সমিতি নির্বাচন : বিএনপি ৮, আ’লীগ ৬ পদে জয়ী গত বছর বিশ্বব্যাপী হাম ৭৯ শতাংশ বেড়েছে : ডব্লিউএইচও বেনাপোলে ২ বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা ২ চিকিৎসক গ্রেফতার, বন্ধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ভাষা শহীদের প্রতি হাটহাজারী বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদন নোয়াখালীতে ভাষা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা আমরা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকার হারা : রিজভী নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিক হত্যা মামলার আসামির কারাগারে আত্মহত্যা বাড়তে পারে রাতের তাপমাত্রা, অপরিবর্তিত থাকবে দিনে শহীদ মিনারে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের পুষ্পস্তবক অর্পণ

সকল