২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ফলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ব্যয় বেড়েছে

রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ফলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ব্যয় বেড়েছে - ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ২০১৭ সালে বৈশ্বিক সঙ্কট ব্যবস্থাপনার মানবিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় ২৩.৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যা ছিল সর্বোচ্চ।আর বাংলাদেশে এক মিলিয়ন রোহিঙ্গা আশ্রয়দানের ফলে মানবিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে ভয়াবাহ বিপর্যয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যয় বেড়েছে।
বুধবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের ফোরামের সাধারণ আলোচনায় মো: শাহরিয়ার আলম একথা বলেন।
নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ -আমাদের পররাষ্ট্র নীতির এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকেই শান্তির সংস্কৃতির প্রবক্তা।
তিনি বলেন, ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদের সরকারের সময় জাতিসংঘে উত্থাপন করার পর বাংলাদেশের এই প্রস্তাব ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এজেন্ডাভুক্ত হয়, যা ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ‘ডিক্লারেশন অ্যান্ড প্রোগ্রাম অব অ্যাকশান অন কালচার অব পিস’ শিরোনামে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ইউনেস্কোর শুভেচ্ছা দূত ড. রিগোবার্তা মেনচু তুম। স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিরোস্লাভ লাইচ্যাক।
জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তার শেফ দ্যা কেবিনেট মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োট্টি।
শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের এই ফোরামের দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে ‘শান্তির সংস্কৃতি : টেকসই শান্তির নিশ্চিত পথ’ শিরোনামে এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ রোজম্যারি এ ডিকারলো, মেক্সিকোর স্থায়ী প্রতিনিধি জুয়ান জোসে গোমেজ ক্যামাচো, কেনিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি লাজারুস ওমবাই অ্যামায়ও, প্রখ্যাত শান্তি বিষয়ক শিক্ষাবিদ মিজ্ মারিয়ে পাওলি রোওডিল এবং অধ্যাপক মিজ্ র‌্যাচেল অ্যালেন।


আরো সংবাদ