আশিয়ান কাপে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। হঠাৎ পাওয়া এই সুযোগটি কাজে লাগাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন । জাতীয় দল কমিটির বিশেষ সভায়ও টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন অপেক্ষা ফিফার আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তার।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আশিয়ান কাপের প্রিমিয়ার ডিভিশন। আট দল নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় শুরুতে ‘এ’ গ্রুপে ছিল ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ভারত নাম প্রত্যাহার করায় তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখন ফিফার অনুমোদন মিললে প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টে খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে বাফুফের জাতীয় দল কমিটির বিশেষ সভায় বাংলাদেশকে আশিয়ান কাপে পাঠানোর বিষয়ে সম্মতি দেন কমিটির সদস্যরা। ফিফার সাথে এ নিয়ে আলোচনা চলছে ও আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পেলেই বাংলাদেশের অংশ নেয়া চূড়ান্ত হবে।
বাংলাদেশ সুযোগ পেলে গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হতে পারে। তবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির পর গ্রুপিং অপরিবর্তিত থাকবে, নাকি নতুন করে ড্র হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে বাফুফের আর্থিক চাপও তুলনামূলক কম। অংশ নেয়া দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসন ব্যয় আয়োজকদের বহন করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি দলগুলোকে অংশ নেয়ার জন্য অর্থও দেয়া হবে।
সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে বাংলাদেশ আগে ঢাকায় চার জাতির টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছিল। আশিয়ান কাপে খেলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় সেই পরিকল্পনার পরিবর্তে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার দিকেই এগোচ্ছে বাফুফে।
এখন ফিফার অনুমোদন মিললে হামজা চৌধুরীদের সামনে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ তৈরি হবে।


