২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ১১ শাবান ১৪৪৫
`

মেসির রেকর্ডের দিনে আর্জেন্টিনার গোল উৎসব

লিওনেল মেসি - ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ের ঠিক ১০০ দিন পর জাতীয় দলের হয়ে শততম গোল স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি। আকাশী-নীল জার্সিতে গোল সংখ্যা তিন অংকে পৌঁছানোর দিনে তিনটি গোলও করেছেন তিনি, বলা যায় দিনটাকে স্মরণীয় করে রেখেছেন মেসি। সুবাদে আর্জেন্টিনাও পেয়েছে কিরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-০ গোলের বিশাল জয়।

কিরেসাও আন্তর্জাতিক ফুটবলে পরিচিত নাম না হলেও দুর্বল কোনো দল নয়, র‍্যাঙ্কিংয়ে ৮৬তম স্থানে আছে তারা। সেই কিরাসাওকে গোল বন্যায় ভাসাল কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। মেসির তিন গোল ছাড়াও বাকি চার গোল করেছেন নিকোলাস গনসালেস, এনসো ফের্নান্দেস, আনহেল দি মারিয়া ও গনসালো মনতিয়েল।

বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে পাত্তাই পায়নি কিরাসাও, যেখানে আর্জেন্টিনা দল লক্ষ্যনুযায়ী গোলমুখে শট নিয়েছে ১৭ বার, সেখানে তারা পুরো ম্যাচে গোলমুখে শট নিতে পারেনি একটিও।

৯৯* গোল নিয়ে আজ মাঠে নামেন মেসি, এক গোল করলেই প্রথম আর্জেন্টিনাইন হিসেবে শততম গোল স্পর্শ করার সমীকরণ ছিল তার সামনে। সেই সমীকরণ পূরণ হবার সুযোগ এসেছিল ১০ মিনিটেই, তবে মেসির জোরাল শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান কিরাসাও গোলরক্ষক।

অপেক্ষা অবশ্য দীর্ঘ হয়নি। ২০তম মিনিটেই জিওভানি লো সেলসোর পাসে বাঁ পায়ে বল জালে জড়ান এই পিএসজি তারকা। সুবাদে ইরানের আলী দাঈয়ি ও পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে শততম গোল করা ফুটবলার বনে গেলেন মেসি। দক্ষিণ আমেরিকানদের মাঝে প্রথম।

২০-৩৭তম মিনিটে পাঁচ-পাঁচটা গোল হজম করেছে তারা। হ্যাটট্রিক তুলে নেন লিওনেল মেসি। ৩৩ ও ৩৭তম মিনিটে বাকি দুটো গোল করেন তিনি। তার ক্যারিয়ারে ম্যাচের অর্ধ সময়ের আগে যা প্রথম হ্যাটট্রিক। যা আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৯ম ও সব মিলিয়ে ৫০তম হ্যাটট্রিক।

এদিকে ২৩তম মিনিটে হেডে বল জালে পাঠান ফিওরেন্তিনা ফরোয়ার্ড গনসালেস। আর ৩৫তম মিনিটে গোল করেন এনসো ফের্নান্দেস। যেই গোলেও অবদান আছে মেসির, তার পাস থেকেই গোল করেন তিনি। ৫-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিরতির পরও দাপট ধরে রাখে আর্জেন্টিনা, তবে একাধিক আক্রমণ ব্যর্থ হয়ে যায় তাদের। ৫৪তম মিনিটে মার্তিনেস এবং পরের মিনিটে গনসালেস ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। ফের ৭১তম মিনিটে মেসির থ্রু বল বক্সে পেয়েও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতে পারেননি গনসালেস।

৬৭তম মিনিটে লো সেলসোর বদলি নামা ডি মারিয়াও গোলের দেখা পান। ৭৮তম মিনিটে তার আদায় করে নেয়া পেনাল্টি থেকে সফল স্পট কিকে ব্যবধান বাড়ান তিনি। আর শেষ পেরেকটা ঠুকেন মনতিয়েল। ৮৭তম মিনিটে দিবালার পাস পেয়ে শেষ গোলটি করেন তিনি।


আরো সংবাদ



premium cement