কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়ো ভায়েকানোকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে তুলে নিয়েছে বড় জয়। ঘরের মাঠে লস ব্লাঙ্কোজদের জয় ৪-১ গোলে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিন গোল করে জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলে স্বাগতিকরা। পরে দ্বিতীয়ার্ধে রায়ো এক গোল শোধ করলেও যোগ করা সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে।
ম্যাচের ১৪তম মিনিটে আলভারো কারেরাসকে ডি-বক্সে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল মাদ্রিদ। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। মাত্র তিন মিনিট পর আবারো কারেরাস ও এমবাপ্পের দারুণ সমন্বয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে রিয়াল।
এমবাপ্পের সাথে ওয়ান-টু করে বল পেয়ে গোল করেন কারেরাস। ৩৫তম মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন জুড বেলিংহাম। ভিনিসিউসের সাথে দারুণ সমন্বয়ের পর তার ক্রস থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই নিখুঁত শটে গোল করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।
বিরতির আগে আরো একবার গোলের খুব কাছে গিয়েছিলেন এমবাপ্পে। তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর যোগ করা সময়ে রায়োর পেদ্রো দিয়াজের দূরপাল্লার শট দুর্দান্তভাবে ঠেকান রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক থিবু কর্তোয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রায়ো পাল্টা চাপ তৈরি করে। ৪৬তম মিনিটে পেদ্রো দিয়াজের শট পোস্টে লাগে। পাঁচ মিনিট পর রিয়ালের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে সার্জিও কামেয়ো গোল করে ব্যবধান কমান।
এরপর রায়ো আরো কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও থিবু কর্তোয়ার দৃঢ়তায় ব্যবধান কমাতে পারেনি। অন্যদিকে রিয়ালও একাধিক সুযোগ পেয়েছিল। রিয়ালের গোলরক্ষক থিবু কর্তোয়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন।
শেষ দিকে আরদা গুলের মাঠে নামার পর রিয়ালের আক্রমণে আবারো গতি বাড়ে। ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে এমবাপ্পের দুর্দান্ত ভলি থেকে গোল হতে পারত, কিন্তু রায়োর গোলরক্ষক তা ঠেকিয়ে দেন।
শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে আসে এমবাপ্পের দ্বিতীয় গোল। আরদা গুলেরের বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে ছয় ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় সাতটিতে।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সাথে পয়েন্টে সমান হলো রিয়াল মাদ্রিদের। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছে তারা।



