ব্রাজিল–স্কটল্যান্ড ম্যাচে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা, ভেসে যেতে পারে খেলা

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ভাগে এসে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আবহাওয়া। বজ্রঝড়ের কারণে ফ্রান্স ও ইরাকের ম্যাচ প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর এবার একই ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের ম্যাচ ঘিরে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ব্রাজিল–স্কটল্যান্ড ম্যাচে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা, ভেসে যেতে পারে খেলা
ব্রাজিল–স্কটল্যান্ড ম্যাচে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা, ভেসে যেতে পারে খেলা |নয়া দিগন্ত

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ভাগে এসে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আবহাওয়া। বজ্রঝড়ের কারণে ফ্রান্স ও ইরাকের ম্যাচ প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর এবার একই ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের ম্যাচ ঘিরে।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোর ৪টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই দলের। তবে বজ্রঝড় ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস ম্যাচের সূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

পরিস্থিতির অবনতি হলে ম্যাচ শুরু পিছিয়ে যেতে পারে, এমনকি খেলা চলাকালেও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হতে পারে। তবে পুরোপুরি ম্যাচ বাতিল হওয়ার শঙ্কা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে জুন ও জুলাই মাস সাধারণত বজ্রঝড় ও আকস্মিক বন্যার মৌসুম হিসেবে পরিচিত। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহ বড় কোনো আবহাওয়াজনিত বাধা ছাড়াই শেষ হলেও দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে প্রকৃতির বিরূপ আচরণ আয়োজকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।

এরই মাঝে ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের ম্যাচে বজ্রপাতের কারণে প্রথমার্ধের পর প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরে ম্যাচ পুনরায় শুরু হলে ৪-০ গোলের বড় জয় পায় ফ্রান্স।

অন্যদিকে নিউ জার্সিতে নরওয়ে ও সেনেগালের ম্যাচ ভারী বৃষ্টির মধ্যেও শেষ করা সম্ভব হয়েছিল। এবার নজর মায়ামিতে। ফ্লোরিডাজুড়ে মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা।

আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা ‘অ্যাকুওয়েদার’- এর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে—ম্যাচ শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে—বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে ৫১ শতাংশ। তাই আয়োজকরাও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছেন।

সব মিলিয়ে মায়ামির এই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; আবহাওয়াও হয়ে উঠেছে বড় একটি ফ্যাক্টর।

নকআউটে ওঠার সমীকরণ, বজ্রঝড়ের শঙ্কা এবং বিশ্বকাপের চাপ—সবকিছু মিলিয়ে ম্যাচটিকে ঘিরে উত্তেজনা এখন চরমে।