১৮ এপ্রিল ২০২১
`

জাতিসঙ্ঘের শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে আরো অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের

-

জাতিসঙ্ঘের শান্তি বিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি বাংলাদেশের গভীর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

মঙ্গলবার জাতিসঙ্ঘ শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তা বাড়ানো বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের এক ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

জাতিসঙ্ঘের শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর কঠিনতম সময়েও শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান বিশ্বশান্তির প্রতি বাংলাদেশের সুদৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ। জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও শান্তি বিনির্মাণ পদক্ষেপে বাংলাদেশের অমূল্য অবদানের পাশাপাশি বাড়তি হিসেবে আর্থিক এই সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হলো।’

শান্তি বিনির্মাণ পদক্ষেপে বহু বছর ধরে তহবিল ঘাটতির বিষয়ে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শান্তি বিনির্মাণ অর্থায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরিভাবে দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানান।

শান্তি বিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত দুটি রেজুলেশনের উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের জরুরি সম্পদ সংগ্রহের সকল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন জুগিয়ে যাবে।’

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশসহ অনেক দেশের অর্থনীতিতে কোভিড-১৯-এর নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও সঙ্ঘাতপূর্ণ দেশগুলোর শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি তাদের জাতীয় অগ্রাধিকার।

সঙ্ঘাতপ্রবণ দেশগুলো যাতে শান্তি বিনির্মাণের ইতিবাচক ফলাফল ঘরে তুলতে পারে সে জন্য তাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বিনির্মাণ বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণের জন্য শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের আবশ্যকতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সমাজের সব অংশ সমানভাবে যাতে এই তহবিলের সুফল ভোগ করতে পারে অবশ্যই তা নিশ্চিত হতে হবে।’

শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের ২০২০-২০২৪ বিনিয়োগ কৌশলে স্বেচ্ছা অবদানকে উৎসাহিত করতে উচ্চ পর্যায়ের এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব, সিয়েরা লিওনের রাষ্ট্রপতি, সুদানের প্রধানমন্ত্রী এবং কানাডা ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনটির উদ্বোধন করেন।

এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র : ইউএনবি



আরো সংবাদ