সাদমান-মিরাজের সেঞ্চুরি, ২১৭ রানের লিড বাংলাদেশের

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চালকের আসন দখলে নিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ১২৯.২ ওভারে ১৪৪ রান। যেখানে টাইগারদের লিড ২১৭ রানের।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মেহেদী মিরাজ
মেহেদী মিরাজ |সংগৃহীত

সাদমান ইসলাম পথ দেখিয়েছিলেন, মেহেদী মিরাজ কাঁধে তুলে নেন দায়িত্ব। দু’জনেই পেয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকের দেখা। তাদের জোড়া শতকে ভর করে চট্টগ্রাম টেস্টে বড় লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চালকের আসন দখলে নিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ১২৯.২ ওভারে ১৪৪ রান। যেখানে টাইগারদের লিড ২১৭ রানের।

গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনেই সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে করা ২২৭ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৬৪ রানের লিড নিয়ে শেষ হয় দিন। লিড কত বড় হয়, তা দেখার জন্যই ছিল অপেক্ষা।

আজ বুধবার ৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম দারুণ শুরু এনে দেন। অনায়াসেই আসে শত রানের লিড।

তবে তা বিপদের কারণ হয়নি। অভিষিক্ত পেসার তানজিম সাকিব ব্যাট হাতেও বেশ সঙ্গ দেন মিরাজকে। দু’জনের জুটিতে রান আসে বেশ। ৯৬ রান যোগ করেন দু’জনে মিলে। ৪১ রান করে আউট হোন সাকিব।

তবে ততক্ষণে দল পেরিয়ে যায় ৪০০ রানের গণ্ডি। এরপর শেষ উইকেট জুটিতে হাসান মাহমুদকে নিয়ে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। যাত্রা পথে স্পর্শ করেন সাদা পোশাকে ২ হাজার রানের মাইলফলক।

একইসাথে টেস্টে দুই হাজার রানের পাশাপাশি ২০০ উইকেট পাওয়া ২৬তম ক্রিকেটার বনে গেছেন মিরাজ। বাংলাদেশের হয়ে সাকিব আল হাসানের পর তিনিই এই কীর্তি ছুঁয়েছেন কেবল।

সেঞ্চুরির পর আর ইনিংস বড় হয়নি। ১০৪ রানে মাসেকাসের বলে আউট হয়েছেন টাইগার এই অলরাউন্ডার। যা তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। হাসান মাহমুদ ১৬ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

এদিকে জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্টে অভিষেকেই ৫ উইকেট শিকার করেছেন ভিন্সেন্ট মাসেকাসে।