১৯ মে ২০২২, ০৫ জৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩
`

মোদি নির্মূলের হুমকি দিয়ে হলেও জিততে চান

মোদি নির্মূলের হুমকি দিয়ে হলেও জিততে চান - ফাইল ছবি

প্রশাসনিকভাবে ‘হরিদ্বার’ যদিও একটি জেলা শহর মাত্র, কিন্তু এটি ভারতে হিন্দুদের এক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। আগে হরিদ্বার ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশের অংশ। কিন্তু গত নভেম্বর ২০০০ সালে উত্তরপ্রদেশের সর্ব-উত্তর অংশকে প্রশাসনিকভাবে উত্তরাখন্ড নামে আলাদা আরেক রাজ্য বলে এর জন্মের ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তাই হরিদ্বার এখন নবগঠিত উত্তরাখন্ড রাজ্যের ১৩ জেলার একটি। তবুও উত্তরাখন্ড ভারতের ছোট ছোট রাজ্যের কাতারেরই। কারণ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ২৯৪ আসনের চেয়ে উত্তরাখন্ডে মাত্র ৭০ আসনের বিধানসভা, আবার কেন্দ্রের আসন নিয়ে যদি তুলনা করি তবে পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনের তুলনায় উত্তরাখন্ডের আসন মাত্র পাঁচটা। তবে এটি একটি জনসংখ্যাগত ধারণা পাওয়ার তুলনা মাত্র।

ওদিকে উত্তরপ্রদেশ মানে কুখ্যাত যোগী আদিত্যনাথ যার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী; যিনি জনপ্রতিনিধির পরিচয়ের চেয়ে কট্টর ধর্মীয় জবরদস্তির এক শাসক হিসেবে বেশি নাম কামিয়েছেন। পুরানা সেই উত্তরপ্রদেশের এক জেলা হরিদ্বারের তীর্থক্ষেত্র হিসেবে নামের কারণ, এটি হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত। ফলে দু’টি নদী যমুনা ও গঙ্গা নদীর প্রবাহের শুরু, হিমালয়ের গা-চুইয়ে আসা পানির উৎস এখান থেকেই। এই নদীর পানিতে স্নান, এর স্বর্গীয় প্রভাব ফেলা এই মিথ সেখানে প্রচলিত। এ কারণে এখানে গঙ্গাকে শুধু গঙ্গা না বলে আগে পবিত্র শব্দ বসিয়ে মানে ‘পবিত্র গঙ্গা’ লেখার রেওয়াজ; যদিও বর্তমানে সারা হরিদ্বারের মানুষের বসবাসের প্রধান সঙ্কটের নাম পানি। খাবার পানি বা চাষাবাদের পানি দু’টিরই সঙ্কট এখানে। নদী দূষিত, পানি প্রাপ্যতা কমে গিয়ে শহর এলাকাগুলোয় হাহাকার উঠেছে।

উত্তরাখন্ডের ভেতরেই হরিদ্বার থেকে মাত্র কুড়ি কিমির বাস-দূরত্বের মধ্যেই আবার আরেক তীর্থের শহর ঋষিকেশ। এ ছাড়া কুম্ভমেলাও এখানেই, যা ১২ বছর পরপর আয়োজন করা রীতি আর এ সময়ে গঙ্গাস্নানে পুণ্য মিলবে- এ বিশ্বাসে বা লোভে এবার সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীর নিজের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন চালু রেখেছিলেন। আর তাতে করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভে ভারতের প্রশাসন ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ। না হাসপাতাল বা অক্সিজেন মিলেছে কিংবা মরার পর সৎকার- কোনোটাই কপালে জোটেনি বাসিন্দাদের। অমিত শাহ পর্যন্ত দল বেঁধে গায়ে গা লাগিয়ে কথিত পুণ্যস্নানের লোভ সামলাতে পারেননি। এমন পুণ্যস্নানের পরে সৎকারবিহীন মৃত্যু এ নিয়ে কিছু বলাও আসলে অস্বস্তিকর।

অর্থাৎ সাধারণভাবে ধর্মীয় ভিজিটর বা ট্যুরিস্টের শহর হরিদ্বার এবং কমবেশি সারা উত্তরাখন্ডই; যার পিছনের অর্থ হলো- বড়লোক ট্যুরিস্ট নয়, পুণ্য আদায়ের লোভে নিম্ন আয়ের যারা এরাই এখানকার প্রধান ভিজিটর। আর এ ফ্যাক্টরের কারণে উত্তরপ্রদেশের যেকোনো নতুন স্থাপনা, অবকাঠামো তা আর এই ঘিঞ্জি তীর্থস্থানগুলোতে নয়; বরং এদেরকে পাশ কাটিয়ে অন্য শহরে স্থাপিত হতে শুরু করেছিল। আর ততই এসব তীর্থস্থান পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের নাম নিয়েছে। আর একপর্যায়ে নবগঠিত উত্তরাখন্ড তেমনই ওসব পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর সমাহার। মানে পিছিয়ে পড়া শহরহুলোকে নিয়ে গঠিত নতুন রাজ্য। এবার সত্যটা বলি, এরই পরিণতি হলো, উত্তরাখন্ড তাই সাধু-সাধ্বীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শহর। স্বভাবতই তাই বিজেপি-আরএসএসের বহু নামি-বেনামি অঙ্গসংগঠনের সক্রিয় তৎপরতার প্রধান শহর এটি। আর এসব ধর্মীয় নেতার প্রধান কাজ রাজনীতিবিদ ও রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করে প্রকাশ্যে দায় দায়িত্বহীন হুঙ্কার তোলা।

দুই মাস আগে আমার লেখায় ত্রিপুরাকে দেখে বলেছিলাম, মোদি এখন সব হারানো মুসাফির পাবলিক রেটিং যার তলানিতে। সেসব কিছু নিয়ে আর আমাদের জল্পনা-কল্পনাও খুব জরুরি নয়। কারণ যেসব রাজ্যে মোদির ভরাডুবির সম্ভাবনা বলে বিজেপিওই মনে করে তা বোঝার সবচেয়ে সহজ ফর্মুলা হলো যেসব রাজ্যে মুসলমান কোপানোর হুমকি যত বেশি বুঝতে হবে, বিজেপি মনে করে তাদের অবস্থা ওখানে খুবই খারাপ। মোদির কাছে মুসলমান হত্যার উন্মাদনা তোলাটাই হিন্দু-ভোটারদের বিজেপি বাক্সে নিয়ে আসার শেষ ভরসা বা অবলম্বন। তাতে সরাসরি মুসলমান হত্যার উন্মাদনা আওড়ানো যতই কনস্টিটিউশন বা নির্বাচন কমিশনের আইন লঙ্ঘন হোক না কেন, মোদি-অমিত তাতে পিছপা নন!

এসব বিচারে হরিদ্বার- এ তীর্থের শহর মানে পুণ্যলোভীদের খেদমত ও আশ্বাস দেয়ার ভিত্তিতেই সর্বজ্ঞানী, ধর্মজ্ঞানী ভাবধরে মিথিক্যাল গল্প ছড়িয়ে যারা পেটের ভাত জোগাড় করে এমন পাণ্ডাদের শহর এটা। এই বিশেষ মানসিক স্থিতি ও পরিবেশটা কেমন তা বুঝানোর জন্য এই লেখার শুরু থেকেই প্রায় ৩০০ অক্ষর ব্যয় করলাম। এ ছাড়া নতুন বছর, এই ২০২২ সালে মোদির জন্য নির্ধারক উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখন্ড রাজের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ফেব্রুয়ারি-মার্চে।

অতএব বলাবাহুল্য মোদির বিজেপির কাছে হরিদ্বারের কথিত সাধু-সাধ্বীর (স্ত্রীলিঙ্গে সাধ্বী) কদর এখন তুঙ্গে। এদের ভাড়া করে নিয়ে হুঙ্কারের বক্তৃতা দেয়ানোর স্টাইলটা হলো, তারা সরাসরি মুসলমানদের মেরে ফেলবে, কেটে ফেলবে, পিষে ফেলবে- এথনিক ক্লিনজিং করে মুসলমান মুছে দেবে- এসব কথা বলবে তারা দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে। এদের দিয়ে বলানোতে মোদি আশা করেন, বিরোধীরা যেন আপত্তি না তুলে এই বলে যে, ওরা ‘ধর্মীয় লোক’ কত কিছুই না বলে অথবা এরা, আধুনিক রাষ্ট্র কনস্টিটিউশন না বুঝে বলেছে এই ভেবে বিরোধীরা এটি উপেক্ষা করুক। আবার বিরোধীরা এ নিয়ে আপত্তি তুলে বিজেপির নির্বাচনী ইচ্ছা- হিন্দুভোটের পোলারাইজেশনটা করে দিক, এটাই মোদি-বিজেপির প্রধান খায়েশ। আর সর্বোপরি পুলিশ যেন কোনো অভিযোগ না নেয় বা মামলাকে নিরুৎসাহিত করে এটাই অমিত শাহের এবারের ‘পবিত্র’ নির্বাচনী দায়িত্ব। এরই মধ্যে এক পুলিশ অফিসার সেসব জ্ঞান পাবলিককে বিতরণ করে দিয়েছে মিডিয়ায়। অথচ কাহিনী হলো, এবার ক্রিকেটে পাকিস্তানকে সমর্থন-উচ্ছ্বাস দেখানোতে এক ভারতীয় কাশ্মিরির বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতা’র চার্জ এনেছে।

হরিদ্বারে ‘ধর্মসংসদের’ আয়োজন
এবারের ঘটনার শুরু যেভাবে, গত ১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর হরিদ্বারে একটি ধর্মসংসদের আয়োজন করা হয় যার মূল আয়োজক ছিলেন এক বিতর্কিত ধর্মগুরু যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী। এদের নাম এমন বাহারিই হয়ে থাকে। “সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু রক্ষা সেনার প্রবোধানন্দ গিরি, বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী উদিতা ত্যাগী এবং বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়। ভাইরাল একটি ক্লিপে দেখা যায়, প্রবোধানন্দ গিরি বলছেন, ‘মিয়ানমারের মতো আমাদের পুলিশ, সেনা, রাজনীতিবিদ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সব মানুষকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হবে। এবার ‘সাফাই অভিযান’ চালাতে হবে।” এই ভাষ্যটা আনন্দবাজারের। এখানে সাফাই মানে ‘ক্লিনজিং বা ‘নির্মূল’ করা বুঝতে হবে। ভারতের দেয়া বাংলাভাষী বয়ান থেকে সরাসরি তা বোঝার জন্য আনন্দবাজারের ভাষ্যটা এখানে এনেছি। তবে আম-পাঠকদের জন্য একটা সাবধান-বার্তা জানিয়ে রাখি। হরিদ্বারের ওসব ধর্মীয় নেতার সরাসরি সেসব বক্তৃতা ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে। বলাহুল্য, তা লোমহর্ষক, একটা মানুষ কী করে গোষ্ঠী-ধরে অপর মানুষদের খুন করার আহ্বান জানাতে পারে? কিন্তু সাবধান আমরাও ওই ভিডিও ব্যাপক প্রচার করে হিন্দুদের ‘অপর’ বলে তাদেরও খুনাখুনির উসকানি দিতে পারি না। সেটি আইনি চোখেও পালটা ‘অপরাধ’ হবে। তাদের মতোই দায়দায়িত্বহীন কাজ হবে। এমন প্রত্যেক ইউটিউব ভিডিওওর শুরুতে সে কথা স্পষ্ট বলা আছে; পাবেন। পড়ে নিতে পারেন। তারা অপরাধী মানুষ ও দায়দায়িত্বহীন হলে আমরা যারা ধর্ম-নির্বিশেষে এমন মুসলমান হত্যার ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে চাই, তারাও তাদের মতোই অপরাধী ও দায়দায়িত্বহীন হয়ে যেতে পারি না।

এই অপরাধের শাস্তি কী?
গত ১৯৪৫ সালের আগের আর পরের দুনিয়ার ফারাক এখানেই। দুনিয়াতে কোনো দু’টি জনগোষ্ঠী স্বার্থ-সঙ্ঘাতে পড়লে অন্যকে ‘অপরজ্ঞান’ করে তাদের ‘গোষ্ঠীসহ নির্মূলের’ কথা, উগ্র ঘৃণা ছড়ানোর কথা আমরা শুনে থাকি। অপরকে কোনো একটা শব্দ দিয়ে ব্যঙ্গ বা তুচ্ছ করে কথা বলা যেমন পাকিস্তানিদের ‘পাকি’ বলা বা হিন্দুদের ‘মালাউন’ বলা ইত্যাদি, ভদ্র বা আইনি ভাষায় এটিকে বলে ‘এথনিক ক্লিনজিং’-এর উসকানি তোলা বা কথা বলা।

এটিই ছিল হিটলার গংয়ের প্রধান অপরাধ যিনি ঠিক এই কথিত সাধু-সাধ্বীদের মতো ‘এথনিক ক্লিনজিং’-এর উসকানি, কিল দেম- এই আহ্বানে প্রধানত ইহুদিদের আর সাথে অন্য যেকোনো বিরোধীদের হত্যা করেছিলেন। তাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে দুনিয়াতে এই প্রথম আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসঙ্ঘ, মানবাধিকার সনদ ইত্যাদির জন্য সংগঠন গড়ে ওঠে এবং ‘এথনিক ক্লিনজিং’-এর অপরাধে ‘সর্বোচ্চ শাস্তির’ সুপারিশ করা হয়। সেকালের জার্মানির ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে হিটলারের বন্ধুদের বিচার হয়েছিল। পরে এর আরো ভুলত্রুটি সংশোধন করে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট অ্যাক্ট ২০০১’ গৃহীত হয়েছে। যেখানেও এই অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাগার। প্রতিটি আধুনিক রাষ্ট্রের কনস্টিটিউশনে একইভাবে এটি এমন অপরাধ বলে গণ্য করে রাখার কথা।

কিন্তু ভারতে এ নিয়ে এখনো আমরা সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, কোনো সুয়োমোটো মানে নিজেই আমলে নিয়ে মামলার কোনো খবর নেই। আর নির্বাচন কমিশন? চলতি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে উত্তরাখন্ড ও উত্তরপ্রদেশ দুই রাজ্যেই বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করতে আসা এই কমিশনের দায়িত্ব। তারাও মনে হচ্ছে, তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। মোদি সরকারের কথা আর কী বলব? প্রধান বেনিফিশিয়ারি হিসাবে বরং তার সরকারের বিরুদ্ধেই মামলা হওয়ার কথা। কিন্তু না, অমিত শাহ উল্টা নিশ্চিত করছেন কথিত সাধুদের যেন কেউ স্পর্শ না করে।

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, হরিদ্বারে এই ‘ঘৃণার সম্মেলন’ এখন কেন? কেন গত ১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর হরিদ্বারে একটি ধর্মসংসদের আয়োজন! আমরা জানি না ঠিক কিসের প্রতিবাদে তাদের এই হুঙ্কার? কোথাও কি মুসলমানরা কোনো সাম্প্রতিক ঘটনায় বাধা দিয়েছিল? না, এমন কোনো রেফারেন্স কথিত সাধুরাও দেয়নি। অর্থাৎ এ থেকে পরিষ্কার, এর উদ্দেশ্য একটাই- দুই মাস পরে নির্বাচন। আর তাতে সব হিন্দুভোট যেন বিজেপি বাক্সে যায় এই অনুমানে যতটা ব্যাপকভাবে পারা যায় এক হিন্দু-জোশ তোলা। আর মুসলমানদের বিরুদ্ধে যথেচ্ছ হুমকি গালাগালি দিয়ে হিন্দু-জোশ তোলার সমতুল্য কী কিছু হতে পারে?

আবার এদের এই কথিত ‘ধর্ম-সংসদ’ শব্দটাই দেখুন। সংসদ শব্দটা দোজাহান-বাচক কোনো শব্দ নয়। কারণ সংসদ মানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের একত্রে শলাপরামর্শের জন্য বসার নির্দিষ্ট স্থান। আর জনপ্রতিনিধি শব্দটা আমাদের এই বস্তুগত দুনিয়ার, কেবল এই জাহানের শব্দ। আমরা আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তাকে আমাদের প্রতিনিধিরূপে নির্বাচন করি না, আমাদের সম্পর্ক তা নয় বলেই সব ধর্মতত্ত্ব সেই সাক্ষ্য দেয়। কাজেই এই ধর্ম-সংসদ কী জিনিস? সোনার পাথরের বাটি- এরকম? যদি আবার ভুল শব্দে তারা ধর্মের ক্ষমতা বোঝাতে চেয়ে থাকেন তো এই অথরিটি তাদের কে দিয়েছে? দুনিয়ার কোনো রাষ্ট্রই তাদের এই অথরিটি দিতে পারে না।

তা হলে এরা কারা? এরা হলো ধর্মীয় গুণ্ডা যাদের মোদির দল ভাড়া করেছেন এই আসন্ন নির্বাচনী মৌসুমে।

তবে এতই ঘৃণ্য অপরাধীদের সম্পর্কে খুবই সীমিত দুই একটা ভারতীয় মিডিয়া রিপোর্ট করেছে। টিভি-মাধ্যমের মধ্যে করেছে এনডিটিভি, টেক্সট রিপোর্ট ও সাক্ষাৎকারে সবচেয়ে বিস্তারিত ও ডিটেইল রিপোর্ট করেছে বরাবরের মতো ‘ওয়াইর’ (WIRE) এই ওয়েব পত্রিকাটা। এ ছাড়া সবার আগে রিপোর্ট করেছে কুয়িন্ট (QUINT) দা প্রিন্ট করেছে এদের সবার থেকে নিয়ে, তা হলেও করেছে। অবশ্য মুখ বন্ধ করতেও তো অর্থ লাগে।

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
goutamdas1958@hotmail.com


আরো সংবাদ


premium cement