ফিফা বিশ্বকাপের ‘জে’ গ্রুপে বাঁচা-মরার ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে জর্ডান। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে নিজার আল-রাশদানের একমাত্র গোলে বিরতিতে স্বস্তিতে রয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গ্রুপ পর্বের নিজেদের প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখেছিল উভয় দল। শক্তিশালী আর্জেন্টিনার কাছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছিল আলজেরিয়া। অন্যদিকে অস্ট্রিয়ার কাছে ৩-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল জর্ডান।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলতে থাকে। বল দখল ও আক্রমণ গড়ার ক্ষেত্রে আলজেরিয়া কিছুটা এগিয়ে থাকলেও জর্ডানের রক্ষণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। পাল্টা আক্রমণনির্ভর কৌশলে খেলা জর্ডান ধীরে ধীরে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ৩৬তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় জর্ডান। দলের আক্রমণভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা থেকে বল পেয়ে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে আলজেরিয়ার জালে বল জড়িয়ে দেন নিজার আল-রাশদান। তার গোলে গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে এবং ম্যাচে এগিয়ে যায় জর্ডান।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আলজেরিয়া। তবে জর্ডানের সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধে আর কোনো গোল আদায় করতে পারেনি উত্তর আফ্রিকার দলটি।
গ্রুপের পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্বিতীয়ার্ধ দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। জয় পেলে নকআউট পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে পারবে জর্ডান। অন্যদিকে হার এড়াতে না পারলে আলজেরিয়ার জন্য বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্বে ওঠার পথ অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়বে।
প্রথমার্ধের খেলায় সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতায় এগিয়ে রয়েছে জর্ডান। এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয়ার্ধে আলজেরিয়া ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না, নাকি নিজার আল-রাশদানের গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।



