২৫ মার্চ ২০১৯

গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাজনীতিবিদ

-

বাংলা একাডেমির ইংলিশ-বেঙ্গলি ডিকশনারিতে ইংরেজি ‘পলিটিসিয়ানে’র অর্থ করা হয়েছে- ‘১. রাজনীতিবিদ, রাজনীতিক, রাজনীতিবিশারদ। ২. (মন্দ অর্থে) নীতির প্রশ্নে বাছবিচার না করে যে ব্যক্তি একমাত্র জীবিকারূপে রাজনীতি চর্চা করে, রাজনীতিজীবী, রাজনীতিবাজ।’

এর বিশ্লেষণে বলা যায়, প্রথম অর্থ শুধু নামবাচক এবং দ্বিতীয় অর্থ বেশ বিশ্লেষণাত্মক ও নিন্দাবাচক। অপর কথায় সংক্ষেপে বলা যায়, অভিধানটি রাজনীতি সম্পর্কে ভালো চিত্র আঁকেনি। আঁকতে হয়তো পারেনি সমগ্র বিষয় বিবেচনা করে। তবে রাজনীতিকে যেভাবে আঁকা হোক না, বিষয়টি সমগ্র জীবনজুড়ে আছে। তাই তা নিয়ে এত আলোচনা ও কর্মকাণ্ড।

তবে এ আলোচনা করতে হলে প্রথমেই মানুষ সম্পর্কে ভাবতে হবে। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করে অবিভাজ্য যে অধিকারগুলো দিয়েছেন, তার ওপর কোনো খবরদারি চলবে না বা সেগুলো কেড়ে নেয়া যাবে না। এ অধিকারগুলো হলো জীবন, স্বাধীনতা ও সুখের অন্বেষণ।

এর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’র (১৭৭৬) প্রণেতা থমাস জেফারসন, যিনি সে দেশের তৃতীয় প্রেসিডেন্টও ছিলেন। এই অধিকারগুলো সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয় সংবিধান এবং তার ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয় সরকার। সরকারের দায়িত্ব প্রধানত ছয়টি : ০১. ভালো সরকার পরিচালনা করা, ০২. এবং তা করার জন্য নিশ্চিত করতে হবে, ০৩. নিরাপত্তা, ০৪. প্রতিরক্ষা, ০৫. জবাবদিহিতা এবং ০৬. জনগণের সুখ ও স্বস্তি। রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব এই ছয়টি প্রধান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা। আসলে অক্সফোর্ড ডিকশনারি রাজনীতিবিদদের চমৎকার সংজ্ঞা দিয়েছে- ‘তারা হলেন এমন শ্রেণী, যারা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান এবং রাষ্ট্রের কল্যাণ চান।’ অর্থাৎ এর ব্যতিক্রম হলে একজন মানুষকে ‘রাজনীতিবিদ’ বলা যাবে না। কারণ তখন তিনি নিজের স্বার্থ দেখছেন এবং সেটাই উদ্ধার করছেন।

এ জন্যই রাজনীতিবিদদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সবাই লক্ষ রাখছেন। তিনি গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে আত্মনিয়োগ করেছেন কি না। নাকি দখলদারি নিয়ে ব্যস্ত? এই প্রশ্ন নিয়ে পক্ষ ও প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সত্যিকারের রাজনৈতিক লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বহু সঙ্ঘাত-সংঘর্ষ-অশান্তির মূলেও এই দখলদারির চেষ্টা।

যেমন রাজনীতিক হবেন দক্ষ, চিন্তাশীল, খোদাভীরু এবং সবার প্রিয়; তেমনি একজন বিশ্বাসী ও সক্রিয়। আসলে ইংরেজিতে ভালো রাজনীতিবিদ সম্পর্কে বহু শব্দের মাঝে দু’টি শব্দের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। তা হলো ‘ফেইথফুল’ ও ‘ইফেকটিভ’। কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংসদ অভিধানে ‘দ্য ফেইথফুলের’ অর্থ দেয়া হয়েছে ‘ধর্মে বা ঈশ্বরে বিশ্বাসী নরনারী, মুসলমান জাতি’। আর ‘ইফেকটিভ’ অর্থ হলো আটটি; যথাÑ সক্ষম, শক্তিমান, কার্যোপযোগী, কার্যকর, বাস্তবিক, বলবৎ, চালু ও সক্রিয়। অর্থাৎ একজন ভালো রাজনীতিবিদের এসব গুণ থাকতে হবে। এখানে মজার ব্যাপার হচ্ছে, ‘দ্য ফেইথফুল’ বলতে ‘মুসলমান জাতি’ বলা হয়েছে। কেউ প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে কি ‘দ্য ফেইথফুল’ অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে বুঝানো যায় না? এর জবাব অভিধানটির সঙ্কলক শৈলেন্দ্র বিশ্বাস এবং অপর চারজন বিদগ্ধ ব্যক্তি (যারা এই অভিধান সঙ্কলনে জড়িত) ভালো জানেন।

একজন আলোচক বলেছেন, রাজনীতি হচ্ছে ‘কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতার’ এক সামাজিক সম্পর্ক। আর রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রের নীতি প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণের বিষয়ে যুক্ত থাকেন। ফলে তারা প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকেন সাধারণ মানুষের জীবনে। সে জন্য একজন ভালো রাজনীতিবিদের জীবনে থাকতে হবে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বুদ্ধিমত্তা ও সততা; সেগুলোর সমন্বয়ে তারা জনগণের মঙ্গল সাধনে সচেষ্ট থাকবেন। তখন তারা সহজেই জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন। তাদের বিশেষভাবে সত্যের মূল নির্যাস ধারণ করতে হবে। এটা হতে হবে তার জীবনের অপরিহার্য বিষয়। কেননা এগুলো সাধারণ জনগণের আশা, আকাক্সক্ষা ও ইচ্ছার একান্ত অংশ। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, একজন রাজনীতিবিদের কথা ও কাজে সমন্বয় থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে সামান্যতম ফাঁক বা বিভেদ জনগণের কাছে অনেক সময় বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

একজন রাজনীতিবিদের প্রযুক্তিজ্ঞান ও অখণ্ডতা প্রয়োজন কারণ আজকের প্রযুক্তিনির্ভর জগতের মানুষকে এর সমস্যা ও সঙ্কট প্রতিমুহূর্ত সামনাসামনি করতে হচ্ছে। যেহেতু রাজনীতিবিদেরা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত, তারা এ বিষয়গুলো ভালোভাবে জানবেন এবং তার সমস্যা সমাধানকে আয়ত্ত করবেন। নতুবা তিনি যে আশ্বাস জনগণকে দেবেন, তা মূল্যহীন হয়ে তার প্রকৃত ইচ্ছা প্রকাশ হয়ে পড়বে। প্রকৃত ইচ্ছা কী? শুধু ক্ষমতা দখল ও নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য চেষ্টা- এটা শুরু করে সঙ্ঘাত, সমস্যা ও সঙ্কট।

যেহেতু একজন বিশ্বাসী ও সক্ষম রাজনীতিবিদ সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য বলে পরিচিত হন, তাই প্রতিমুহূর্তে তিনি কতখানি কাজে ও কথায় সমন্বয় রাখেন এবং রাখতে পারেন, তা পর্যবেক্ষণ করে জনগণ। একাজগুলো অনেক সময় রাজনীতিবিদেরা করেন না বা করতে পারেন না। তখনই সৃষ্টি হতে থাকে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাবলি। আর এগুলো ঢাকতে অথবা জনগণের দৃষ্টি এগুলো থেকে ফিরিয়ে নিতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়। এই মিথ্যার আকার নির্ভর করে রাজনীতিতে কী ব্যবহার করা হচ্ছে। যারা শুধু নিজের অথবা তার কাছের মানুষের কথাই ভাবেন, তারা সত্যিকার অর্থে রাজনীতিবিদ নন। তাদের ‘ভুয়া রাজনীতিবিদ’ বলা চলে। কেননা তারা মূল কর্মকাণ্ড থেকে বিচ্যুত। আর মূল কাজ হলো ‘জনগণের কল্যাণ’।

এ জন্যই সর্বত্র রাজনীতিবিদদের নৈতিক চরিত্রের ওপর এত জোর দেয়া হয়। কারণ নৈতিকতা আইনের চেয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বেশি শক্তিশালী বাধা। একজন ভালো ও নির্ভরযোগ্য রাজনীতিবিদ জনগণের সেবায় আনন্দ পান এবং নিজেকে জনগণের সত্যিকারের ভৃত্য বলে ভাবতে চান। তিনি কোনো ওয়াদা করলে তা পরিপূরণে সচেষ্ট থাকেন। এমন রাজনীতিকদের ওপর আস্থাও বেশি জনগণের। এক অনুসন্ধান চালানো হয় ‘গণতান্ত্রিক সমাজে ভালো রাজনীতিবিদদের কী গুণাবলি থাকা উচিত’ সে বিষয় সম্পর্কে। অর্ধশতাধিক দেশের সর্বত্রই এই নৈতিকতার ওপর জোর দেয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, রাজনীতিবিদ সত্যিকারের জনগণের কল্যাণে জন্য কাজ করেন, তারা তাদের জীবন সার্থক ও পরিপূর্ণ বলে ভাবেন। কেননা এসব রাজনীতিবিদ উপলব্ধি করেন, তাদের অনুসারীদের সংখ্যা নির্ভর করে তারা কতখানি নৈতিক।

অনৈতিক চরিত্রের একজন রাজনীতিবিদ ক্ষমতাবান বলে সাধারণত প্রতিভাত হয়ে থাকেন। এ জন্য যে তাদের স্বল্পসংখ্যক অনৈতিক অনুসারী সব সময় একটি ভীতির রাজ্য এবং অশান্ত সামাজিক অবস্থা সৃষ্টি করে একটি অবাস্তব অবস্থা চালু রাখেন। নৈতিক চরিত্রের রাজনীতিবিদ সর্বদাই নিঃস্বার্থ সেবাদানে প্রস্তুত থাকেন। তাদের জীবনে নিয়মানুবর্তিতা প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। তারা অন্যের জীবন ভালো এবং সুন্দর হোক, এটা চান। এমন মানুষের আধিক্য যদি কোনো সমাজে থাকে, সেখানে হানাহানি-সংঘর্ষসহ সব অনাকাক্সিক্ষত অবস্থা থাকে একেবারেই অনুপস্থিত। জনগণের জন্য নিঃস্বার্থ সেবাকে বিখ্যাত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল মানবীয় গুণের ‘প্রথম গুণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই গুণ অন্য সব অধিকারকে নিশ্চিত করে।

সে জন্য বলা হয়, জনগণের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ হচ্ছে মানুষকে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত জীবনের সব সুযোগ-সুবিধার সামান্য এক অংশ মূল্য দেয়া। এখানে আমেরিকার আরেক বিখ্যাত প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রণেতা থিওডোর রুজভেল্ট বলেছেন, ‘সেই রাজনীতিবিদ সবচেয়ে কৃতকার্য হন যিনি বুঝতে পারেন জনগণ কী ভাবছে এবং বলতে চাইছে এবং সেই মোতাবেক বক্তব্য দেন।’ তার একটি পরামর্শও উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেছিলেন, ‘যেসব রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে বা জনমনে সে ধারণা প্রকট, তাদের উচিত হবে এই অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণ করে অথবা এ দায় থেকে অব্যাহতি নিয়ে রাজনীতিতে আসা।’ নতুবা জনগণ তাদের গ্রহণ করবে না। একজন অনুসন্ধানী লিখেছেন- ‘রাজনীতিতে সঙ্ঘাতের সৃষ্টিও এখান থেকে। তারা নিজেদের শক্তিমান হিসেবে উপস্থিত করে জনগণকে ভয়ের মধ্যে রেখে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেয়। এ কাজটি অনেক সহজ। কারণ জনগণের সমর্থন পেতে হলে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হয়।’ একজন অনুসন্ধানী রাজনীতিবিদদের শিশুদের সাথে তুলনা করে লিখেছেন- ‘শিশুদের দায়িত্ববোধ শেখানোর জন্য যেমন সত্য, নৈতিক সংস্কৃতি, আন্তরিকতার ওপর জোর দেয়া হয়, তেমনি রাজনীতিবিদের উচিত হবে নিজেদের এবং জনগণের রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ সজাগ করা।’

নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে একজন রাজনীতিবিদ ওয়াকিবহাল থাকবেন তার দায়িত্ব ও করণীয় সম্পর্কে। এর প্রতিফলন হবে তার কথা ও কাজে। একজন রাজনীতিবিদ তার এলাকার কাজের জন্য নির্বাচিত হন অথবা সে কাজের জন্য তিনি যোগ্য, সে কথা প্রমাণের জন্য কাজ করেন। তিনি কখনো তার এলাকার বিরুদ্ধে কাজ করবেন না। সবার জন্য কাজ করার জন্য এবং জনগণের জন্য কাজ করতে সদা প্রস্তুত থাকেন। এর ব্যত্যয় হলে স্বাভাবিকভাবেই জনগণের আস্থা হারান। এটা সবার জানা, সবারই প্রতিপক্ষ থাকে এবং তারা সদা সজাগ একে অন্যের দুর্বল স্থানগুলোকে অঙুলি নির্দেশ করতে।

আধুনিক গণতন্ত্র যেমন নানা দলের কর্মকাণ্ডের ফসল, তাই দলের কর্মসূচি থাকতে হবে জনকল্যাণমুখী। এবং জনগণকে তা অনুভব করতে হবে। অবশ্য আধুনিক যুগে এবং তার আগেও প্রচার ও তার সংশ্লিষ্ট বহু কর্মকাণ্ড এবং চিত্রকে সঠিকভাবে জনগণের সামনে আসতে দেয় না। তবে ‘সত্য কখনো লুকানো যায় না’ বলে যে কথা আছে, তার প্রতিফলন প্রায়ই ঘটে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দেয় অশান্তি। অশান্তি সত্য-মিথ্যার লড়াইয়ের কারণে।

সুস্থ-সুন্দর গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা প্রধান। তাই জ্ঞান-শিক্ষা-নিয়মানুবর্তিতা আন্তরিকতা-নিঃস্বার্থ সেবার মনোবৃত্তি একজন রাজনীতিবিদের অবশ্যই থাকতে হবে। এ গুণহীন ব্যক্তি রাজনীতিতে কোনো স্বাক্ষর রাখতে পারে না। সে নিজ স্বার্থে কাজ করে রাজনীতিকে ব্যবহার করে রাজনীতিবিদের পরিচয়ে।

এ জন্যই জীবনের চারটি প্রধান অঙ্গের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন। এ চারটি অঙ্গ হলো- ‘স্বাধীনতা, বিচার, সুখ ও সত্য।’ যে প্রশ্নটি বারবার করা হয় তা হলো কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় সবাই এক শব্দে জবাব দিয়েছে- সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিচার। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকেরা বলেছেন, বিচার অনুপস্থিত থাকলে স্বাধীনতা, সুখ ও সত্য অস্থায়ী হয়ে পড়ে। সুখ মানুষের প্রধান লক্ষ্য। মানুষ সুখী থাকতে চায় এবং এ লক্ষ্যে পৌঁছার রাস্তা নির্মাণ করে স্বাধীনতা ও সত্য। যেমন স্বাধীনতা থাকলে বলার অধিকারও থাকে। দার্শনিক স্পিনোজা সতর্ক করেছিলেন এ কথা বলে- ‘সুখ আয়ত্ত করতে হলে অনেক কষ্ট ও চেষ্টারও প্রয়োজন। তবে এটা বিরল হলেও অত্যন্ত আনন্দপ্রদ।’

তবে ‘প্যারাডাইস লস্টে’ জন মিলটন আরেক চিত্রের অবতারণা করেছেন, যা মানবচরিত্রের একাংশ। আদম ও হাওয়া বেহেশতে সুখ ও আনন্দেই ছিলেন। নিরবচ্ছিন্ন আনন্দ সম্ভবত মানবচরিত্রের অংশ নয়। তাই তাঁরা সৃষ্টিকর্তার হুকুম অমান্য করে নিষিদ্ধ ফল খেলেন।
এ অবস্থা চলে আসছে, চলছে এবং চলবে। মানুষ তার নিজের গড়া সুখকে নিজেই অকেজো করবে। তবে বারবার প্রমাণিত হয় সত্য ও বিচার নির্ভর করে স্বাধীনতার ওপর। আর এই ত্রয়ীর সমন্বয়ে আসে সুখ। এ জন্যই অত্যাচারীরা বা দখলদাররা প্রথমে কেড়ে নেয় স্বাধীনতা।

লেখক রিক ক্যাম্পবেল তার বই ‘দ্য হ্যাপিনেস অব ট্রুথ’ উপন্যাসে সুখে থাকার চারটি পথ বাতলেছেন- (১) নিজেকে উজাড় করে দাও, (২) সদা সত্যের দিকে ধাবমান থাকো, (৩) কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না, (৪) সত্যই সুন্দর যেমন কবি কিটস বলেছেন (ট্রুথ ইজ বিউটি)। সুখ তখন নিজেই ধরা দেবে। কারণ তখন সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ বিরাজ করবে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al