১৫ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১, ৮ মহররম ১৪৪৬
`

কানাডা এ অঞ্চলে ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে

চট্টগ্রাম চেম্বারে কানাডিয়ান হাইকমিশনার
-

চট্টগ্রাম চেম্বার এবং কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের যৌথ আয়োজনে ‘কানাডা-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ’ বিষয়ক সভা গত রোববার সন্ধ্যায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস। এ সময় চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মো: রুহুল আমিন ও সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি মাসুদ রহমান, চেম্বার পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, প্রাক্তন পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা, জেএফের (বাংলাদেশ) সিইও রাহবার আলম আনোয়ার, হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার অ্যাঞ্জেলা ডার্ক এবং রিলায়েন্স এসেট্স্ অ্যান্ড ডেভেলাপমেন্টস (বিডি) লিমিটেডের পরিচালক ওমর মুক্তাদির বক্তব্য রাখেন।


হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির অংশ হিসেবে কানাডা এ অঞ্চলের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশ এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই কানাডার সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নের এখনই উপযুক্ত সময়। এ লক্ষ্যে দু’দেশের তিনজন করে ছয়জনের একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তিনি আরো বলেন-উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগে বৈচিত্র্যতা আনতে কানাডা আগ্রহী। তা ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ব্লু ও গ্রীণ টেকনোলজি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগে আগ্রহী কানাডা। বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক অঞ্চলে এফডিআই অর্থাৎ সরাসরি কানাডিয়ান বিনিয়োগ হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে শিগগিরই কানাডার ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে কানাডা। দু’দেশের মধ্যে প্রায় ২.২ থেকে ২.৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সংঘটিত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রায় ১.৩ থেকে ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি এবং কানাডা থেকে বাংলাদেশ ১.০ বিলিয়ন ডলার আমদানি করছে। বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রফতানি হলেও পণ্য বৈচিত্র্যকরণের জন্য নন-ট্রেডিশনাল পণ্যের জন্য কানাডার সহযোগিতা কামনা করেন।


কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি মাসুদ রহমান বলেন, বাংলাদেশে রয়েছে শুল্কমুক্ত সুবিধা। এ সুবিধা কাজে লাগাতে হলে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশে কানাডিয়ান বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা) কানাডায় কান্ট্রি ডেস্ক চালু করেছে। এ ছাড়া উভয় দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে দ্বিপক্ষীয় পলিসি এগ্রিমেন্টের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


আরো সংবাদ



premium cement