নিয়মিত অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলতে চান শান্ত

ম্যাকাই টেস্টের দুই ইনিংসের একটিতেও ১০০ রান করতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ইনিংসে যথাক্রমে- ৬৪ ও ৯৫ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। এমন কন্ডিশনে ব্যাট করার খুবই কঠিন বলে মনে করেন শান্ত।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রথম টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক
প্রথম টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক |ফাইল ছবি

দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে নিয়মিত অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শেষে এক কথা বলেন শান্ত।

তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে খেলার উন্নতি হবে।

২০০৩ সালে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফর করে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নামে টাইগাররা। তবে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে চান না বাংলাদেশ দলনেতা শান্ত।

দ্বিতীয় টেস্ট দু’দিনে শেষ হবার পর পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে শান্ত বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নিয়মিত হতে হবে এবং একই কন্ডিশনে যদি আমরা আরো বেশি খেলার সুযোগ পাই, তবে আমাদের জন্য ভালো হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আসার জন্য যেন আর ২৩ বছর অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা যদি এখানে প্রায় আসার সুযোগ পাই তাহলে আমাদের খেলার উন্নতি হবে।’

ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ শুরু করে বাংলাদেশ দল। তবে ম্যাকাইতে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি টাইগাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র দু’দিনে ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে টেস্ট হারে শান্ত-মুমিনুলরা। ফলে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়।

দ্বিতীয় টেস্টে দল খারাপ খেলেছে বলে স্বীকার করেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি অস্ট্রেলিয়া কতটা ভালো দল। তারা তাদের সেরা পারফরমেন্স দেখিয়েছে। এই টেস্ট ম্যাচে আমরা আমাদের সেরাটা খেলতে পারিনি।’

ম্যাকাই টেস্টের দুই ইনিংসের একটিতেও ১০০ রান করতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ইনিংসে যথাক্রমে- ৬৪ ও ৯৫ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। এমন কন্ডিশনে ব্যাট করার খুবই কঠিন বলে মনে করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘এটা ছিল ভিন্ন কন্ডিশন। বাতাসের কারণে বাড়তি বাউন্স ও সুইং ছিল। এটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। দল হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে হলে এই ধরনের কন্ডিশন মোকাবেলা করতে হবে। আমি মনে করি এই অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। সব ব্যাটারদের জন্য এটা বেশ কঠিন ছিল। শরিফুলকে খেলতে তাদেরও সমস্যায় পড়েছিল। সত্যি কথা বলতে এই কন্ডিশনে ব্যাট করা বেশ কঠিন।’

শেষ টেস্ট হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট ১-১ সমতায় শেষ করতে পারে টাইগাররা। ২০১৭ সালে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ সমতায় শেষ করেছিল বাংলাদেশ।

এর আগে দু’বার অস্ট্রেলিয়ার কাছে টেস্ট সিরিজ হারে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে ও ২০০৬ সালে দুই ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টাইগাররা।