ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ইউল্যাব মাঠে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ওপেনার হাবিবুর রহমান। ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির গড়লেন তিনি।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার মাত্র ছয় দিন পর দ্রুততম শতকের রেকর্ডের মালিক হলেন হাবিবুর।
এর আগে মোসাদ্দেক হোসেন সাথে যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডের মালিক ছিলেন হাবিবুর। ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন দু’জনে। এবার ৪৫ বলের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড নিজের করে নিলেন হাবিবুর।
রেকর্ড গড়া ইনিংসের শুরুতে সাবধানী ছিলেন হাবিবুর। প্রথম ৯ বলে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। তবে চতুর্থ ওভারে নিহাদ উজ জামানের বলে একটি করে চার ও ছক্কা দিয়ে দ্রুত রান তোলার ইঙ্গিত দেন তিনি। পরবর্তীতে মারমুখী মেজাজ ধরে রেখে ২৬ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন হাবিবুর।
অর্ধশতকের পর আরো মারমুখি হয়ে উঠেনর হাবিবুর। পরের ৬০ করতে মাত্র ১৯টি বল খেলেন তিনি। সেঞ্চুরি পর আব্দুল্লাহ আল মামুনের বলে আউট হন এই ওপেনার। তার আগে ৫৮ বলে ১৩টি ছক্কা ও আটটি চারে ১৩০ রান করেন হাবিবুর।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশী ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড সৌম্য সরকারের। ২০১৯ সালে ডিপিএল ম্যাচে ১৯টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি।
হাবিবুরের রেকর্ড সেঞ্চুরির সুবাদে ৪৪.৪ ওভারে ৩২২ রানে অলআউট হয় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এরপর ওপেনার সাদিকুর রহমানের ১০১ রান সত্ত্বেও ৪৪.১ ওভারে ২৪৮ রানে অলআউট হয় সিটি ক্লাব। এতে ৭৪ রানের জয় পায় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
গত সপ্তাহেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম অর্ধশতকের মাইলফলক স্পর্শ করেন হাবিবুর।
ওই ইনিংসে পেস সেনসেশন নাহিদ রানার এক ওভারে ২৬ রান এবং তাসকিন আহমেদের এক ওভারে ২৫ রান নিয়েছিলেন হাবিবুর।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে দ্রুততম শতকের রেকর্ডটিও হাবিবুরের দখলে। গত বছর রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে হংকং-চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ৩৫ বলে শতক হাঁকান তিনি।
সূত্র : বাসস



