বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিতে আইসিসির কাছে বুলবুলের চিঠি, পাওয়া গেলো সত্যতা

আইসিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি উল্লেখ করে ৭ জুন অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে আইসিসিকে সেটি স্বীকৃতি না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এমন চিঠি পাঠানোর খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। কিন্তু তার সেই দাবি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয় যখন তার স্বাক্ষরযুক্ত চিঠির কপি প্রকাশ্যে আসে
শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এমন চিঠি পাঠানোর খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। কিন্তু তার সেই দাবি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয় যখন তার স্বাক্ষরযুক্ত চিঠির কপি প্রকাশ্যে আসে |সংগৃহীত

সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আইসিসির কাছে বিসিবির সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ ও আইসিসি টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে সাময়িকভাবে বাদ দেয়ার আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।

যদিও শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এমন চিঠি পাঠানোর খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। কিন্তু তার সেই দাবি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয় যখন তার স্বাক্ষরযুক্ত চিঠির কপি প্রকাশ্যে আসে।

আইসিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি উল্লেখ করে ৭ জুন অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে আইসিসিকে সেটি স্বীকৃতি না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চিঠিতে আরো বলা হয়, নির্বাচিত বোর্ড পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির জন্য বরাদ্দ আইসিসির সব তহবিল স্থগিত রাখা হোক। তবে সাধারণ মানুষকে অবাক করেছে তার পরের দাবিগুলো।

যেখানে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করার পাশাপাশি আইসিসির সংবিধান অনুযায়ী প্রয়োজন হলে বিসিবির সদস্যপদ স্থগিত ও আইসিসি ইভেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার মতো পদক্ষেপ নেয়ারও অনুরোধ করেন।

এ ছাড়া চিঠিতে বিসিবির কয়েকজন কাউন্সিলর ও পরিচালকের রাজনৈতিক পরিচয় এবং নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দীর্ঘদিনের ক্রিকেট প্রশাসন ও সংগঠক হিসেবে অবদানের বিষয়টি সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। যা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে ক্রিকেটপাড়ায়।

চিঠির শেষ দিকে ‘উপসংহার’ টেনে নিচে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল এএসএম সাজ্জাদ হায়দারের নাম উল্লেখ আছে বাম পাশে। ডানপাশে অংশে দেখা যায় বুলবুলের নাম ও স্বাক্ষর।