সমান এক জয় ও ড্রয়ে রাউন্ড অব ৩২ আগেই নিশ্চিত হয়েছে ইংলিশদের। এবার পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে গেল থ্রি লায়ন্সরা। রানার্সআপ হলো ক্রোয়েশিয়া।
থমাস টুখেলের দল আগের ম্যাচে ঘানার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শনিবার পানামার বিপক্ষেও প্রথমার্ধে খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। যদিও শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে জিতেছে ইংলিশরা।
নিউ জার্সিতে পানামার বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল পায়নি ইংল্যান্ড। ম্যাচের বেশিভাগ সময় আক্রমণ ও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও কাজের কাজটি করতে পারেনি ‘থ্রি লায়ন্স’রা।
ব্যর্থ হয় একের পর এক আক্রমণ। একইসাথে ৩৮ মিনিটে বক্সের ভেতরে বুকায়ো সাকাকে ফেলে দেয়া হলে জোরালো পেনাল্টির আবেদন জানায় ইংল্যান্ড। তবে রেফারি খেলায় কোনো বাঁশি বাজাননি।
অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার পর পানামার বিপক্ষে গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বুকায়ো সাকার নিচু করে নেয়া কর্নার পৌঁছে যায় কাছের পোস্টে থাকা জুড বেলিংহামের কাছে।
সেখান থেকে দারুণ এক ভলিতে বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপে এটা বেলিংহামের দ্বিতীয় গোল। প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও গোল পান তিনি।
এদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে গোলের দেখা পান হ্যারি কেইনও। ৬৭ মিনিটে বেলিংহামের দারুণ এক ক্রসে নিজের রেকর্ড গড়া গোলটি করেন এই স্ট্রাইকার। ইংল্যান্ড লিড নেয় ২-০ গোল।
এই গোলে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার মুকুটও এককভাবে নিজের করে নিলেন কেইন। গ্যারি লিনেকারের ১০ গোল ছাড়িয়ে কেইনের গোল এখন ১১টি।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ৩২-এ ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে সেনেগাল অথবা ডিআর কঙ্গো। সেই বাধা পেরোতে পারলে শেষ ষোলোতে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ মেক্সিকো বা ইকুয়েডর।



