২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮ ফাল্গুন ১৪৩০, ১০ শাবান ১৪৪৫
`

বিক্রি হলো না রুবাইতের ১৪ গরু

বিক্রি হলো না রুবাইতের ১৪ গরু - ছবি : নাসিম সিকদার

অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ৩০টি গরু নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন হোসিউজ্জামান রুবাইত। কিন্তু ঈদের আনন্দের দিনে তিনি বুকভরা কষ্ট নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। গরু বিক্রি হয়েছে মাত্র ১৬টি। এখনো বাকি আছে ১৪টি। আরো কষ্টকর ব্যাপার হলো, একটি গরুও তিনি লাভে বিক্রি করতে পারেননি। যতই দিন গড়িয়েছে, লোকসান তত বেড়েছে। ফলে লোকসানের বোঝাই বহন করতে হচ্ছে তাকে। তিনি একা নন। আরো অনেককেই আজ ঈদের দিন গরু নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। সবার মুখই মলিন।

আমাদের ফটোগ্রাফার নাসিম শিকদারকে হোসাউজ্জামান রুবাইত বলেন, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার নিজের খামার থেকে তিনি ৩০টি গরু এনেছিলেন গোস্তগোলা হাটে। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই তার স্বপ্ন ভঙ্গ হতে থাকে। একটি গরুও তিনি লাভে বিক্রি করতে পারেননি। আশা ছিল, ঈদের আগে বাজার গরম হবে। কিন্তু বৃষ্টি পানিতে সেই আশা বুড়িগঙ্গার পানিতে মিশে গেছে।

তিনি জানান, এখনো সব হিসাব শেষ হয়নি। লোকসানের পরিমাণ হতে পারে ১০ লাখ টাকা।

তিনি ধারণা করছেন, শেষ দিকে অনেক ভারতীয় ও বার্মিজ গরু আসায় দামে ধস নেমেছে। কপাল পুড়েছে ব্যবসায়ীদের।

তিনি বলেন, গরুর খাবারের দাম আকাশচুম্বি। ফলে গরু পালন করাটা ব্যয়বহুল কাজ। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে বিক্রি করা যায় না।

রুবাইত বলেন, খামারে একেবারে ছোট গরু পালন করা সম্ভব নয়। যারা ৭০/৮০ হাজার টাকা দামের গরু বিক্রি করেন, তারা আসলে সেগুলো পুষেণ না। প্রতিবেশী দেশ বা অন্য কোনো উৎস থেকে ঈদের কয়েক দিন আগে কিনে হাটে বিক্রি করে দেন। খামারে এ ধরনের গরু পালন অর্থনৈতিকভাবেই সম্ভব নয়।

তিনি বাংলার ডন, শাহরুখ খান ইত্যাদি নামের বিশাল বিশাল গরু সম্পর্কে বলেন, এগুলো কেউ কেউ ব্র্যান্ডিং করার জন্য করে থাকে। এগুলো তেমন কাজের নয়।


আরো সংবাদ



premium cement