রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা
ঘুষ দিয়েও মেলেনি চাকরি, ফেরত পাওয়া যাচ্ছে না উৎকোচ হিসেবে দেয়া পৌনে ছয় লাখ টাকাও। প্রতিকার ও টাকা উদ্ধারের দাবিতে উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দুয়ারে ঘুরছেন ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার এক ভুক্তভোগী যুবক।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মুরাদবক্স রহমানিয়া দাখিল মাদরাসায়। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে মুরাদবক্স দাখিল মাদরাসায় নিরাপত্তাপ্রহরী পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে হোসেনগাঁও ইউনিয়নের ইমরান হোসেনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নেন মাদরাসা সুপার আব্দুল তোয়াব এবং তৎকালীন সভাপতি কামরুজ্জামান লিটন।
তবে ইমরানকে চাকরি না দিয়ে অন্য একজনের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রতারণার শিকার ইমরান তার টাকা ফেরত চাইলে তালবাহানা শুরু করেন সুপার ও সাবেক সভাপতি। একপর্যায়ে টাকা নেয়ার বিষয়টিই তারা অস্বীকার করেন। বাধ্য হয়ে ইমরান বিচার ও টাকা উদ্ধারে ইউএনও এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে মাদরাসা সুপার আব্দুল তোয়াব বলেন, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, ইমরানের বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান লিটনও টাকা নেয়ার বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। রানীশংকৈল ইউএনও মিজ খাদিজা বেগম জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



