৩০ মে ২০২০

কামাল পাশা হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন

-

ঢাকার মিরপুরের মাজার রোডে দেওয়ান কামাল পাশা ওরফে দিপু (২৩) হত্যার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ৯ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো: মনির কামাল জনাকীর্ণ এক আদালতে এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো: নাছিম, আব্দুল মালেক ওরফে কানা মালেক, জয়নাল আবেদীন, ইকবাল হোসেন ওরফে সেন্টু, জোহরা হক, ইয়াছিন, আবুল হাসেম, দুলাল ড্রাইভার ও মো: সেলিম।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিতদের মধ্যে মো: নাছিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর নাছিমকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

১৯৯৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে ঢাকার মিরপুরস্থ দ্বিতীয় কলোনি মাজার রোডের মজিবর রহমানের দোকানের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। দোকানের সামনে বন্ধু আলী হোসেন ও শুভর সাথে বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আলাপ করছিলেন দিপু। রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি বেবিট্যাক্সিতে তিনজন অজ্ঞাত যুবক আসে। তাদের মধ্যে একজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছুরি দিয়ে দিপুর বুকের নিচে বাম পাশে আঘাত করে। এরপর তারা বেবিট্যাক্সিতে করে চলে যায়। দিপুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা দেওয়ান আব্দুর রহমান মিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের পর সিআইডির পরিদর্শক মো: নাসির উদ্দিন পাইক ২০০৩ সালের ২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। ২০০৫ সালের মার্চ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই বছরের ১৫ মে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল মামলার বিচারকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণরত অবস্থায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী নির্ধারিত কার্যদিবস শেষ হওয়ায় পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে। সেখানে আরো ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরপর আবার মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে ট্রাইব্যুনাল অবশিষ্ট বিচার শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন।


আরো সংবাদ